১০ অগাস্ট ২০২২, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর (বিএমএম) দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দিতে তরুণ প্রজন্মের পাশাপাশি শিশুদেরও অনুপ্রাণিত করবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর থেকে তরুণ প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনী-সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীতে যোগদানে এবং দেশপ্রেমে তরুণরা উদ্বুদ্ধ হবে।’

শেখ হাসিনা আজ সকালে আন্তর্জাতিক মানের স্থাপত্য কীর্তি বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘরের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি’র ভাষণে এ কথা বলেন।

তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিজয় স্মরণীর বঙ্গবন্ধু জাদুঘর প্রান্তে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাদুঘরটি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য একটি মাইলফলক হবে। যার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম ও শিশুরা মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান সম্পর্কে জানতে পারবে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি এটা হবে সারা পৃথিবীর মধ্যে একটি শ্রেষ্ঠ প্রযুক্তি নির্ভর সামরিক জাদুঘর। এখানে সেনা, নৌ এবং বিমান বাহিনীর জন্য পৃথক প্রদর্শনীর ব্যবস্থা থাকায় এখানে আগত তরুণ থেকে বয়োবৃদ্ধরা যেমন এ সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করতে পারবেন তেমনি তরুণ প্রজন্ম সশস্র বাহিনীতে যোগদানে আরো আগ্রহী হবে। আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আরো উদ্বুদ্ধ হবে। কাজেই জাদুঘরটি শুধু প্রদর্শনীর জন্যই নয়, এটা তরুণ প্রজন্মকে যেমন আকর্ষণ করবে তেমনি তাঁদেরকে দেশ প্রেমেও উদ্বুদ্ধ করবে।

যে কারণে ক্ষুদ্র পরিসরে থাকা আমাদের সামরিক জাদুঘরকে বৃহৎ পরিসরে এবং আরো আকর্ষণীয় করে বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটারের পাশে বিজয় স্মরণীতে তৈরির উদ্যোগ তাঁর সরকার গ্রহণ করে। পাশাপাশি সেখানে সরকারি উপহারগুলো প্রদর্শনীর জন্য একটি তোষাখানা জাদুঘরও নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। যার নির্মাণের দায়িত্ব পায় সমারিক বাহিনী। পাশাপাশি সামরিক জাদুঘরটা যেন পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সামরিক জাদুঘর হিসেবে গড়ে উঠতে পারে সেটাই তাঁর আকাঙ্খা ছিল, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মানুষের যে ইতিহাস রয়েছে যেমন-আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাস। সশস্র বাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক, কাজেই সে সম্পর্কে যেন আমাদের দেশের মানুষ জানতে পারে, জ্ঞানার্জন করতে পারে, তাঁদের কর্মকান্ড উপলদ্ধি করতে পারে সে ব্যবস্থা আমরা করে যাচ্ছি।

জাদুঘর থেকে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আবদুল হান্নান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আবু হেনা মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘরটি বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটারের পশ্চিম পাশে ১০ একর জমিতে নির্মিত হয়েছে। যেখানে স্বাধীনতার আগে ও পরে সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উপস্থাপন করা হয়েছে। জাদুঘরটিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর জন্য নির্ধারিত গ্যালারিসহ ছয়টি পৃথক অংশ রয়েছে। প্রতিটি বাহিনীর গ্যালারিতে রয়েছে বঙ্গবন্ধু কর্নার।

এখানে আর্ট গ্যালারিসহ মাল্টিপারপাস এক্সিবিশন গ্যালারি, ব্রিফিং রুম, স্যুভেনির শপ, ফাস্ট এইড কর্নার, মুক্তমঞ্চ, থ্রিডি সিনেমা হল, মাল্টিপারপাস হল, সেমিনার হল, লাইব্রেরী, আর্কাইভ, ভাস্কর্য, মুর‌্যাল, ক্যাফেটারিয়া, আলোকজ্জ্বল ঝর্ণা ও বিস্তীর্ন উন্মুক্ত প্রান্তর সবকিছু মিলে একটি চমৎকার দৃষ্টি নন্দন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

বাংলাদেশী সামরিক বাহিনীর গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে জনগণকে শিক্ষিত করার জন্য বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর ১৯৮৭ সালে মিরপুর সেনানিবাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যা পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে ঢাকার বিজয় স্মরণি রোডের পাশে বঙ্গবন্ধু প্ল্যানেটোরিয়ামের পশ্চিম পাশে বর্তমান অবস্থানে স্থানান্তরিত হয়।

জাদুঘরটি বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর গৌরবময় অতীত, চ্যালেঞ্জ, অর্জন এবং মূল অগ্রগতি সম্পর্কে দেশের জনগণকে, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে প্রামাণিক তথ্য প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়। প্রদর্শিত তথ্য গবেষণা উদ্দেশে ব্যবহার করা যেতে পারে।

প্রতিটি উন্নয়ন কাজ করতে গেলেই তাঁকে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, সে বাধা অতিক্রম করেই তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন এবং আজকের এই দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। তাছাড়া দেশের মানুষের বিনোদনের জায়গা সীমিত হওয়ায় কোন স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে তাঁর সরকার শিক্ষার পাশাপাশি সে বিষয়টি মাথায় রাখে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাশ^বর্তী নভোথিয়েটারে আমাদের অনেক শিক্ষার্থীরা আসে তারা সেখানে অনেক কিছু দেখে এবং জানতে পারে। আমাদের সামরিক জাদুঘরেও এসে দেখতে ও জানতে এবং কিছু শিখতে পারবে। শিশু পার্কে তাদের জন্যও বিনোদনের ব্যবস্থা থাকছে। কাজেই সবকিছু মিলে আমাদের বিজয় স্মরণী বিজয়ের স্মৃতি নিয়েই চলবে। সেটাই হচ্ছে বড় কথা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রেখে যাওয়া পররাষ্ট্র নীতি-‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়,’ মেনেই আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে তাঁর সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের কথাও জানান সরকার প্রধান।

অনুষ্ঠানে শোষিত বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন সংগ্রামের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি স্বাধীনতার পর সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে জাতির পিতার নেয়া নানা পদক্ষেপেরও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭৫ সালের ১৫ই অগাষ্ট জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যার প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন সে হত্যাকান্ডে তিনি আপনজনহারা হলেও দেশের মানুষ কিন্তু তাঁদের সকল সম্ভাবনাকে হারিয়ে ফেলে। এর পর একের পর এক ক্যু হয়েছে। কত সামরিক অফিসার, সৈনিককে জীবন দিতে হয়েছে। অনেক পরিবার এখনো তাঁদের আপন জনের খোঁজ পায়নি। পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের ওপর চলেছে অত্যাচার-নির্যাতন। যে আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল সেই আদর্শ থেকে দেশ একেবারেই বিচ্যুত হয়ে যায়।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকারে এসে দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক, প্রযুক্তি নির্ভরভাবে গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেয়। যেন বিশ্ব দরবারে আমাদের সশস্র বাহিনীর সদস্যরা মাথা উঁচু করে চলতে পারে।

মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিতে আওয়ামী লীগ সরকার বেসরকারিখাত গুলোকে উন্মুক্ত করে দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাঁচটি বছর আমরা ক্ষমতায় ছিলাম। অন্তত এইটুকু দাবি করতে পারি বাংলাদেশের জন্য সেটা ছিল স্বর্ণযুগ। বাংলাদেশের মানুষের মাঝে একটা আশার প্রদীপ জ্বলে উঠেছিল, তাঁরাও জীবনে সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার যে জনগণের সেবক, সেটা ও আমরা প্রমাণ করেছিলাম।্

বারবার দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়ায় তাদের প্রতি অনুষ্ঠানে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় সরকারে থাকার ফলে আজকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছি। যেটা ২০০৮ এর নির্বাচনের ইশতেহারে আমাদের ঘোষনা ছিল। সে জন্য সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছি বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। সূত্র : বাসস

 

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীতে যোগদানকারীদের উদ্বুদ্ধ করবে বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন করতে দেশের সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের চলমান সংলাপ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মাঠের বিরোধী দল বিএনপিকে।

বিএনপির দপ্তর সূত্র জানায়, আগামী ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ওইদিন বিকাল ৪টায় বঙ্গভবনে বিএনপির প্রতিনিধি দলকে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়।

তবে ইতোমধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে এ সংলাপকে অর্থহীন দাবি করে তাতে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

গত ২০ ডিসেম্বর প্রথম দিনে জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপ করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ২২ ডিসেম্বর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সঙ্গে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ইতোমধ্যেই ১৬টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছেন তিনি।

 

রাষ্ট্রপতির সংলাপে আমন্ত্রণ পেলো বিএনপি ; অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  বাংলাদেশে আবারও মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। চলতি বছরের প্রথম ৬ দিনেই ৪ হাজার ৩৯৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৪০ করোনা শনাক্ত হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে সংক্রমণের হার বাড়তে থাকে। বছরের প্রথম দিন ৩৭০ জন, ২ জানুয়ারি ৫৫৭ জন, ৩ জানুয়ারি ৬৬৪ জন, ৪ জানুয়ারি ৭৭৫ জন এবং ৫ জানুয়ারি ৮৯২ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার যথাক্রমে ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ, ২ দশমিক ৯১ শতাংশ, ৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং ৪ দশমিক ২০ শতাংশে দাঁড়ায়।

বিশ্বব্যাপী করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের ব্যাপক সংক্রমণ ঘটেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ওমিক্রনে আক্রান্ত ৭ জন রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। নতুন বছর ২০২২ সালের প্রথম পাঁচদিনে তিন হাজারের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হলেও কোন ধরনের ভ্যারিয়েন্ট—ডেল্টা, ওমিক্রনে বা অন্য কোনো ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত কি না তার সঠিক তথ্য নেই অধিদপ্তরে!

নাম প্রকাশ না করার শর্তে করোনা প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির একাধিক সদস্য বলেন, নতুন করে সংক্রমণ বাড়ার প্রেক্ষিতে বেশি বেশি করে সংক্রমিত রোগীদের নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করা অত্যাবশ্যক হলেও তা করার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ল্যাবরেটরি নেই। হাতেগোনা স্বল্প সংখ্যক ল্যাবরেটরিতে র্যান্ডমলি কিছু জিনোম সিকোয়েন্সিং হচ্ছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান বলেন, ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা জানার জন্য অধিক সংখ্যক জিনোম সিকোয়েন্সিং করা প্রয়োজন। প্রয়োজনের তুলনায় কম জিনোম সিকোয়েন্সিং হচ্ছে এমন অভিমত ব্যক্ত করে তিনি জাতীয় পরামর্শক কমিটির সুপারিশে সরকারঘোষিত ১৫ দফা নির্দেশনা কঠোরভাবে পালন করার আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ-নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলামের কাছে সংক্রমণ বাড়ার এ পরিস্থিতিতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা কত তা জানতে জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, জিনোম সিকোয়েন্সিং একটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার, যা আইইডিসিআর ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান করছে। যখনই ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে তখনই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত জিনোম সিকোয়েন্সিং সন্তোষজনক বলে দাবি করেন তিনি।

অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, ওমিক্রন বা ডেল্টা বা অন্য যেকোনো ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ হোক না কেন সংক্রমণ রোধে ব্যক্তিগত শিষ্টাচার ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি (মাস্ক পরিধান, সাবান বা স্যানিটাইজার দিয়ে বারবার হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা ইত্যাদি) মেনে চলার বিকল্প নেই। এছাড়া সরকারঘোষিত ১৫ দফা নির্দেশনা মেনে চললে ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকানো যাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ওমিক্রনের বিস্তার ঠেকাতে ১৫ নির্দেশনা

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের বিস্তার রোধে ১৫ দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। গত মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) এক সরকারি তথ্যবিবরণীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনাগুলো জানানো হয়েছে। নির্দেশনাগুলো হলো-

১. ওমিক্রন আক্রান্ত দেশ থেকে আগত যাত্রীদের বন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং জোরদার করতে হবে।

২. সব ধরনের (সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয় ও অন্যান্য) জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে।

৩. প্রয়োজনে বাইরে গেলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে বাড়ির বাইরে সর্বদা সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

৪. রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়ার ব্যবস্থা ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কম করতে হবে।

৫. সব ধরনের জনসমাবেশ, পর্যটন স্থান, বিনোদন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার, সিনেমা হল/থিয়েটার হল ও সামাজিক অনুষ্ঠানে (বিয়ে, বৌভাত, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কম সংখ্যক লোক অংশগ্রহণ করতে পারবে।

৬. মসজিদসহ সব উপাসনালয়ে মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

৭. গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

৮. আক্রান্ত দেশ থেকে আগত যাত্রীদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে হবে।

৯. সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (সব মাদরাসা, প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টারে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

১০. সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সেবাগ্রহীতা, সেবাদানকারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সর্বদা সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

১১. যারা এখনো কোভিড-১৯ এর টিকা গ্রহণ করেননি টিকাকেন্দ্রে গিয়ে তাদের কোভিড-১৯ এর ১ম ও ২য় ডোজ নিতে হবে।

১২. করোনা উপসর্গ/লক্ষণযুক্ত সন্দেহজনক ও নিশ্চিত করোনা রোগীর আইসোলেশন ও করোনা পজিটিভ রোগীর ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা অন্যদের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

১৩. কোভিড-১৯ এর লক্ষণযুক্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা এবং তার নমুনা পরীক্ষার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে সহায়তা করা যেতে পারে।

১৪. অফিসে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন বাধ্যতামূলকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

১৫. টিকা নেওয়া থাকলেও বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। কোভিড-১৯ রোগ নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাস করার নিমিত্তে কমিউনিটি পর্যায়ে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সচেতনতা তৈরির জন্য মাইকিং ও প্রচারণা চালানো যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডার মাইক ব্যবহার করা যেতে পারে এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

এসব নির্দেশনা দেশব্যাপী কঠোরভাবে পালনের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ-নিয়ন্ত্রণ বিভাগ সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বলে তথ্যবিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বাংলাদেশে আবারও মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  করোনাভাইরাসের টিকা না নিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।তিনি জানান, ১২ বছরের বেশি বয়সের শিক্ষার্থীদের অন্তত এক ডোজ টিকা নিয়ে স্কুলে যেতে হবে।শিক্ষা সংক্রান্ত কারিগরি কমিটির বৈঠকের সুপারিশ অনুযায়ী মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এসব কথা জানান। এছাড়াও বাস, ট্রেন, বিমান ও লঞ্চে চলাচল করতে ডাবল ডোজ টিকার সার্টিফিকেট থাকতে হবে বলে জানান তিনি।

গত বছরের ২৬ নবেম্বর থেকে সারাদেশে স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ৪৭টি জেলা শহরে কেন্দ্র স্থাপন করে ১২-১৭ বছরের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হয়।

এর আগে ১ নবেম্বর থেকে ঢাকা মহানগরের আটটি স্কুলে ১২ থেকে ১৭ বছরের শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। রাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ টিকাদান কেন্দ্রে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে টিকা পাওয়ার উপযোগী এক কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে।

 

করোনার টিকা ছাড়া স্কুলে যেতে পারবে না শিক্ষার্থীরা

স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহের মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা রায়হান বেগের ছেলে মোঃ আল মামুন বেগ নিজেকে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন ।

মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের রায়হান উদ্দিন বেগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের জনপ্রেয় নেতা ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ৩ বার, নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন ৪ বার এবং তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের  সদস্য হিসেবেও কয়েকবার দায়িত্ব পালন করেন।

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তিনি বেশ কয়েক মাস যাবৎ গণসংযোগ চালিয়ে আসছিলেন।

গত ৫ ফেব্রুয়ারী তার নিজ ইউনিযনে রাজনৈতিক শো-ডাউন চলা অবস্থায় তিনি স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেন।

জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা রায়হান বেগের মৃত্যুর পর তার অনসারীরা রায়হান বেগের ছেলে কাজীরবেড় ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য মোঃ আল মামুন বেগকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে উদ্বুদ্ধ করায় আল মামুন বেগ নিজেকে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে তার ইউনিয়ন এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

 

 

 

মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা রায়হান বেগের ছেলে আল মামুন বেগ সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী

স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দীন মালিতার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা। গান্না ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল নেতা কর্মীরা তাদের ফেসবুক আইডিতে এই মামলার তিব্র নিন্দা জানিয়ে পোষ্ট দিচ্ছেন।

চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন মালিতা বলেন, দীর্ঘ দিন আগে গান্না ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শান্তি মার্ডার মামলায় আমাকে উদ্দ্যেশ্য প্রণদিতভাবে জড়িয়ে মামলার ৯ নম্বর আসামী করা হয়, পরে নিহতের শ্বশুর সিরাজ উদ্দীন ভুল স্বীকার করে আমার মামলা তুলে নিতে রাজি হন এবং বলেন ভুল করে আমার নাম চলে এসেছে তারা আমাকে ফাসাতে চাননি। পরে জানতে পারি রিমান্ডে খুনিদের মুখ দিয়েও নাকি আমার নাম বলানো হয়েছিলো আমাকে ফাসানোর জন্য। এই মিমাংসার পরেও নির্বাচন সামনে হওয়ায় প্রায় ১০ বছর আগের সেই মিথ্যা মামলা আবার চালু করে আমার ইমেজ নষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছে একটি চক্র। তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শে বিশ্বাস করেনা, তারা বিশ্বাস করে সন্ত্রাস, দূর্ণীতি আর খুন খারাপির রাজনীতিতে যা আমি কখনই হতে দেবো না। শান্তি প্রিয় গান্নার মানুষ আমার সাথে আছেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৭ই জুলাই সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না বাজার থেকে নিজ গ্রাম কাশিমনগর বাড়ি ফেরার পথে খালের ব্রিজের উপরে বোমা হামলায় মারাত্মক আহত হন গান্না ইউনিয়নের তৎকালীন ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন মণ্ডল শান্তি। ঘটনার ৩ দিন পর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি বিস্ফোরক ও আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের শ্বশুর সিরাজুল ইসলাম মালিতা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৮ আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। তাদের জবানবন্দির ভিত্তিতে মামলার ৯ নং আসামি হয়ে যান চেয়ারম্যান নাসির মালিতা।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনে ক্লিন ইমেজের নাসির উদ্দীন মালিতা যেন নৌকা প্রতীক না পান মূলত সেজন্যই এই মিথ্যা মামলায় নতুন করে চেয়ারম্যানের নাম তুলে আনা হয়েছে, তারা আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার এই ডিজিটাল বাংলাদেশে আর এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের স্থান দেবেন না গান্নার সাধারণ ভোটাররা।

ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ দলীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : পুর্ব শ্রুতার জের ধরে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মন্টু মেম্বার (৫০) কে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে  কতিপয় সন্ত্রসী। এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তী করছে।ে ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৫সপ্টেম্বের বুধবার বিকাল ৫টা দিকে মহেশপুর-ভৈরবা সড়কের নস্তী বাজার এলাকায়।

এ ঘটনায় থানা পুলিশ রাতেই শরীফুল ইসলাম (৪৮) নামের এক জনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, মহেশপুর উপজেলার উজ্জলপুর গ্রামের গোল্ড ব্যবসায়ী মিলন মিয়ার সাথে ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মন্টু মেম্বারের র্দীঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের কারণে কয়েকদিন পুর্বে মারামারিও হয়েছে। এ ঘটনার জের ধরেই মন্টু মেম্বারকে হত্যার চেষ্টা করা হয়ছে।ে

আহত মন্টু মেম্বার জানান, উজ্জলপুর গ্রামের গোল্ড ব্যবসায়ী মিলন মিয়া আমাকে হত্যা করার জন্য নস্তী গ্রামের ইয়ার আলী, শরীফুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, বাবর আলী ও জসিমকে ভাড়া করে। তিনি আরো জানান, আমি বুধবার বিকাল ৫টার দিকে মটর সাইকেল যোগে মহেশপুর থেকে বাড়ী ফেরার সময় নস্তী বাজারে দাড়ানোর সাথে সাথে নস্তী গ্রামের ইয়ার আলী ও শরীফুল ইসলাম আমাকে দা দিয়ে কোপাতে থাকে। পরে বাজারের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, মন্টু মেম্বারকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় নস্তী গ্রামের শরীফুল ইসলামকে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীদের আটকরে চেষ্টা চলছে।

 

 

ঝিনাইদহের মহেশপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মন্টুকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে কতিপয় সন্ত্রাসী