27 Feb 2025, 05:55 pm

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ভারতের উত্তর সিকিমে টানা তুষারপাতের ঘটনায় আটকে পড়া ১ হাজার ৪০০ পর্যটককে উদ্ধার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। রোববার সিকিমের ডিকচু জাং ওয়ার্ডে ভয়াবহ তুষারপাতের কারণে গ্যাংটক থেকে মনগানের রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

এর আগে, গত ১১ থেকে ১৫ মার্চ নজিরবিহীন তুষারপাত হয়েছে উত্তর সিকিমে। মৌসুমের এমন তুষারপাত অতীতে খুব কমই দেখেছেন সিকিমের বাসিন্দারা। এরপর আরও কয়েক দফায় তুষারপাত হয়েছে উত্তর সিকিমের বিভিন্ন এলাকায়।

বর্তমানে ওই এলাকার তাপমাত্রা অত্যধিক কমে যাওয়ার ফলে রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সেখানে ঘুরতে যাওয়া অনেক পর্যটক আটকে পড়েছেন।

দেশটির সংবাদমাধ্যম বলছে, নজিরবিহীন এই তুষারপাতের ঘটনায় গত ২৫ মার্চ পর্যন্ত ১ হাজার ৪০০ পর্যটককে উদ্ধার করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এই পর্যটকদের অনেককে প্রাথমিক চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছে। সমতল থেকে প্রায় ১৪ থেকে ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছে সামরিক বাহিনী।

এছাড়া উত্তর সিকিমের বাসিন্দা ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের চলাচলের সুবিধার জন্য তুষার পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে। ত্রিশক্তি শেপার্স ও বিআরওর যৌথ উদ্যোগে উন্নতমানের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তুষার সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। এর মাঝেই রোববার সিকিমের বিভিন্ন এলাকায় আবারও তুষারপাত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

 

ভারতের সিকিমে নজিরবিহীন তুষারপাতে ১ হাজার ৪০০ পর্যটক উদ্ধার

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার সিজার্তো বলেছেন, ইউক্রেনকে ন্যাটো সামরিক জোট এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য পদ দেয়ার বিরোধিতা করবে তার দেশ।

তিনি বলেন, ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী ট্রান্সপারথিয়া অঞ্চলে হাঙ্গেরি বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠীর ওপর ইউক্রেন সরকার যে বৈষম্যমূলক আচরণ করে আসছে তার অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইউক্রেনের সদস্য পদের বিরোধিতা করবে হাঙ্গেরি।

পিটার সিজার্তো বলেন, জাতিসংঘের সহকারি মহাসচিব ইরযে ব্রান্ডস কেহরিসের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এ বিষয়ে কথা বলেছেন। সিজার্তো বলেন, ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় আইনের জন্য ৯৯টির বেশি হাঙ্গেরি ভাষার প্রাইমারি এবং মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এসব কারণে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় জোটে ইউক্রেনের সদস্য পদের প্রতি সমর্থন দেবে না হাঙ্গেরি। বিষয়টি জাতিসংঘের সরকারি মহাসচিবকে পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে।

ইউক্রেনে রাশিয়া, রোমানিয়া, পোল্যান্ড এবং হাঙ্গেরির জাতিগত বংশোদ্ভূত বহু মানুষের বসবাস রয়েছে। কিন্তু দেশটির সরকার এসব ভাষায় স্কুল পরিচালনা ও শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। অর্থাৎ জাতিগত সংখ্যালঘুদের শিক্ষার মও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে হাঙ্গেরি ইউক্রেনকে এই দুটি সংস্থার অন্তর্ভুক্ত করার প্রশ্নের সমর্থন দেবে না।

 

ইউক্রেনকে ন্যাটো জোটের সদস্য পদ দেয়ার বিরোধিতা করবে হাঙ্গেরি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, তার দেশ বেলারুশে পরমাণু অস্ত্র মোতায়ন করবে। এ ধরনের অস্ত্রের জন্য বেলারুশে বিশেষ স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে এবং আগামী জুলাই মাসের মধ্যে কৌশলগত এই অস্ত্র রাখার জন্য উপযুক্ত স্থাপনার নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, বেলারুশের পক্ষ থেকে বারবার আবেদন জানানোর পর দেশটিতে এই অস্ত্র মোতায়েনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী পহেলা জুলাইয়ের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র রাখার এই স্থাপনার নির্মাণ কাজ শেষ হবে তবে মস্কো পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ বেলারুশের হাতে দেবে না। মস্কো শুধু তার নিজের অস্ত্র বেলারুশে মোতায়েন করবে। ঠিক কখন রাশিয়া থেকে পরমাণু অস্ত্র বেলারুশে পাঠানো হবে পুতিন তা সুস্পষ্ট করে বলেননি।

রাশিয়ার সাথে ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধের মধ্যে ব্রিটেন কিয়েভকে ইউরেনিয়ামযুক্ত অস্ত্র সরবরাহ করার ঘোষণা দেয়ার পর এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে প্রেসিডেন্ট পুতিন জানান।

চলতি মার্চ মাসের প্রথম দিকে ব্রিটেন ঘোষণা করে যে, লন্ডন ইউক্রেনের জন্য যে চ্যালেঞ্জার-টু ট্যাংক পাঠাবে তাতে ব্যবহার করতে ইউরেনিয়াম-সমৃদ্ধ গোলা দেয়া হবে। ব্রিটেনের এই ঘোষণায় মস্কো কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে একে দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং সম্পূর্ণভাবে উন্মাদনা বলে উল্লেখ করেছে।

আমেরিকা ব্রিটেনের পক্ষে ওকালতি করে বলেছে, এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই কারণ এ ধরনের গোলা কয়েক দশক থেকেই ব্যবহার করা হচ্ছে এবং একটি সাধারণ বিষয় পরিণত হয়েছে। জবাবে রাশিয়া বলেছে- এই গোলা ব্যবহার করলে ইউক্রেনে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়বে, যেটি হয়েছে ইরাকে।

 

রাশিয়া বেলারুশে পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন করবে : পুতিন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ভয়াবহ টর্নেডোর আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় মিসিসিপি এবং অ্যালাবামা অঙ্গরাজ্য। টর্নেডোর আঘাতে সেখানে অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া বহু ঘর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আমেরিকান ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের মিসিসিপির জ্যাকসন কেন্দ্রের ভূতত্ত্ববিদ নিকোলাস প্রাইস বলেন, প্রাথমিক তথ্য অনুসারে প্রায় আধাঘন্টা ধরে টর্নেডোটি ২৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পথে তাণ্ডব চালায়।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মিসিসিপি অঙ্গরাজের রোলিং ফর্ক শহর। সেখানে বহু ঘরবাড়ি মাটির সাথে মিশে গেছে, যেখানে সেখানে বড় বড় গাছ উপড়ে কিংবা ভেঙে পড়ে রয়েছে। এছাড়া, শহরের পানি সরবরাহের টাওয়ার দুমড়ে মুচড়ে গেছে। টর্নেডোয় ক্ষতিগ্রস্ত আরেকটি শহর সিলভার সিটি পরিদর্শনে গিয়ে মিসিসিপির গভর্নর টেইট রিভ্‌স রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।

একইভাবে তাণ্ডবের শিকার হয়েছে অ্যালাবামা অঙ্গরাজ্য। তবে সেখানে এখন পর্যন্ত একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বাকি ২৫ জন মারা গেছে মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সেখানকার পরিস্থিতিকে হৃদয়বিদারক বলে উল্লেখ করেছেন। গভর্নর টেইট রিভসের সঙ্গে তিনি ফোনে কথা বলেছেন এবং গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। এরইমধ্যে ফেডারেল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি এবং রেড ক্রস সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

 

আমেরিকায় ভয়াবহ টর্নেডোর আঘাত ;  ছিন্ন ভিন্ন মিসিসিপি ও অ্যালাবামা অঙ্গরাজ্য ; নিহত ২৬ 

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, তার দেশের হাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অস্ত্র ও গোলাবারুদ নেই যার কারণে তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে আক্রমণে যেতে পারছে না। জাপানের ইয়োমিউরি পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই স্বীকারোক্তি দেন। জেলেনস্কির সাক্ষাৎকার আজ (শনিবার) প্রকাশ হয়েছে।

তিনি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থা ভালো না। সফল আক্রমণের জন্য ইউক্রেনের হাতে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ নেই। রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণের বিষয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা এখনো শুরু করতে পারিনি। ট্যাংক, গোরাবারুদ ও মার্কিন নির্মিত হাইমার্স ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়া আমরা আমাদের সাহসী সেনাদেরকে ফ্রন্টলাইনে পাঠাতে পারি না।”
জেলেনস্কি বলেন, “মিত্রদের কাছ থেকে গোলাবারুদ এসে পৌঁছানোর জন্য আমরা অপেক্ষা করছি। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে যে গোলা ছোঁড়া হচ্ছে, রাশিয়া তার তিনগুণ গোলা ছুঁড়ছে। এ অবস্থায় পশ্চিমা সমর্থকদের উচিত জরুরিভিত্তিতে আরো গোলা বারুদ সরবরাহ করা। এছাড়া, যুদ্ধবিমান দেয়ার বিষয়েও তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”

 

গোলাবারুদের অভাবে আক্রমণের জন্য প্রস্তুত নয় ইউক্রেনের সেনারা : জেলেনস্কি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, স্বাধীনতার কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে জনমুখী ও টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি ২৬ মার্চ ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানান।
রাষ্ট্রপতি এ দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অতর্কিতে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ চালায়। ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ ন’মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।
তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদ এবং জাতীয় চার নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও সমর্থক, বিদেশি বন্ধু এবং সর্বস্তরের জনগণকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু সবসময় রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতেন। তাঁর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের  মহাসড়কে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার হ্রাস, লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ, গড় আয়ু বৃদ্ধিসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। দারিদ্র্যের হার কমার পাশাপাশি মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন বিশাল একটি জনগোষ্ঠীকে পুনর্বাসন করা হচ্ছে।
নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মাসেতু ও মেট্রোরেল ইতোমধ্যে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, কর্ণফুলী টানেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজও নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। টেকসই উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে ২০৪১ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ-স্মার্ট দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, করোনা মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োচিত ও সাহসী পদক্ষেপের ফলে সরকার অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। সরকার টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে আর্থসামাজিক ও বিনিয়োগধর্মী নানামুখী প্রকল্প, কর্মসূচি এবং কার্যক্রম গ্রহণের ফলে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রেরিত বিপুল পরিমাণ রেমিটেন্স অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ সংকট মোকাবিলায় আমাদেরকেও সম্পদ ব্যবহারে হতে হবে মিতব্যয়ী এবং ভোগবিলাসে কৃচ্ছতা অনুসরণ করতে হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বিগত বছরসমূহে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম এবং আর্থসামাজিক সূচকসমূহে সরকারের অভূতপূর্ব অর্জনের ওপর ভিত্তি করে আমরা এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব, ইনশাল্লাহ।
আবদুল হামিদ বলেন, “সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ বঙ্গবন্ধুর এ আদর্শ অনুসরণে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠাসহ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও আমাদের অর্জন প্রশংসনীয়। বাংলাদেশ একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত ও নির্যাতিত লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধাসহ উন্নত আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাংলাদেশ এ সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাসী। আমি এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য মিয়ানমারসহ জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পরমতসহিষ্ণুতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন সুসংহত করতে হবে। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী, সুন্দর ও উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দেওয়া আমাদের পবিত্র কর্তব্য।
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকচক্র ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে তাঁর নীতি-আদর্শকে মুছে ফেলার পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে চিরতরে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বাঙালি বীরের জাতি। কোনো কিছুই বাঙালিকে দাবিয়ে রাখতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু হলেন মৃত্যুঞ্জয়। মৃত্যু তাঁকে নিঃশেষ করেনি বরং বাঙালির চিত্তাকাশে আরো উজ্জ্বল ও মহিমান্বিত করেছে। নতুন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বোঝাতে হবে, আজ তারা যে পথটি দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তা তৈরি করে গেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ভবিষ্যতেও তাঁর দেখানো পথই হবে উন্নয়ন ও অগ্রগতির সোপান।
তিনি বলেন, ‘দেশের অগ্রযাত্রা বেগবান করতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর জাতির পিতার আদর্শকে ধারণ করে জাতি এগিয়ে যাক বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা’ গড়ার পথে মহান স্বাধীনতা দিবসে এ আমার প্রত্যাশা।

স্বাধীনতার কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আজ জাতিসংঘসহ আর্ন্তাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভায় সভাপতিত্বকালে এই আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানী দখলদার বাহিনী এই দিন থেকেই (১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ) হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। আমরা ২৫ মার্চকে আর্ন্তজাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি চাই। তাই আমি জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াল রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর হামলা চালায়। তারা নয় মাস ধরে হত্যাকা- চালিয়েছিল।
শেখ হাসিনা বলেন, সেসময় ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা এবং ঘরবাড়ি পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়ায় আরো ৩ কোটি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে।
তিনি আরো বলেন, ‘মোট ৭ কোটি মানুষের মধ্যে ৩ কোটি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে ও ১ কোটি মানুষ শরণার্থী হিসেবে ভারতে আশ্রয় নেয়।’

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধ্বংসস্তুপ থেকেই রাষ্ট্র পরিচালনা শুরু করেছিলেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিকে গড়ে তুলেছিলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘জাতির পিতা তাঁর ক্ষমতায় থাকার তিন বছর সাত মাসের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে (বঙ্গবন্ধু) নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু জাতির জনককেই নয়, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে, তাঁর সহযোগী ও জাতীয় চার নেতাকেও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
তিনি বলেন, ‘আমি বলতে চাই যে শহীদদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না। আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি এবং আজ আমরা একটি উন্নয়নশীল জাতির মর্যাদা অর্জন করেছি।’
সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে তাঁর সরকার জাতির পিতাসহ শহীদদের প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ।
বৈঠকে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি  : ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ৩’শ ৭৯ টি অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে ৩৪ লাখ ১১ হাজার টাকার অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

দুপুরে অর্থ মন্ত্রনালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ‘সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন’ (এসডিএফ)’র পক্ষ থেকে উপজেলার গোলকনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। সেসময় ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের এমপি আব্দুল হাই, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিয়া আক্তার চৌধুরী, সংস্থার জেলা কর্মকর্তা এসএম শফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানায়, হতদরিদ্র মানুষের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে উপজেলার ২ টি ইউনিয়নের ৮ টি গ্রামের ৩’শ ৭৯ টি পরিবারের মাঝে সরকারের এই অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ৩৭৯ টি অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে ৩৪ লাখ টাকার অনুদান প্রদান

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে বিদেশে বাংলাদেশ মিশনসমূহসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত করার মধ্য দিয়েই আমরা একাত্তরের গণহত্যায় জীবনদানকারী প্রতিটি প্রাণের প্রতি জানাতে পারি চিরন্তন শ্রদ্ধাঞ্জলি।

২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঢাকাসহ সারাদেশে ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করে। বাঙালির মুক্তি আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে কাপুরুষের দল সেদিন নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালির ওপর নির্বিচারে হামলা চালায়। এ গণহত্যায় শহীদ হন ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, বিভিন্ন বাহিনী, বিশেষ করে পুলিশ ও তৎকালীন ইপিআর সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার অগণিত মানুষ। এ দিনটিকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে ত্রিশ লাখ বাঙালির আত্মত্যাগের মহান স্বীকৃতির পাশাপাশি তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম গণহত্যার বিরুদ্ধে চরম প্রতিবাদের প্রতীক।

রাষ্ট্রপতি এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, তার নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় দীর্ঘ ন’মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় আমাদের মহান স্বাধীনতা। তিনি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন ২৫ মার্চ কালরাতের নৃশংস হত্যাকাণ্ডসহ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নির্মম গণহত্যার শিকার সকল শহীদকে এবং জাতীয় চার নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক-সমর্থকসহ দেশের জনগণকে, যাঁদের অসামান্য অবদান ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জন হয়েছে স্বাধীনতা।

তিনি বলেন, ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। বঙ্গবন্ধুকে সরকার গঠনে আহ্বান জানানোর পরিবর্তে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ১ মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী সেই নির্বাচনে বিজয়ী শেখ মুজিবের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করেন। এর প্রতিবাদে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলোচনায় বসলেও বাঙালি জাতিকে চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে পর্দার অন্তরালে গণহত্যার পরিকল্পনা করতে থাকে, যা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় বালুচিস্তানের কসাই খ্যাত জেনারেল টিক্কা খানকে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তৎকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিযানটি পরিচালনার মাধ্যমে তারা স্বাধীনতাকামী ছাত্রজনতার প্রতিরোধকে স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছিল। এর ব্যাপ্তি ছিল ঢাকাসহ সারাদেশ। হায়েনার দল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পিলখানাসহ (বর্তমানে বিজিবি সদর দপ্তর) যশোর, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সৈয়দপুর, কুমিল্লা, সিলেট, চট্টগ্রামে একযোগে গণহত্যা চালায়। বিশ্বের সব গণমাধ্যমেই গুরুত্বের সাথে স্থান পায় এ গণহত্যার খবর। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার আগেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যান, যার পথ ধরে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন ন’মাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরদের নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার হন ত্রিশ লাখ মানুষ। হত্যা-নিপীড়নের ভয়াবহতায় এক কোটি বাঙালি আশ্রয় নিয়েছিল প্রতিবেশী দেশ ভারতে। একাত্তরের বীভৎস গণহত্যা শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বমানবতার ইতিহাসেও একটি কালো অধ্যায়। এমন গণহত্যা আর কোথাও যাতে না ঘটে, গণহত্যা দিবস পালনের মাধ্যমে সে দাবিই বিশ্বব্যাপী প্রতিফলিত হবে।

সব বাধা পেরিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশ আজ এগিয়ে চলেছে উন্নতি আর সমৃদ্ধির পথে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশকে ২০৪১ সালে উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘রূপকল্প ২০৪১’ ঘোষণা করেছেন। এ লক্ষ্য অর্জনে রাষ্ট্রপতি দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর অবদান রাখার আহ্বান জানান।–বাসস

 

 

সোনার বাংলা গড়লেই গণহত্যায় শহীদদের প্রতি চিরন্তন শ্রদ্ধা জানানো হবে: রাষ্ট্রপতি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আটটি বিদেশি ভাষায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ উপস্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) বিকেলে ফরিদপুরের শেখ জামাল স্টেডিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

এ সময় আটটি বিদেশি ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ উপস্থাপন করেন- জাপানি ভাষায় দিলিপ মণ্ডল, স্প্যানিশ ভাষায় তানভীন ইসলাম, ফারসি ভাষায় নাজমুল ইসলাম, আরবি ভাষায় সাইফুল ইসলাম, ফ্রেঞ্চ ভাষায় কৌশিক মালো, ইংরেজি ভাষায় ফারহানা জানাম, চীনা ভাষায় মারুফ আহমেদ ও হিন্দি ভাষায় শ্রেয়া তুলশিয়ান।

স্বাগত বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, ৭ মার্চ বাঙালি জাতির একটি ঐতিহাসিক দিন। সারা বিশ্বের মানুষের কাছে জাতির পিতার ঐতিহাসিক এ ভাষণটি ছড়িয়ে দিতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতার এ ভাষণটি বিভিন্ন ভাষায় উপস্থাপন করার লক্ষ্যই হচ্ছে বিভিন্ন দেশের মানুষ এ ভাষণটি শুনে উদ্বুদ্ধ হবে। আমরা চাই বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের এ ভাষণটি আর্ন্তজাতিকভাবে স্বীকৃতি পাক এবং এই দিনটি ‘আর্ন্তজাতিক ভাষণ দিবস’ হিসেবে পরিগণিত হবে।

পরে ৭ মার্চের ভাষণ উৎসব প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

ফরিদপুরে আট বিদেশি ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ উপস্থাপন