২৮ Jun ২০২২, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

পদ্মা সেতুর নির্মাণ ঠেকাতে না পেরে বিএনপি দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে : ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : পদ্মা সেতুর নির্মাণ ঠেকাতে না পেরে বিএনপি এখন দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর নির্মাণ ঠেকাতে না পেরে বিএনপি এখন সেতু উদ্বোধনের আগে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে লাশ ফেলার ষড়যন্ত্র করছে।
সেতুমন্ত্রী আজ সকালে তার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্ণফুলী টানেলসহ মেগা প্রকল্পগুলো দেখে বিএনপি নেতাদের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। তাই তারা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে নানা ষড়যন্ত্র করছে।
পলিটিক্যাল হ্যালুসিনেশনে ভুগতে থাকা বিএনপি মহাসচিব একের পর এক মিথ্যাচার করেই যাচ্ছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মা সেতু দেখে বিএনপি অন্তর জ্বালায় ভুগছে, এ সত্য স্বীকার করে নেয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ধন্যবাদ জানাই।
‘পদ্মা সেতু নির্মাণে লুটপাট হয়েছে’ বিএনপি মহাসচিবের এমন অভিযোগের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে বিএনপি বার বার লুটপাটের অভিযোগ করে যাচ্ছে, যে টা কাল্পনিক। এটা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিকৃত মস্তিষ্কের নতুন আবিষ্কার।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি আবারও স্পষ্ট করে বলছি, শতভাগ স্বচ্ছতা নিয়েই পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।’
তিনি বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে দুর্নীতির যে কাল্পনিক অভিযোগ বিএনপি মহাসচিব করছেন, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ তাকে দিতে হবে। যদি প্রমাণ করতে না পারেন তাহলে মেগা প্রকল্প নিয়ে মেগা মিথ্যাচারের জন্য ফখরুল ইসলামকে ক্ষমা চাইতে হবে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির অপবাদ দিয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে সরে গিয়েছিলো। এর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। পদ্মা সেতুর দুর্নীতি নিয়ে যে অভিযোগ বিশ্বব্যাংক করেছিল, পরবর্তীতে কানাডার আদালত তা নাকচ করে বাংলাদেশকে নির্দোষ রায় দিয়েছেন। তার পর বিশ্বব্যাংকই স্বীকার করছে পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে সরে গিয়ে তারা ভুল করেছে। এর পরও বিএনপি মহাসচিব পদ্মা সেতুর স্বচ্ছতা নিয়ে মিথ্যাচার করছেন, এটা দুঃখজনক।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহের মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা রায়হান বেগের ছেলে মোঃ আল মামুন বেগ নিজেকে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন ।

মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের রায়হান উদ্দিন বেগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের জনপ্রেয় নেতা ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ৩ বার, নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন ৪ বার এবং তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের  সদস্য হিসেবেও কয়েকবার দায়িত্ব পালন করেন।

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তিনি বেশ কয়েক মাস যাবৎ গণসংযোগ চালিয়ে আসছিলেন।

গত ৫ ফেব্রুয়ারী তার নিজ ইউনিযনে রাজনৈতিক শো-ডাউন চলা অবস্থায় তিনি স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেন।

জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা রায়হান বেগের মৃত্যুর পর তার অনসারীরা রায়হান বেগের ছেলে কাজীরবেড় ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য মোঃ আল মামুন বেগকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে উদ্বুদ্ধ করায় আল মামুন বেগ নিজেকে সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে তার ইউনিয়ন এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

 

 

 

 

মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা রায়হান বেগের ছেলে আল মামুন বেগ সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী

স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নাসির উদ্দীন মালিতার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা। গান্না ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল নেতা কর্মীরা তাদের ফেসবুক আইডিতে এই মামলার তিব্র নিন্দা জানিয়ে পোষ্ট দিচ্ছেন।

চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন মালিতা বলেন, দীর্ঘ দিন আগে গান্না ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শান্তি মার্ডার মামলায় আমাকে উদ্দ্যেশ্য প্রণদিতভাবে জড়িয়ে মামলার ৯ নম্বর আসামী করা হয়, পরে নিহতের শ্বশুর সিরাজ উদ্দীন ভুল স্বীকার করে আমার মামলা তুলে নিতে রাজি হন এবং বলেন ভুল করে আমার নাম চলে এসেছে তারা আমাকে ফাসাতে চাননি। পরে জানতে পারি রিমান্ডে খুনিদের মুখ দিয়েও নাকি আমার নাম বলানো হয়েছিলো আমাকে ফাসানোর জন্য। এই মিমাংসার পরেও নির্বাচন সামনে হওয়ায় প্রায় ১০ বছর আগের সেই মিথ্যা মামলা আবার চালু করে আমার ইমেজ নষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছে একটি চক্র। তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শে বিশ্বাস করেনা, তারা বিশ্বাস করে সন্ত্রাস, দূর্ণীতি আর খুন খারাপির রাজনীতিতে যা আমি কখনই হতে দেবো না। শান্তি প্রিয় গান্নার মানুষ আমার সাথে আছেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৭ই জুলাই সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না বাজার থেকে নিজ গ্রাম কাশিমনগর বাড়ি ফেরার পথে খালের ব্রিজের উপরে বোমা হামলায় মারাত্মক আহত হন গান্না ইউনিয়নের তৎকালীন ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন মণ্ডল শান্তি। ঘটনার ৩ দিন পর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি বিস্ফোরক ও আরেকটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের শ্বশুর সিরাজুল ইসলাম মালিতা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৮ আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। তাদের জবানবন্দির ভিত্তিতে মামলার ৯ নং আসামি হয়ে যান চেয়ারম্যান নাসির মালিতা।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনে ক্লিন ইমেজের নাসির উদ্দীন মালিতা যেন নৌকা প্রতীক না পান মূলত সেজন্যই এই মিথ্যা মামলায় নতুন করে চেয়ারম্যানের নাম তুলে আনা হয়েছে, তারা আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার এই ডিজিটাল বাংলাদেশে আর এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের স্থান দেবেন না গান্নার সাধারণ ভোটাররা।

ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ দলীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : পুর্ব শ্রুতার জের ধরে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মন্টু মেম্বার (৫০) কে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে  কতিপয় সন্ত্রসী। এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তী করছে।ে ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৫সপ্টেম্বের বুধবার বিকাল ৫টা দিকে মহেশপুর-ভৈরবা সড়কের নস্তী বাজার এলাকায়।

এ ঘটনায় থানা পুলিশ রাতেই শরীফুল ইসলাম (৪৮) নামের এক জনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, মহেশপুর উপজেলার উজ্জলপুর গ্রামের গোল্ড ব্যবসায়ী মিলন মিয়ার সাথে ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মন্টু মেম্বারের র্দীঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের কারণে কয়েকদিন পুর্বে মারামারিও হয়েছে। এ ঘটনার জের ধরেই মন্টু মেম্বারকে হত্যার চেষ্টা করা হয়ছে।ে

আহত মন্টু মেম্বার জানান, উজ্জলপুর গ্রামের গোল্ড ব্যবসায়ী মিলন মিয়া আমাকে হত্যা করার জন্য নস্তী গ্রামের ইয়ার আলী, শরীফুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, বাবর আলী ও জসিমকে ভাড়া করে। তিনি আরো জানান, আমি বুধবার বিকাল ৫টার দিকে মটর সাইকেল যোগে মহেশপুর থেকে বাড়ী ফেরার সময় নস্তী বাজারে দাড়ানোর সাথে সাথে নস্তী গ্রামের ইয়ার আলী ও শরীফুল ইসলাম আমাকে দা দিয়ে কোপাতে থাকে। পরে বাজারের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়।

মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, মন্টু মেম্বারকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় নস্তী গ্রামের শরীফুল ইসলামকে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীদের আটকরে চেষ্টা চলছে।

 

 

ঝিনাইদহের মহেশপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মন্টুকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে কতিপয় সন্ত্রাসী

আজকের দিন-তারিখ

  • মঙ্গলবার (বিকাল ৩:৪৫)
  • ২৮শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৩ হিজরি
  • ১৪ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল)

ভিজিটর গননা

0270161
Visit Today : 439
Visit Yesterday : 805
Total Visit : 270161
Hits Today : 3277
Total Hits : 1949275
Who's Online : 6

ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০