অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : খুলনায় যাকাত আদায়ের নিয়ম কানুন বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট (সিজেডএম) এর উদ্যোগে গতকাল শনিবার খুলনা মহানগরীর কেডিএ মিনি কমিউনিটি সেন্টারে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
এ সেমিনারে যাকাত ব্যবস্থাপনার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, যাকাতের ধর্মীয় তাৎপর্য, যাকাতের অর্থ সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম, অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বৃত্তি ও কারিগরি প্রশিক্ষণসহ সিজেডএমের বিভিন্ন কর্মসূচির বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।
সিজেডএম এর ডেপুটি ম্যানেজার মো. রাকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট এর হেড অব কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স কর্নেল (অব.) মো. জাকারিয়া হোসেন।
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য রুহুল আমীন কুতুবুদ্দিন আহমাদের সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন, খুলনা পাবলিক কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল আবু সিদ্দিকুর রহমান, খুলনার জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার মুফতি, মুহাদ্দিস মুফতি মাহফুজুর রহমান ও মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, ইন্সটিটিউট অব ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স এর কনসালটেন্ট শায়খ তারেক মাহমুদ আল আজহারী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট এর এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম এবং খুলনা নগরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
সভায় বক্তারা বলেন, যাকাতের মূল লক্ষ্য হচ্ছে গ্রহীতাকে আর্থিকভাবে সচ্ছল করে তোলা, যাতে গ্রহীতারা স্বাবলম্বী হতে পারে। তাই বিগত ১৭ বছর ধরে যাকাত ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে সিজেডএম। প্রতিষ্ঠানিক উপায়ে যাকাত প্রদান করলে টেকসই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
সেমিনারে শায়খ তারেক মাহমুদ আল আজহারী ব্যাক্তিগত যাকাত ও ব্যবসায়িক যাকাত নিরুপনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। মুফতি মাহফুজুর রহমান যাকাত বিষয়ক মাসয়ালা মাসায়েল ও প্রশ্নোত্তর অংশে শ্রোতাদের যাকাত বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়ন ও স্বাবলম্বী করার জন্য মূলধন হস্তান্তরসহ নানাবিধ কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে প্রায় ১৮ লাখ মানুষ সহায়তা পেয়েছে। সিজেডএমের কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে জীবিকা বা আয়-বর্ধক কর্মসূচি, মুদারিব, প্রাক-প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি।