০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাটে ধর্ষণের শিকার হয়ে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে ভাতিজি (১৭)। এ অভিযোগে চাচা মোঃ হুছন আলীকে (৪০) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। হুছন আলী জেলার চুনারুঘাট উপজেলার উবাহাটা গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে। বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হুছন আলীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রাতে এতথ্য নিশ্চিত করে চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলী আশরাফ জানান (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে কিশোরী নিজেই বাদী হয়ে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করে। পরে অভিযুক্ত চাচা হুছনকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, কিশোরীর পিতা একজন সিএনজি চালক। বেশিরভাগ সময় তিনি বাহিরে থাকেন। কিশোরী তার মাকে নিয়ে চাচা হুছনসহ একই বাড়িতে বসবাস করেন। কিশোরীর পিতা বাড়িতে না থাকার সুযোগে গেল বছর ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নতুন ব্রিজ এলাকায় বাজার সদাই করে ফেরার সময় বাড়ির রাস্তায় পৌঁছিলে রাত ৯ টায় মুখে চাপ দিয়ে ধরে টানা হেচড়া করে বাড়ির পশ্চিম দিকে জনৈক দিদার মিয়ার নির্মাণাধীন পাকা ঘরের ভিতর নিয়ে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়।

বিষয়টি প্রকাশ করলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। ভয়ে কিশোরী ঘটনাটি কাউকে জানায়নি। পুনরায় গত ৫ ফেব্রুয়ারী রাত ৮ টায় একই কায়দায় দিদার মিয়ার পাকা ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের শিকার হয়ে ভাতিজি দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। ঘটনার পর নির্যাতিতার শারীরিক পরিবর্তন দেখে তার মা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ভুক্তভোগী সব ঘটনা বলে দেয়।

এরপর কিশোরীর বাদী হয়ে বুধবার রাতে মামলা দায়ের করলে পুলিশ চাচা হুছনকে গ্রেফতার করে। চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আলী আশরাফ জানান, ধর্ষণের ঘটনায় মামলা নেয়া হয়েছে। অভিযুক্তকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। কিশোরীকে পুলিশ হেফাজতে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে কিশোরী হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। গ্রেফতার হওয়া হুছন আলীর পক্ষের লোকজন থেকে দাবী করা হয়েছে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার।

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ধর্ষণের শিকার ভাতিজি অন্তঃসত্ত্বা, চাচা আটক

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক ; শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে পরকীয়া সন্দেহে রাজিয়া বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহত রাজিয়া উপজেলার চরসেন্সাস ইউনিয়নের বালার বাজার এলাকার জাকির হোসেন মোল্যার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জাকির হোসেন ঢাকায় টেইলারিং দোকান চালান। তার স্ত্রী রাজিয়া বেগম ১১ বছরের ছেলে শান্ত মোল্যাকে নিয়ে গ্রামে থাকতেন। এদিকে রাজিয়ার সঙ্গে গ্রামের ফারুক বালার পরকীয়ার সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ করতেন তার স্ত্রী পারভিন আক্তার। এ নিয়ে পারভিন ও রাজিয়ার মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হত।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে রাজিয়ার বাড়িতে গিয়ে পারভিন আবারো ঝগড়া করেন। এ সময় পারভিনের ছেলে পিয়াল ও তার স্বামী ফারুক সেখানে উপস্থিত হন। এক পর্যায়ে তারা রাজিয়াকে বেধড়ক মারধর করেন। এ সময় রাজিয়ার ছেলে শান্ত মোল্যা মাকে বাঁচাতে এলে তাকেও দা নিয়ে তাড়া করা হয়। ওই শিশুর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান।

স্বজনরা রাজিয়াকে উদ্ধার করে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

রাজিয়া বেগমের স্বামী জাকির হোসেন মোল্যা অভিযোগ করে বলেন, ‘ফারুক বালা, তার স্ত্রী পারভিন আক্তার ও তাদের ছেলে পিয়ালসহ পাঁচজন মিলে আমার স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। সন্তানের সামনেই রাজিয়াকে তারা মেরে ফেলে গেছে। ছেলেটি সারাজীবন মায়ের হত্যার সাক্ষী হয়ে থাকবে। থানায় অভিযোগ দিয়েছি। হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

ঘটনার পর থেকে ফারুক বালা তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পলাতক আছেন। এছাড়া তার মোবাইল নম্বরে কল দিয়েও বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাদের কারও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, হত্যার ঘটনাটি জানার পর অভিযুক্তদের আটকের জন্য পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। তারা এলাকা থেকে পালিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা নথিভুক্তের প্রক্রিয়া চলছে।

পরকীয়া সন্দেহে ঝগড়া, গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক ; গাজীপুরের শ্রীপুরে যৌতুক দিতে না পারায় স্ত্রী-সন্তানকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার স্ত্রী আফরিন বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম (৩৩) শ্রীপুরের বরকুল গ্রামের আবদুল হুদা মীরের ছেলে। তিনি মুলাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। বিদ্যালয় সংলগ্ন এমদাদুল হকের বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন তিনি।

ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, পাঁচ বছর আগে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার তললী গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে আফরিনের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলমের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে আবরার রাফিদ নামের দুই বছর বয়সী এক ছেলে রয়েছে।

বিয়ের পর থেকেই অভিযুক্ত বেশ কয়েকবার যৌতুকের জন্য চাপ দিলে মেয়ের সুখের কথা ভেবে বাবা আনোয়ার হোসেন জমি বিক্রি করে ছয় লাখ টাকা তুলে দেন।বিভিন্নভাবে টাকা নষ্ট করে সম্প্রতি তিনি আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন।

নির্যাতনের শিকার আফরিন বলেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামী বিভিন্ন কারণে তাকে মারধর ও নির্যাতন করে আসছেন। স্বামীর নির্যাতনের অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে তার শরীরে। ছেলের জন্মের পর সব সহ্য করলেও এখন যৌতুকের জন্য বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম মুঠোফোনে জানতে চাইলে এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।

গাজীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন বলেন, একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধ যৌতুকের অভিযোগ ওঠা সত্যিই হতাশাজনক। শিক্ষা অফিস এ বিষয়ে তদন্ত করবে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে মামলা হলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত হচ্ছে। তদন্তের পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যৌতুক দিতে না পারায় স্ত্রী-সন্তানকে বাড়িছাড়া করলেন স্কুলশিক্ষক

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক ; মিয়ানমারকে ‘তাৎক্ষণিকভাবে’ সবধরনের সহিংসতা থামিয়ে গণতন্ত্র ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। চলমান সংকট সমাধানে মধ্যস্থতার জন্য দেশটি একজন বিশেষ প্রতিনিধিকে প্রবেশের অনুমতি দেবে বলেও আশাপ্রকাশ করেছে বৈশ্বিক সংস্থাটি। খবর এএফপির।

মিয়ানমারে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে শুরু হওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও সংকট নিরসনে আলোচনার জন্য বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রাক সোখোনকে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল দক্ষিণপূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ান। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদও চাচ্ছে ওই প্রতিনিধি দ্রুত মিয়ানমারে গিয়ে সব পক্ষের সঙ্গে দেখা করে মধ্যস্থতার মাধ্যমে শান্তিআলোচনা এগিয়ে নিক এবং দেশটিতে মানবিক সহায়তার বিষয়ে আলোচনা করুক।

এ বিষয়ে বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাজ্যের তোলা একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে। পরে এক বিবৃতিতে পরিষদ বলেছে, মিয়ানমারে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও বিপুল সংখ্যক মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঘটনায় তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

স্থানীয় একটি পর্যবেক্ষক সংস্থার হিসাবে, গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে জান্তা বাহিনীর হাতে দেড় হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী প্রাণ হারিয়েছেন, গ্রেফতার হয়েছেন ১১ হাজারের বেশি।

অভ্যুত্থানের পরপরই দেশটির গণতন্ত্রপন্থি নেতা অং সান সু চি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকে বন্দি করে সামরিক সরকার। এ দুই নেতাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তার অনুমতি এবং মানবিক ও চিকিৎসা কর্মীদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জান্তা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।

মিয়ানমারে ‘তাৎক্ষণিক’ সহিংসতা থামিয়ে গণতন্ত্র ফেরাতে বললো জাতিসংঘ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক ; ঠাকুরগাঁওয়ে মধ্যরাতে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে নবম শ্রেণির এক ছাত্রী। এ ঘটনায় বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রুহিয়া থানায় অভিযোগ দিয়েছে মেয়েটির পরিবার।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ঢোলারহাট ইউনিয়নের আরাজি গ্রামের হারাগাছ পাড়ায়।

ধর্ষণের শিকার ছাত্রী হাসপাতালের বেডে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, ঘটনার দিন প্রেমিকের ফোন পেয়ে বাড়ির সকলের অগোচরে ঘর থেকে বের হয় সে। পরে তাকে মোটরসাইকেলে একটি মুরগির খামারের ভেতরে নিয়ে প্রেমিক সুজন ও তার বন্ধু আশরাফুল, বিপ্লব, আরিফসহ চার-পাঁচজন মিলে পাশবিক নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে জ্ঞান ফিরলে দেখে সে তার বাড়ির পাশের রাস্তায় পড়ে রয়েছে। পরে সেখান থেকে সে বাসায় পৌঁছায়।

পাশবিকতার শিকার স্কুলছাত্রীর বাবা জানান, রাত আনুমানিক তিনটার দিকে তিনি বাড়ির আঙিনায় মেয়ের কান্নার আওয়াজ পেয়ে ঘর থেকে বের হন। পরে রাতেই ঢোলারহাট বাজারের পল্লী চিকিৎসক লিজা বিশ্বাসের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে স্থানীয় মেম্বারকে বিষয়টি অবগত করেন। সকালে স্থানীয় মেম্বার ও মেয়েকে নিয়ে রুহিয়া থানায় অভিযোগ দিতে গেলে মেয়ে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে পুলিশের গাড়িতে মেয়েকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে রুহিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চিত্তরঞ্জন রায় বলেন, এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বর্ণনামতে ঘটনাস্থল শনাক্ত করা হয়েছে। আসামিদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এছাড়া মেয়েটির মেডিকেল টেস্ট করার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

প্রেমিকের ডাকে বের হয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার

স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহের মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা রায়হান বেগের ছেলে মোঃ আল মামুন বেগ নিজেকে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন ।

মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের রায়হান উদ্দিন বেগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের জনপ্রেয় নেতা ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ৩ বার, নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন ৪ বার এবং তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের  সদস্য হিসেবেও কয়েকবার দায়িত্ব পালন করেন।

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তিনি বেশ কয়েক মাস যাবৎ গণসংযোগ চালিয়ে আসছিলেন।

গত ৫ ফেব্রুয়ারী তার নিজ ইউনিযনে রাজনৈতিক শো-ডাউন চলা অবস্থায় তিনি স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেন।

জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা রায়হান বেগের মৃত্যুর পর তার অনসারীরা রায়হান বেগের ছেলে কাজীরবেড় ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য মোঃ আল মামুন বেগকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে উদ্বুদ্ধ করায় আল মামুন বেগ নিজেকে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে তার ইউনিয়ন এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

 

 

 

মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা রায়হান বেগের ছেলে আল মামুন বেগ সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী

স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দীন মালিতার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা। গান্না ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল নেতা কর্মীরা তাদের ফেসবুক আইডিতে এই মামলার তিব্র নিন্দা জানিয়ে পোষ্ট দিচ্ছেন।

চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন মালিতা বলেন, দীর্ঘ দিন আগে গান্না ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শান্তি মার্ডার মামলায় আমাকে উদ্দ্যেশ্য প্রণদিতভাবে জড়িয়ে মামলার ৯ নম্বর আসামী করা হয়, পরে নিহতের শ্বশুর সিরাজ উদ্দীন ভুল স্বীকার করে আমার মামলা তুলে নিতে রাজি হন এবং বলেন ভুল করে আমার নাম চলে এসেছে তারা আমাকে ফাসাতে চাননি। পরে জানতে পারি রিমান্ডে খুনিদের মুখ দিয়েও নাকি আমার নাম বলানো হয়েছিলো আমাকে ফাসানোর জন্য। এই মিমাংসার পরেও নির্বাচন সামনে হওয়ায় প্রায় ১০ বছর আগের সেই মিথ্যা মামলা আবার চালু করে আমার ইমেজ নষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছে একটি চক্র। তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শে বিশ্বাস করেনা, তারা বিশ্বাস করে সন্ত্রাস, দূর্ণীতি আর খুন খারাপির রাজনীতিতে যা আমি কখনই হতে দেবো না। শান্তি প্রিয় গান্নার মানুষ আমার সাথে আছেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৭ই জুলাই সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না বাজার থেকে নিজ গ্রাম কাশিমনগর বাড়ি ফেরার পথে খালের ব্রিজের উপরে বোমা হামলায় মারাত্মক আহত হন গান্না ইউনিয়নের তৎকালীন ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন মণ্ডল শান্তি। ঘটনার ৩ দিন পর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি বিস্ফোরক ও আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের শ্বশুর সিরাজুল ইসলাম মালিতা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৮ আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। তাদের জবানবন্দির ভিত্তিতে মামলার ৯ নং আসামি হয়ে যান চেয়ারম্যান নাসির মালিতা।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনে ক্লিন ইমেজের নাসির উদ্দীন মালিতা যেন নৌকা প্রতীক না পান মূলত সেজন্যই এই মিথ্যা মামলায় নতুন করে চেয়ারম্যানের নাম তুলে আনা হয়েছে, তারা আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার এই ডিজিটাল বাংলাদেশে আর এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের স্থান দেবেন না গান্নার সাধারণ ভোটাররা।

ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ দলীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : পুর্ব শ্রুতার জের ধরে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মন্টু মেম্বার (৫০) কে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে  কতিপয় সন্ত্রসী। এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তী করছে।ে ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৫সপ্টেম্বের বুধবার বিকাল ৫টা দিকে মহেশপুর-ভৈরবা সড়কের নস্তী বাজার এলাকায়।

এ ঘটনায় থানা পুলিশ রাতেই শরীফুল ইসলাম (৪৮) নামের এক জনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, মহেশপুর উপজেলার উজ্জলপুর গ্রামের গোল্ড ব্যবসায়ী মিলন মিয়ার সাথে ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মন্টু মেম্বারের র্দীঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের কারণে কয়েকদিন পুর্বে মারামারিও হয়েছে। এ ঘটনার জের ধরেই মন্টু মেম্বারকে হত্যার চেষ্টা করা হয়ছে।ে

আহত মন্টু মেম্বার জানান, উজ্জলপুর গ্রামের গোল্ড ব্যবসায়ী মিলন মিয়া আমাকে হত্যা করার জন্য নস্তী গ্রামের ইয়ার আলী, শরীফুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, বাবর আলী ও জসিমকে ভাড়া করে। তিনি আরো জানান, আমি বুধবার বিকাল ৫টার দিকে মটর সাইকেল যোগে মহেশপুর থেকে বাড়ী ফেরার সময় নস্তী বাজারে দাড়ানোর সাথে সাথে নস্তী গ্রামের ইয়ার আলী ও শরীফুল ইসলাম আমাকে দা দিয়ে কোপাতে থাকে। পরে বাজারের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, মন্টু মেম্বারকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় নস্তী গ্রামের শরীফুল ইসলামকে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীদের আটকরে চেষ্টা চলছে।

 

 

ঝিনাইদহের মহেশপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মন্টুকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে কতিপয় সন্ত্রাসী