অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ওয়াগনারের ব্যর্থ বিদ্রোহের ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে অনেকটা ‘দুর্বল’ নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করে রাশিয়ার সমালোচনা করেছিলেন পশ্চিমা নেতারা। ওই ঘটনার পর মঙ্গলবার (৪ জুলাই) সাংহাই সম্মেলনে এশিয়ার নেতাদের উদ্দেশে পুতিন বলেছেন, ‘রাশিয়া আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ।’
ভাড়াটে সশস্ত্র বাহিনী ওয়াগনারের বিদ্রোহের পর প্রথম কোনও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ভার্চ্যুয়ালি সামনে অংশ নেওয়া এশিয়ার নেতাদের সামনে তিনি বলেন, ‘রাশিয়ার জনগণ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন আরও ঐক্যবদ্ধ।’ বিদ্রোহের সময় সমর্থন দেওয়ায় চীন ও ভারতের প্রশংসা করেছেন তিনি।
সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও) সম্মেলনে যোগ দেন পুতিনসহ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাকিস্তানের শাহবাজ শরিফসহ আরও কয়েক দেশের নেতা। সংস্থার সদস্য হিসেবে ভারত, চীন, কাজাখস্থান, কিরগিজস্থান, পাকিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান রয়েছে।
ওয়াগনার বাহিনীর বিদ্রোহের ঘটনায় পুতিন বলেন, ‘সশস্ত্র বিদ্রোহের চেষ্টার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে রাশিয়ার রাজনৈতিক ও সমাজ পিতৃভূমির ভাগ্যের বিষয়ে সংহতি ও উচ্চ মাত্রায় দায়িত্বশীলতা দেখিয়েছে রুশ জনগণ। যেসব এসসিওর সদস্য দেশ রাশিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে তাদের প্রতি ধন্যবাদ।’
ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু করায় রাশিয়ার ওপর শত শত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পশ্চিমা বিশ্ব। দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, ধনকুবের, পুতিনের মেয়েসহ অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির ওপর ধারাবাহিক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যার ফলে দেশটিকে অর্থনৈতিকভাবে ধুঁকতে হচ্ছে। ‘পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও উস্কানি’ থেকে মস্কো ঘুরে দাঁড়াবে বলেও সাংহাই সম্মেলনে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, আল জাজিরা