১০ অগাস্ট ২০২২, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সীমান্তবাণী ডেস্ক : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সোমবার (৯ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না সিদ্ধান্ত হয়নি। সেটা শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানাবে। ওনারা এটা নিয়ে আলোচনা করছে কীভাবে এটা করা যায়। আগে তো ভ্যাকসিনেশন তারা জোরদার করছে। যাতে ছাত্রদেরও ভ্যাকসিন দিয়ে দেয়া যায়। তারপর দেখা যাক। সেটা ওনারা আপনাদের ব্রিফ করবে।’

ভ্যাকসিনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী সেদিন বৈঠক শেষে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। হেলথ মিনিস্ট্রি এ বিষয়ে আপনাদের ব্রিফ করবে। এটা আজকের মিটিংয়ে আলোচনা হয়নি।’

বিধিনিষেধের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিনোদনকেন্দ্র এবং গ্যাদারিংয়ের পারমিশন দেয়া হয়নি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত দেয়নি।’

অর্ধেক গণপরিবহন চলাচলের বিষয়ে জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে সাজেশন দেয়া হয়েছে অন্তত কিছুদিন আপনারা এটা করে দেন। আমরা জেলা পর্যায়ে ডিসি, এসপি, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে বসে নিজেরা ঠিক করে দেব যতগুলো বাস আছে তার অর্ধেক আজ চলবে, পরদিন বাকি অর্ধেক চলবে।’

তিনি বলেন, ‘এটা মেইনলি আন্তঃজেলা বাসের জন্য। বাইরে থেকে কম সংখ্যক বাস যাতে আসে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, শ্রমিক ইউনিয়নের মালিক-শ্রমিক যারা আছেন তারা বসে সিদ্ধান্ত নেবেন। তারা একটা পদ্ধতি বের করবে। বেইজিংয়ে আমি দেখেছি এমন।’

অর্ধেক বাস চলার ফলে আরও বেশি সমস্যা তৈরি হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘একসঙ্গে বেশি গাড়ি ঢাকা বা চট্টগ্রামের দিকে যেন না ঢোকে। এটা লোকাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সিদ্ধান্ত নেবে। সিটির ক্ষেত্রেও মেট্রোপলিটন পুলিশ ও মালিক সমিতি সিদ্ধান্ত নেবে। কোনো কিছু ভায়োলেশন হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে। সবকিছু আমরা লোকাল অ্যামিনিস্ট্রেশনের ওপর ছেড়ে দিয়েছি।’

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহের মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা রায়হান বেগের ছেলে মোঃ আল মামুন বেগ নিজেকে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন ।

মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের রায়হান উদ্দিন বেগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের জনপ্রেয় নেতা ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ৩ বার, নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন ৪ বার এবং তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের  সদস্য হিসেবেও কয়েকবার দায়িত্ব পালন করেন।

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তিনি বেশ কয়েক মাস যাবৎ গণসংযোগ চালিয়ে আসছিলেন।

গত ৫ ফেব্রুয়ারী তার নিজ ইউনিযনে রাজনৈতিক শো-ডাউন চলা অবস্থায় তিনি স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেন।

জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা রায়হান বেগের মৃত্যুর পর তার অনসারীরা রায়হান বেগের ছেলে কাজীরবেড় ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য মোঃ আল মামুন বেগকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে উদ্বুদ্ধ করায় আল মামুন বেগ নিজেকে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে তার ইউনিয়ন এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

 

 

 

মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা রায়হান বেগের ছেলে আল মামুন বেগ সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী

স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দীন মালিতার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা। গান্না ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল নেতা কর্মীরা তাদের ফেসবুক আইডিতে এই মামলার তিব্র নিন্দা জানিয়ে পোষ্ট দিচ্ছেন।

চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন মালিতা বলেন, দীর্ঘ দিন আগে গান্না ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শান্তি মার্ডার মামলায় আমাকে উদ্দ্যেশ্য প্রণদিতভাবে জড়িয়ে মামলার ৯ নম্বর আসামী করা হয়, পরে নিহতের শ্বশুর সিরাজ উদ্দীন ভুল স্বীকার করে আমার মামলা তুলে নিতে রাজি হন এবং বলেন ভুল করে আমার নাম চলে এসেছে তারা আমাকে ফাসাতে চাননি। পরে জানতে পারি রিমান্ডে খুনিদের মুখ দিয়েও নাকি আমার নাম বলানো হয়েছিলো আমাকে ফাসানোর জন্য। এই মিমাংসার পরেও নির্বাচন সামনে হওয়ায় প্রায় ১০ বছর আগের সেই মিথ্যা মামলা আবার চালু করে আমার ইমেজ নষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছে একটি চক্র। তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শে বিশ্বাস করেনা, তারা বিশ্বাস করে সন্ত্রাস, দূর্ণীতি আর খুন খারাপির রাজনীতিতে যা আমি কখনই হতে দেবো না। শান্তি প্রিয় গান্নার মানুষ আমার সাথে আছেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৭ই জুলাই সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না বাজার থেকে নিজ গ্রাম কাশিমনগর বাড়ি ফেরার পথে খালের ব্রিজের উপরে বোমা হামলায় মারাত্মক আহত হন গান্না ইউনিয়নের তৎকালীন ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন মণ্ডল শান্তি। ঘটনার ৩ দিন পর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি বিস্ফোরক ও আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের শ্বশুর সিরাজুল ইসলাম মালিতা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৮ আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। তাদের জবানবন্দির ভিত্তিতে মামলার ৯ নং আসামি হয়ে যান চেয়ারম্যান নাসির মালিতা।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনে ক্লিন ইমেজের নাসির উদ্দীন মালিতা যেন নৌকা প্রতীক না পান মূলত সেজন্যই এই মিথ্যা মামলায় নতুন করে চেয়ারম্যানের নাম তুলে আনা হয়েছে, তারা আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার এই ডিজিটাল বাংলাদেশে আর এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের স্থান দেবেন না গান্নার সাধারণ ভোটাররা।

ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ দলীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : পুর্ব শ্রুতার জের ধরে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মন্টু মেম্বার (৫০) কে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে  কতিপয় সন্ত্রসী। এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তী করছে।ে ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৫সপ্টেম্বের বুধবার বিকাল ৫টা দিকে মহেশপুর-ভৈরবা সড়কের নস্তী বাজার এলাকায়।

এ ঘটনায় থানা পুলিশ রাতেই শরীফুল ইসলাম (৪৮) নামের এক জনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, মহেশপুর উপজেলার উজ্জলপুর গ্রামের গোল্ড ব্যবসায়ী মিলন মিয়ার সাথে ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মন্টু মেম্বারের র্দীঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের কারণে কয়েকদিন পুর্বে মারামারিও হয়েছে। এ ঘটনার জের ধরেই মন্টু মেম্বারকে হত্যার চেষ্টা করা হয়ছে।ে

আহত মন্টু মেম্বার জানান, উজ্জলপুর গ্রামের গোল্ড ব্যবসায়ী মিলন মিয়া আমাকে হত্যা করার জন্য নস্তী গ্রামের ইয়ার আলী, শরীফুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, বাবর আলী ও জসিমকে ভাড়া করে। তিনি আরো জানান, আমি বুধবার বিকাল ৫টার দিকে মটর সাইকেল যোগে মহেশপুর থেকে বাড়ী ফেরার সময় নস্তী বাজারে দাড়ানোর সাথে সাথে নস্তী গ্রামের ইয়ার আলী ও শরীফুল ইসলাম আমাকে দা দিয়ে কোপাতে থাকে। পরে বাজারের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, মন্টু মেম্বারকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় নস্তী গ্রামের শরীফুল ইসলামকে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীদের আটকরে চেষ্টা চলছে।

 

 

ঝিনাইদহের মহেশপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মন্টুকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে কতিপয় সন্ত্রাসী

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার (রাত ৪:৩৬)
  • ১০ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • ১১ই মহর্‌রম, ১৪৪৪ হিজরি
  • ২৬শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)

ভিজিটর গননা

0299445
Visit Today : 287
Visit Yesterday : 787
Total Visit : 299445
Hits Today : 873
Total Hits : 2224910
Who's Online : 9

ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১