০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:২৯ অপরাহ্ন

সত্য বলার বাতিক —-এম এ কবীর (সাংবাদিক)

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এক.

১৯৬৬ সালে ইংরেজ পণ্ডিত অলউইন রাডক নানা দলিলপত্র ঘেঁটে মত দেন ভেনিসিও নাবিক জুয়ান শ্যাবতো ১৪৭০ সালের দিকেই আমেরিকায় হাজির হন। তিনি ইংল্যান্ড থেকে রওনা দেন বলে তাকে ইংরেজরা জন ক্যাবট বলে।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান ভাইকিং জলদস্যুরা এদের সবার আগে এ অঞ্চলে যাওয়া আসা করত। তারাই প্রথম ইউরোপীয়, যারা উত্তর আমেরিকার ভূখণ্ডে যান যা কলম্বাস পারেননি। কলম্বাসের অনেক পর ইতালির আরেক নাবিক ১৪৯৭-১৫০৪ এর মাঝে প্রথমে স্পেন ও পরে পর্তুগালের পক্ষে দুবার মূল ভূখণ্ডে আসেন। তার বর্ণনা দিয়ে দুটি ছোট ভ্রমণ পুস্তক লেখেন। সেই আমেরিগো ভেসপুচির নামেই মহাদেশটির নাম হয় আমেরিকা।

কারো মতে,মধ্য এশিয়ার ইসলামি পণ্ডিত ‘পৃথিবী গোল’ যার জানা ছিল সেই আবু রায়হান আল-বিরুনি এ কৃতিত্বের দাবিদার।

কলম্বাস আসলে কি নমস্য? কারও কাছে তিনি পৃথিবী বিখ্যাত বীর। কারও কাছে মহাশয়তান।

যারা বীরত্বের মুকুট পরান তারা বলেন তার এ আবিষ্কারের ফলেই আজ গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের স্বর্গ হয়ে উঠেছে আমেরিকা। নতুন মহাদেশ তথা অর্ধ পৃথিবী ক্রমান্বয়ে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হয়। আইরিশ ক্যাথলিকরা তাকে ঈশ^র প্রেরিত মহামানব ভাবতে শুরু করে।

তবে তিনি আদিবাসীদের ওপর যে গণহত্যা, পাইকারি ধর্ষণ, লুন্ঠন, অগ্নিসংযোগ ও লোমহর্ষক নির্যাতন চালান তা জগতে বিরল। তাদের তিনি দাসত্বের জালে আবদ্ধ করে নির্বিচার ধ্বংসযজ্ঞ চালান। ফেরার পথে বেশকিছু আদিবাসী নর-নারীকে গলায় ও হাতে- পায়ে বেড়ি পরিয়ে লোহার শিকল দিয়ে গরু-ছাগলের মতো বেঁধে রাজ দরবারে নিয়ে আসেন, সে দেশের মানুষের নমুনা দেখাতে।

ইসাবেলা এতে তার ওপর ভীষণ রুষ্ট হন এবং তাদের মুক্ত করে দেন। কিছু বিরল উদ্ভিদ ও তোতা পাখি নিয়ে আসেন উপহার হিসেবে। আরও একটি জিনিস নিয়ে আসেন তিনি যা রাণি জানতেন না, তা হলো একটি ভয়ানক রোগ, যা তিনি পাইকারি ধর্ষণ দ্বারা অর্জন করেন। পরবর্তীকালে সারা সভ্য দুনিয়ায় এ  রোগ ছড়িয়ে দেন।

যে রোগ হলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ অকেজো হয়ে একদিন পক্ষাঘাত ও ক্রমে পাগল হয়ে যায় মানুষ। রোগটি হলো সিফিলিস। যা প্রতিটি মেডিকেল কলেজে পাঠ্য। লন্ডনের এইচ কে লুইস অ্যান্ড কো. লিমিটেড হতে প্রকাশিত বেইলি অ্যান্ড লাভস শর্ট প্র্যাকটিস অব সার্জারি বইতে লেখা আছে- ‘ অন হিজ রিটার্ন ফ্রম হাইতি টু বার্সেলোনা ইন ১৪৯৩ কলম্বাস ব্রট ব্যাক সিফিলিস,প্যারোটস,অ্যান্ড রেয়ার প্ল্যান্টস’।

বটোলোমে লাস কাসাস নামে এক স্পেন দেশীয় পাদ্রী তার মৃত্যুর প্রায় ৫০ বছর পর প্রশ্ন রেখেছেন সভ্য সমাজের কাছে- এ নির্যাতন কি আদৌ প্রয়োজন ছিল?

কলম্বাসের সফরের বিস্তারিত বর্ণনা রেখেছেন তিনি। সোজা ভাষায় অনেকে তাকে জলদস্যু আখ্যা দেন। মৃত্যুর পর প্রায় দু‘শ বছর তাই তাকে নিয়ে কেউ মাতামাতি করেনি।

ক্রমে আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী লোক বাড়তে থাকলে তারা নিজেদের ইংরেজ থেকে আলাদা ভাবতে থাকে।

১৭৯২ সালে ঘটা করে আমেরিকা আবিষ্কারের তিন শত বছর উদযাপন করে। নিউইয়র্কস্থ কিং কলেজের নাম বদলে রাখা হয় কলম্বাসের নামে, রাজধানী ওয়াশিংটন এলাকার নাম দেয়া হয় ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া। এমনকি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরের দেশটির নাম দেয়া হয় কলম্বাসের নাম অনুযায়ী রিপাবলিক অব কলম্বিয়া। মজার ব্যাপার কলম্বাস কখনো সে দেশটিতে আসেননি। ১৪৯৯ সালে দেশটি আবিষ্কার করেন এলোনসো দি ওজেডা।

কলোম্বাসকে কেউ বলেন পর্তুগিজ, কেউ গ্রিক বা আর্মেনীয়। কেউ আবার কলম্বাসের সঙ্গে রাণি ইসাবেলার রোমান্টিক সম্পর্কের ইশারা দেন। বলেন ইসাবেলা নাকি তার সমুদ্রাভিযানের খরচ মেটাতে গায়ের অলংকার খুলে বিক্রি করেন। এ সবই মিথ্যা। সুঠামদেহী লালচে চুলের অধিকারী কলম্বাস ছিলেন ইতালীয়। এক গরিব তাঁতি পরিবারে জন্মনেন জেনোয়াতে ১৪৫১ সালে।

খুব লেখাপড়ারও সৌভাগ্য হয়নি। বাবা ছিলেন ঋণগ্রস্ত। অল্প বয়সেই বাণিজ্য আর অ্যাডভেঞ্চারের নেশা পেয়ে বসে। ইতালির সঙ্গেই ভূমধ্যসাগরে নৌ পরিচালনা করে বেশ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন সমুদ্র ও নৌ চালনা সম্পর্কে।

ভারতের ধন-ঐশ^র্যের অনেক কিংবদন্তি শুনেছেন তিনি ছোটবেলা থেকে। শুনেছেন জিভে লালা ঝরানো মসলার কাহিনি।  পূর্ণবয়স্ক হয়ে ভারতে যাওয়ার পথ আবিষ্কারের জন্য উন্মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। টলেমি, প্লিনি, স্প্যারো প্রমূখের বই গোগ্রাসে গিলতে থাকেন ভৌগোলিক জ্ঞানের জন্য। ভাবেন আটলান্টিকের ওপারেই হয়তো পেয়ে যাবেন সে স্বপ্নের দেশ। এর জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।

প্রথমে পর্তুগালের রাজা দ্বিতীয় জনের কাছে যান সাহায্য চাইতে।  ব্যর্থ হয়ে পরে রাজা ফার্ডিনান্ড ও রাণি ইসাবেলার দ্বারস্থ হন। তারাও তাকে ফিরিয়ে দেন। কলম্বাস একে একে ডিউক অব মেডিনা, ডিউক অব মেডিনা কেলির দ্বারস্থ হন।

এর মাঝেই ইসাবেলার মন একটু গলে। তিনি কলম্বাসকে ডেকে পাঠান। তিনি তার যাত্রায় আগ্রহ প্রকাশ করেন।  রাজাকে এ ব্যাপারে মতামত দিতে বলেন। রাজা একটি কমিটি গঠন করে তাদের ওপর মতামতের ভার দেন। শেষ পর্যন্ত কমিটি রাজি হলে ১৪৯২ সালে যাত্রা শুরু করেন কলম্বাস। ক’দিন পরই জাহাজে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয় এমনকি কম্পাসটাও বিগড়ে যায়। শুধু আকাশের তারার ওপর নির্ভর করে তিনি জাহাজ চালাতে থাকেন।

বিশাল আটলান্টিক। কুলকিনারা নেই। দীর্ঘদিন চলেও কোনো ভূমির দেখা না পেয়ে বিদ্রোহ শুরু করে নাবিকরা। নাবিকদের থামাতে না পেরে শেষে তিনি লোভ দেখান, পশ্চিম দিকে যে প্রথম ভূখন্ড দেখতে পাবে তাকে বিরাট অংকের পুরস্কার দেয়া হবে। পরে যে দেখতে পেয়েছিলেন তার দাবি উপেক্ষা করে ধূর্ত কলম্বাস ঘোষণা দেন তিনি নিজেই প্রথম দেখেছেন।

তিনি যেখানে নামেন তা ছিল সানসালভেডর। তবে তার ধারণা ছিল তিনি ভারতে পৌঁছে গেছেন. তাই এলাকাটির নাম দেন পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ অর্থাৎ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

১৪৯২ থেকে ১৫০৪ সালের মাঝে চারবার যান সেখানে। ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের উত্তর উপকূলে ইসাবেলা নামে উপনিবেশ গড়ে নিজেকে তার শাসক ঘোষণা করে দিনের পর দিন নিরপরাধ লোকদের ফাঁসি দিয়ে প্রকাশ্য স্থানে ঝুলিয়ে রাখতেন স্থানীয়দের ভয় দেখাতে।

দুই.

এক ছিলেন রাজা । ইচ্ছে হলো, এমন অপূর্ব পোশাক তিনি পরবেন যা অভূতপূর্ব। যে পোশাক, যে সৌন্দর্য কেউ কোনোদিন দেখেনি। রাজ্যময় ঢোল পিটিয়ে দেয়া হলো। এমন অপূর্ব পোশাক যে বানিয়ে দিতে পারবে রাজা তাকে এক লক্ষ স্বর্ণমুদ্রা দেবেন।

এ খবর রাজ্যময় প্রচার হলো, আশপাশের রাজ্যতেও  ছড়াল। দলে দলে লোক রাজদরবারে আসতে লাগল। এত লোক এলো,তাদের সামলাতে রাজা রীতিমতো হিমশিম খেলো ।

তবে তাদের কোন পোশাকই রাজার পছন্দ হলো না। সব পোশাকেই রাজা একটা-না-একটা খুঁত খুজে পেলেন। সকলেই হতাশ। উজির-নাজির  চিন্তিত। রাজা ক্ষুব্ধ। এত দিনেও রাজার পছন্দের পোশাক পাওয়া গেল না। রাজ্যময় ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থা।

ঘটনা জানাজানি হলো কানে কানে।

এবার এক অতি ধূর্ত লোক রাজাকে  শিক্ষা দেয়ার ফন্দি আঁটল। সে রাজসিক এক দলবল নিয়ে রাজদরবারে হাজির।

রাজাকে বলল, রাজা মশাই! আমি আপনাকে এক অপূর্ব পোশাক দেখাব,তবে এক শর্তে। এই পোশাক দৈববর প্রাপ্ত। কেবল সু-সন্তানরাই এটা দেখতে পারবে। যাদের জন্ম নিয়ে সন্দেহ আছে, এরকম ব্যক্তি কখনো এ পোশাক দেখতে পারবে না। রাজা যদি অনুমতি দেন তাহলে এ পোশাক দেখাতে পারি। রাজা অনুমতি দিলেন।

ধূর্ত লোকটি পোশাক দেখানোর ভঙ্গিতে সবকিছুই করছে। প্রথমেই রাজাকে শরীরের নিচের অংশের পোশাক দেখালেন। তারপর  ছোট ছোট খাটো কাপড়ের টুকরো বের করলেন। অথচ কেউ কিছু দেখছে না। রাজাও দেখছেন না।

রাজা মনে মনে প্রমাদ গুনছেন, আমি দেখছি না কেন? তাহলে কি আমার জন্ম নিয়ে কোনো গণ্ডগোল আছে? রাজা-বাদশাহদের ক্ষেত্রে এরকম তো হতেই পারে! রাজা ভয়,লজ্জা, সঙ্কোচে সত্য বলতে পারছেন না। একই অবস্থা চারিদিকে। রাজা-উজির, পাত্র-মিত্র সবার মনেই একই প্রশ্ন। অথচ মনের কথা প্রকাশ করছেন না কেউ। অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণÑ যখন রাজা সেই পোশাক পরে রাজ্য ঘুরতে বের হবেন… ।

নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী লিখেছেন-

‘সবাই দেখছে যে, রাজা উলঙ্গ,

তবুও সবাই হাততালি দিচ্ছে।

সবাই চেঁচিয়ে বলছে; শাবাশ! শাবাশ!

কারো মনে সংস্কার, কারো ভয়;

কেউ বা নিজের বুদ্ধি অন্য মানুষের কাছে বন্ধক দিয়েছে;

কেউ বা পরান্নভোজী,

কেউ কৃপাপ্রার্থী, উমেদার, প্রবঞ্চক;

কেউ ভাবছে, রাজবস্ত্র অতীব সূক্ষ্ম,

চোখে পড়ছে না যদিও, তবু আছে,

অন্তত থাকাটা কিছু অসম্ভব নয়।’

কবি রাজাকে নামিয়ে দিয়েছেন ‘বাস্তবের প্রকাশ্য রাস্তায়’। সে রাজপথেও একই দৃশ্য; একই স্তাবকতা। একই প্রশস্তি। হাজারো মানুষের কেউই নিজেকে জন্মের ব্যাপারে সন্দিহান অথবা প্রচলিত ভাষায় ‘জারজ’ ভাবতে রাজি নয়। এদের মধ্যে রাজ কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক-আইনজীবী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী এবং তুখোড় বুদ্ধিজীবী কেউ ঝুঁকি নিতে নারাজ। নিজের সুযোগ-সুবিধা পদ হারাতে চায় না তারা।

তবে সবাই গল্পের ‘আপাদমস্তক ভীতু, ফন্দিবাজ অথবা নির্বোধ স্তাবক ছিল না।

এক শিশুও ছিল। সত্যবাদী, সরল, সাহসী।

সেই শিশুটি রাজাকে দেখে স্বতঃস্ফূর্তভাবে চেঁচিয়ে উঠল, ‘রাজা ন্যাংটা! রাজা ন্যাংটা!’  শিশুটি যা দেখছে তা-ই বলছে। তার মাথায় জাগতিক বুদ্ধি গজায়নি। ভয়-ভীতি, আইন-কানুন, জেল-জুলুম সে বোঝে না।

নীরেন্দ্রনাথ এই সময়ে সেই শিশুকে কোথাও দেখছেন না। তার প্রশ্নÑ

‘শিশুটি কোথায় গেল?

কেউ কি কোথাও তাকে কোনো পাহাড়ের গুহায় লুকিয়ে রেখেছে?

নাকি সে পাথর-ঘাস-মাটি নিয়ে খেলতে খেলতে ঘুমিয়ে পড়েছে,

কোন দূর নির্জন নদীর ধারে, কিংবা কোনো প্রান্তরের গাছের ছায়ায়?’

যে শিশুটিকে তিনি খুঁঁজছেন,সে অবুঝ শিশুর মতোই সত্য বলবে। মুরব্বিরা বলছেন,

‘মিথ্যা বাজে বকিসনে আর খবরদার ’। সে তার কথা বলেই যাচ্ছে।  ভীতি, রাগ, উপদেশ – কোনো কিছুই তাকে সত্য বলা থেকে বিরত করছে না।  সত্য বলার বাতিকে পেয়েছে তার।

সবাই রাজাকে ন্যাংটা দেখছে না। সে দিব্যি সত্য কথা বলে যাচ্ছে, তখন তাকে নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়ে গেছে। কেউ বলছে শাবাশ! শাবাশ। আবার কেউ বলছে, বোকা বেহদ্দ কোথাকার!

কবির আহ্বান Ñ ‘সে এসে একবার এই উলঙ্গ রাজার সামনে/নির্ভয়ে দাঁড়াক।/সে এসে একবার এই হাততালির ঊর্ধ্বে গলা তুলে/জিজ্ঞাসা করুক:/রাজা, তোমার কাপড় কোথায়?’

তিন.

বায়ুদুষণ বিপজ্জনক বিবেচনায় এক বাংলাদেশীকে বসবাসের অনুমতি দিয়েছে ফ্রান্স। স্বদেশে ফিরলে তার মৃত্যুর আশংকা রয়েছে জানিয়ে এই রায় দিয়েছেন ফ্রান্সের একটি আদালত। দেশটির ইতিহাসে এ ধরনের অনুমতি দেয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। ১২ জানুয়ারী ২০২১ খ্রি. ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য টেলিগ্রাফ এ তথ্য দিয়েছে।

৪০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি ২০১১ সালে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অভিযোগ তুলে ফ্রান্সে পাড়ি জমান। তুলু এলাকায় তিনি রাঁধুনি ও ওয়েটারের কাজ করেন। ২০১৭ সালে বসবাসের অনুমতির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাকে নিজ দেশে ফেরৎ আসার আদেশ দেয় ফরাসী কর্তৃপক্ষ। সে সময় তার জন্য বাংলাদেশে ফিরে আসা নিরাপদ বলে জানায় ফ্রান্সের আদালত। এর পর বায়ুদূষণ পরিস্থিতি এবং নিজের শারিরীক অবস্থার কথা জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি। তার আইনজীবীর দাবী ওই ব্যক্তি অ্যাজমা সমস্যায় ভুগছেন। বাংলাদেশে ফিরলে দূষিত বায়ূর কারণে তার কাৎক্ষণিক মৃত্যু হতে পারে। তিনি যে ওষুধ খান তা সেখানে পাওয়া যায় না। ঘুমানোর জন্য ভেল্টিলেশন দরকার হয়। আইনজীবী লুদোভিচ রিভেরি বলেছেন পরিবেশগত বিবেচনায় এইটাই প্রথম রায়। টেলিগ্রাফের তথ্যমতে ২০১৯ সালে ধূলিকণা দূষনে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল বিশে^র মধ্যে সবচেয়ে খারাপ। ঢাকা বর্তমানে বিশে^র ২১ তম দূষিত শহর। এয়ার কোয়ালিটি লাইফ ইনডেক্্র এর হিসাবে ২০১৯ সালে বাংলাদেশে বায়ূদূষণের কারণে  এক লাখ ৭০ হাজারেরও  বেশি মানুষ মারা যান।

চার.

প্রজারা প্রতিভূ সেই শিশুকে খুঁঁজছে। কারণ গুঁড়ো আর বুড়ো নাকি অপ্রিয় সত্য বলে।

এম এ কবীর, সাংবাদিক, কলামিস্ট, গবেষক, সমাজ চিন্তক।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

ভিজিটর গননা

0156507
Visit Today : 257
Visit Yesterday : 620
This Month : 6015
Total Visit : 156507
Hits Today : 3859
Total Hits : 860020