০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

এম এ কবীর : মোহাম্মদ ইকবাল। ভাগ্য বদলাতে ২০১৯ সালে পাড়ি জমান সৌদি আরবে। কাজ পান আল গোলাইমি কোম্পানীতে। দু’বছর বেশ ভালোই কাটছিল ইকবালের জীবন। হঠাৎ তিনি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। স্ত্রী সন্তান ও মা চিন্তায় পড়ে যান। ৬ মাস পর খোঁজ মেলে ইকবালের। তখন তিনি অচেতন। ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে থাকায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছন্ন হয় তার। কাজ আর কোম্পানী হারিয়ে সৌদি আরবে অবৈধ হয়ে যান ইকবাল। প্রথমে রিয়াদের একটি হাসপাতাল ও পরে আল মাজমা জেলার কিং খালেদ হাসপাতাল তার স্থায়ী ঠিকানা হয়। সৌদি আরব থেকে পাঠানো ছবিতে দেখা যায় ইকবালের শরীর এখন নানা ধরণের মেশিনে আবৃত্ত। কথা বলতে পারেন না। যোগাযোগ করতে পারেন না বাড়িতে। তার দেখভালের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশীরাই তার খোঁজ জানান পরিবারের কাছে। ইকবাল হরিণাকুন্ডু উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের মৃত নায়েব আলী ওরফে ভাদু জোয়ারদারের ছেলে। এদিকে সেই ইকবাল আর এই ইকবালের শরীর চেনার মতো নেই। শরীর শুকিয়ে ক্ষীণকায়। হাসপাতালের অসুস্থ জীবন তাকে যেন বিষিয়ে তুলেছে। দেশে ফিরে স্ত্রী, সন্তান ও মায়ের সেবা পেলে হয়তো মানসিক ভাবে সুস্থ হতে পারতেন। সৌদি আরবের কিং খালেদ হাসপাতালে কর্মরত কিশোরগঞ্জের সৌরভ হোসেন সোমবার জানান, হাসপাতালে একনাগাড়ে চিকিৎসাধীন থাকায় বিল এসে দাড়িয়েছে সেদেশের টাকায় ৭২ হাজার রিয়ালে। সৌরভের ভাষ্যমতে, হাসপাতালের টাকা পরিশোধ ও তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ইকবালকে দেশে ফেরানো সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে সৌদি আরবের হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যায়ের টাকা পরিশোধ করা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। কি ভাবে তিনি দেশে ফিরবেন ? নাকি সেখানেই মৃত্যুর পেয়ালায় শেষ চুমুক দিয়ে শায়িত হবেন এই নিয়ে তার পরিবার দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। ইকবালকে দেশে আনতে কোন উপায় খুজে পাচ্ছেন না তার স্ত্রী শেফালী খাতুন। সরকারী ভাবে মৃত্যু পথযাত্রী স্বামীকে তিনি দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবী জানান। এদিকে ইকবালের মা শিরিনা খাতুন সন্তানের জন্য কাঁদতে কাঁদতে পাগল প্রায়। তিনি বাকরুদ্ধ। বিদেশের হাসপাতালে ছেলের বাকহীন রুগ্ন অবস্থা দেখে মুর্ছা যাচ্ছেন বারবার। ইকবালের অবুঝ দুই শিশু সন্তান ইভা ও ইয়াছিন সব সময় খুজে ফেরে পিতাকে। পিতার মুখটি দেখতে তারা উদগ্রীব। অসহায় এই পরিবারের একমাত্র উপর্জনক্ষম ব্যক্তির দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সৌদি আরবে বাংলাদেশ দুতাবাস ও সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছেন। ইকবালের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ ০১৭২৯-৮৮৮৮৩৬ ও ০১৬২৭৯৩১৯৪৫, সৌদি আরব (+৯৬৬ কোড) ০৫৩৩৪৬৫০৬৬ সৌরভ হোসেন।

সৌদি প্রবাসী মৃত্যু পথযাত্রী রেমিটেন্স যোদ্ধা ইকবাল বাড়ি ফিরতে চান

এম এ কবীর : ঝিনাইদহ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির এক আলোচনা সভা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বার্ষিক ক্রিড়া ও বনভোজন গতকাল জোহান ড্রীম ভ্যালী পার্ক এন্ড রিসোর্ট ঝিনাইদহে অনুষ্ঠিত হয় ।

ঝিনাইদহ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এম এ কবীর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলার পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলাম পিপিএম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক পৌর চেয়ারম্যান ও ভাষা সৈনিক অ্যাডভোকেট আমির হোসেন মালিতা, ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা,বিশিষ্ট সমাজ সেবক রাজনীতিক আফজাল হোসেন, অধ্যক্ষ আসাদুর রহমান,এড.বদিউজ্জামান প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঝিনাইদহ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক শাহিদুর রহমান সন্টু।
প্রধান অতিথি বলেন,সংবাদপত্র কে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সাংবাদিকরা সত্য উদঘাটনে সর্বদা সচেষ্ট থাকে পুলিশও ঘটনার সত্যতা খুঁজে বের করে বিচার বিভাগকে সহায়তা করে যাতে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন আমার সাংবাদিকদের সাথে কাজ করার দারুন অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বলেন ঝিনাইদহ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির উদীয়মান সাংবাদিকরা নিজ নিজ কর্ম ক্ষেত্রে সফলতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তিনি বলেন বিভিন্ন সময়ে নানা সংগঠন গড়ে ওঠে তবে তা গ্রুপিং দলাদলিতে কিছু দিনের মধ্যে আর খুঁজে পাওয়া যায়না তবে ঝিনাইদহ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটি তাদের যোগ্য নেতৃত্বে দীর্ঘ সময় পার করে সু-সংগঠিত হয়ে সাংবাদিকতা করে যাচ্ছে এটা গৌরবের। তিনি বলেন সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সতর্ক হওয়া প্রয়োজন কারন অনেক সময় প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য সময়ের প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক অনেক তথ্য প্রকাশ সম্ভব হয়না। তিনি বলেন এখন ব্রেকিং নিউজ প্রচারের প্রতিযোগিতা চলছে, এ সমস্ত সংবাদ প্রচারের কারনে যেন তদন্ত কিংবা বিচার প্রক্রিয়া প্রভাবিত না হয় কিংবা যাকে বলে মিডিয়া ট্রায়াল তার শিকারও যেন কেউ না হয় সে দিকেও খেয়াল রাখা দরকার। প্রধান অতিথি বলেন রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচনকালীন মামলা সহ বেশ কিছু সমস্যা ছিল যা আমরা তাৎক্ষনিক সমাধান করে দিই। তিনি বলেন আমরা সব সময় সাংবাদিকদের পাশে ছিলাম আছি এবং থাকব।
আলোচনা সভা শেষে ইউনিটির সদস্য এবং তাদের পরিবার পরিজনদের এক মিলন মেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,ক্রিড়া প্রতিযোগিতা,কৌতুক, কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয়। শেষে পুরস্কার বিতনের মধ্যদিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।

ঝিনাইদহ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক ; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, দেশের নিরাপত্তা বাহিনী গুমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। বাংলাদেশে কেউ গুম হয় না। কেউ কেউ নানা কারণে আত্মগোপন করে পরে আবার ফিরে আসেন।

তিনি আজ রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়ে সরস্বতী পূজার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সব সময় বলি, আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী কোনো গুমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। যেখানেই গুম হচ্ছে, সেখানেই আমরা কিছু দিন পরেই তাকে পাচ্ছি। নানা কারণে আত্মগোপন করে থাকে, সেগুলোকে গুম বলে চালিয়ে দেয়।’
পাহাড়ের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক নিরাপত্তায় খুব শিগগিরই পার্বত্য জেলায় পুলিশ বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, পাহাড়ে কিছু সমস্যা আছে।  এখানে ভিতরে ভিতরে অনেক ধরনের ষড়যন্ত্র কাজ করে। যেখানে আর্মি ক্যাম্প রয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করছে।  অচিরেই সেখানে পুলিশ বাহিনী সদস্যদের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা জন্য পাঠানো হবে।’
কামাল বলেন, লবিস্ট নিয়োগের নামে কারা কীভাবে বিদেশে টাকা পাঠিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা মনে করি, যারা টাকা পাঠিয়েছেন তারাও এই ষড়যন্ত্রের অংশীদার। শিগগিরই তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের  বিভিন্ন পর্যায়ের উধর্বতন কর্মকর্তা, পূজা আয়োজক কমিটির কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

গুমের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনী সংশ্লিষ্ট নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহের মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা রায়হান বেগের ছেলে মোঃ আল মামুন বেগ নিজেকে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন ।

মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের রায়হান উদ্দিন বেগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের জনপ্রেয় নেতা ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ৩ বার, নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন ৪ বার এবং তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের  সদস্য হিসেবেও কয়েকবার দায়িত্ব পালন করেন।

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তিনি বেশ কয়েক মাস যাবৎ গণসংযোগ চালিয়ে আসছিলেন।

গত ৫ ফেব্রুয়ারী তার নিজ ইউনিযনে রাজনৈতিক শো-ডাউন চলা অবস্থায় তিনি স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেন।

জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা রায়হান বেগের মৃত্যুর পর তার অনসারীরা রায়হান বেগের ছেলে কাজীরবেড় ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য মোঃ আল মামুন বেগকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে উদ্বুদ্ধ করায় আল মামুন বেগ নিজেকে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে তার ইউনিয়ন এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

 

 

 

মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা রায়হান বেগের ছেলে আল মামুন বেগ সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী

স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দীন মালিতার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা। গান্না ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল নেতা কর্মীরা তাদের ফেসবুক আইডিতে এই মামলার তিব্র নিন্দা জানিয়ে পোষ্ট দিচ্ছেন।

চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন মালিতা বলেন, দীর্ঘ দিন আগে গান্না ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শান্তি মার্ডার মামলায় আমাকে উদ্দ্যেশ্য প্রণদিতভাবে জড়িয়ে মামলার ৯ নম্বর আসামী করা হয়, পরে নিহতের শ্বশুর সিরাজ উদ্দীন ভুল স্বীকার করে আমার মামলা তুলে নিতে রাজি হন এবং বলেন ভুল করে আমার নাম চলে এসেছে তারা আমাকে ফাসাতে চাননি। পরে জানতে পারি রিমান্ডে খুনিদের মুখ দিয়েও নাকি আমার নাম বলানো হয়েছিলো আমাকে ফাসানোর জন্য। এই মিমাংসার পরেও নির্বাচন সামনে হওয়ায় প্রায় ১০ বছর আগের সেই মিথ্যা মামলা আবার চালু করে আমার ইমেজ নষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছে একটি চক্র। তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শে বিশ্বাস করেনা, তারা বিশ্বাস করে সন্ত্রাস, দূর্ণীতি আর খুন খারাপির রাজনীতিতে যা আমি কখনই হতে দেবো না। শান্তি প্রিয় গান্নার মানুষ আমার সাথে আছেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৭ই জুলাই সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না বাজার থেকে নিজ গ্রাম কাশিমনগর বাড়ি ফেরার পথে খালের ব্রিজের উপরে বোমা হামলায় মারাত্মক আহত হন গান্না ইউনিয়নের তৎকালীন ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন মণ্ডল শান্তি। ঘটনার ৩ দিন পর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি বিস্ফোরক ও আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের শ্বশুর সিরাজুল ইসলাম মালিতা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৮ আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। তাদের জবানবন্দির ভিত্তিতে মামলার ৯ নং আসামি হয়ে যান চেয়ারম্যান নাসির মালিতা।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনে ক্লিন ইমেজের নাসির উদ্দীন মালিতা যেন নৌকা প্রতীক না পান মূলত সেজন্যই এই মিথ্যা মামলায় নতুন করে চেয়ারম্যানের নাম তুলে আনা হয়েছে, তারা আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার এই ডিজিটাল বাংলাদেশে আর এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের স্থান দেবেন না গান্নার সাধারণ ভোটাররা।

ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ দলীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : পুর্ব শ্রুতার জের ধরে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মন্টু মেম্বার (৫০) কে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে  কতিপয় সন্ত্রসী। এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তী করছে।ে ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৫সপ্টেম্বের বুধবার বিকাল ৫টা দিকে মহেশপুর-ভৈরবা সড়কের নস্তী বাজার এলাকায়।

এ ঘটনায় থানা পুলিশ রাতেই শরীফুল ইসলাম (৪৮) নামের এক জনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, মহেশপুর উপজেলার উজ্জলপুর গ্রামের গোল্ড ব্যবসায়ী মিলন মিয়ার সাথে ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মন্টু মেম্বারের র্দীঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের কারণে কয়েকদিন পুর্বে মারামারিও হয়েছে। এ ঘটনার জের ধরেই মন্টু মেম্বারকে হত্যার চেষ্টা করা হয়ছে।ে

আহত মন্টু মেম্বার জানান, উজ্জলপুর গ্রামের গোল্ড ব্যবসায়ী মিলন মিয়া আমাকে হত্যা করার জন্য নস্তী গ্রামের ইয়ার আলী, শরীফুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, বাবর আলী ও জসিমকে ভাড়া করে। তিনি আরো জানান, আমি বুধবার বিকাল ৫টার দিকে মটর সাইকেল যোগে মহেশপুর থেকে বাড়ী ফেরার সময় নস্তী বাজারে দাড়ানোর সাথে সাথে নস্তী গ্রামের ইয়ার আলী ও শরীফুল ইসলাম আমাকে দা দিয়ে কোপাতে থাকে। পরে বাজারের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, মন্টু মেম্বারকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় নস্তী গ্রামের শরীফুল ইসলামকে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীদের আটকরে চেষ্টা চলছে।

 

 

ঝিনাইদহের মহেশপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মন্টুকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে কতিপয় সন্ত্রাসী