March 5, 2026, 2:54 pm
শিরোনামঃ
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডসহ সরকার গৃহীত জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপের প্রতিফলন থাকবে রাষ্ট্রপতির ভাষণে : তথ্যমন্ত্রী ঈদের ছুটি ১৮ মার্চ পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার মার্কিন সহকারী মন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধি দলের বৈঠক ফরিদপুরে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে গলা ও রগ কেটে হত্যার চেষ্টা নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লায় ন্যাড়া বাহিনীর প্রধান কিলার বাবুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা খুলনায় শ্রমিক নেতাকে গুলি করে হত্যা ইরান ইস্যুতে সৌদি-মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোচনা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আফগানদের বিক্ষোভ
এইমাত্রপাওয়াঃ

গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থানের বিপরীতে ইউরোপীয় সেনা মোতায়েন জোরদার

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানের বিপরীতে সামরিক তৎপরতা বাড়াতে শুরু করেছে ইউরোপের একাধিক দেশ। ডেনমার্কের অনুরোধে ফ্রান্স, জার্মানি ও অন্যান্য ইউরোপীয় রাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে সীমিত আকারে সেনা মোতায়েন করছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে জার্মানির একটি নজরদারি দল এয়ারবাস বিমানে করে গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুক শহরে পৌঁছায়। জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই দলে মোট ১৩ জন সদস্য রয়েছেন।

এর আগের দিন রাতে ডেনিশ বিমান বাহিনীর একটি উড়োজাহাজ নুক বিমানবন্দরে অবতরণ করে, যেখানে সামরিক পোশাকে একাধিক সেনা সদস্যকে নামতে দেখা যায়।

গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্সও। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, ফ্রান্সের প্রথম সামরিক দল ইতোমধ্যেই যাত্রা শুরু করেছে এবং প্রয়োজন হলে আরও সেনা পাঠানো হবে।

পোল্যান্ডে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত অলিভিয়ে পোয়াভো দাভো জানান, গ্রিনল্যান্ডে পাঠানো ফরাসি দলের মধ্যে প্রায় ১৫ জন বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত পর্বত যুদ্ধ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। তাঁর ভাষায়, এই মোতায়েনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো হচ্ছে যে ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন আর্কটিক অঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলে জানায়, ডেনমার্কের অনুরোধে যুক্তরাজ্য ইতোমধ্যে একজন সামরিক কর্মকর্তাকে গ্রিনল্যান্ডে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে নরওয়ে দুজন এবং সুইডেন কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ডেনমার্ক ও তার ইউরোপীয় মিত্ররা এই সেনা মোতায়েনকে আর্কটিক অঞ্চলে ভবিষ্যৎ যৌথ সামরিক মহড়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি কূটনৈতিক ও সামরিক বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

রয়্যাল ডেনিশ ডিফেন্স কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মার্ক জ্যাকবসেন বলেন, ইউরোপের এই সামরিক উপস্থিতির মূল লক্ষ্য হলো গ্রিনল্যান্ডে নিজেদের নজরদারি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো এবং যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো যে, দ্বীপটির নিরাপত্তা রক্ষায় ইউরোপ প্রস্তুত।

এদিকে বুধবার হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র এখনো তার অবস্থান থেকে সরে আসেনি। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, কৌশলগত অবস্থান ও খনিজ সম্পদের কারণে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের প্রভাব মোকাবিলায় ডেনমার্ক একা যথেষ্ট সক্ষম নয়।

অন্যদিকে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির কোনো প্রশ্নই ওঠে না। তাদের মতে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা মিত্রদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হওয়া উচিত।

এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রভাবশালী দেশগুলো ডেনমার্কের পাশে দাঁড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে বৃহৎ পরিসরের যৌথ সামরিক মহড়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে।

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page