October 29, 2026, 3:06 pm
শিরোনামঃ
বিশ্বের শ্রমবাজারে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে দক্ষ জনশক্তি ও ভাষা শিক্ষায় গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আসবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিজিটাল পদ্ধতিতে আসামি হাজিরা চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার : আইনমন্ত্রী সায়মা ওয়াজেদের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ মুন্সীগঞ্জে পৃথক সংঘর্ষ ও হামলায় টেঁটাবিদ্ধসহ ৯ জন আহত ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে তিন ভারতীয় নাগরিকসহ ৮ জন আটক বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন তরুণদের জ্ঞান-বিশ্বাস-আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান মোজতবা খামেনির এক রাতে মস্কোতে ৬১৩ ইউক্রেনীয় ড্রোন ; পাল্টা হামলা রাশিয়ার যশোরের ঝিকরগাছায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবক খুন
এইমাত্রপাওয়াঃ

‘তৃণমূল’ সরকার বাংলাকে বৃহত্তর বাংলাদেশ বানাতে চেয়েছিল : শুভেন্দু অধিকারী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আগের বাম ও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তার অভিযোগ, দুই সরকারই রাজ্যের ‘সনাতনী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি’ দমন করার চেষ্টা করেছে। বামেরা ধর্মকে ‘আফিম’ বলত এবং তৃণমূল বাংলাকে ‘বৃহত্তর বাংলাদেশ’ বানাতে চেয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) কলকাতার কেষ্টপুরে একটি গণেশ পূজা মণ্ডপ উদ্বোধন করে এসব মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তার দাবি, গত ৪৯ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক পরিচয় নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪ বছর বাম শাসন এবং পরবর্তী ১৫ বছর তৃণমূলের শাসন ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, ‘গত ৪৯ বছরে ৩৪ বছর যারা ধর্মকে আফিম বলত, তারা ক্ষমতায় ছিল কমিউনিস্টদের অধীনে। আর তার পরের ১৫ বছর তারা বাংলাকে বৃহত্তর বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা করেছে। এখন এমন সরকার এসেছে, যারা ভুলে যাওয়া সংস্কৃতি ও পরম্পরা ফিরিয়ে আনতে চায়।’

বাম আমলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সে সময় পূজা মণ্ডপের বাইরে বিভিন্ন স্টলে কার্ল মার্কস ও ভ্লাদিমির লেনিনের বই পাওয়া যেত। কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দ বা লোকনাথ বাবার বই থাকত না। তার দাবি, ‘হনুমান চালিশা বা ভগবদ্গীতা খুঁজে পাওয়া যেত না। সেখানে স্পষ্ট বলা হতো, তারা ধর্মে বিশ্বাস করে না, ধর্মকে আফিম মনে করে।’

তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হন শুভেন্দু। তার অভিযোগ, দলটির শাসনামলে বাংলাকে ‘জামাতি’ করার চেষ্টা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না নিয়ে মহরম ও দুর্গাপূজার বিসর্জনের দিন নিয়ে বিতর্কের প্রসঙ্গ টানেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, ‘ওদের ১৫ বছরের শাসনে, প্রথম দিকে না হলেও শেষ দিকে, বাংলাকে জামাতি বানানোর চেষ্টা হয়েছিল। একবার বিসর্জনের দিন বদলানো হয়েছিল। তিনি বৈঠকে বলেছিলেন, মহরম আছে, তাই বিজয়া দশমীতে বিসর্জন হবে না। এটা করা যায় না। পঞ্জিকা মেনে চলতে হয়। আমাদের পরম্পরা ধীরে ধীরে বদলে দেওয়া হচ্ছিল।’

এ সময় জেলে থাকা এক সাবেক রাজ্য মন্ত্রীরও সমালোচনা করেন শুভেন্দু। তিনি দাবি করেন, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিতৃপক্ষের সময়ে ওই মন্ত্রীর দুর্গাপূজার উদ্বোধনে গিয়েছিলেন। সনাতনী রীতি অনুযায়ী, এই সময়কে পূজার জন্য অশুভ মনে করা হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শুভেন্দু বলেন, দুর্গাপূজার উদ্বোধন মাতৃপক্ষেই হওয়া উচিত। মহাষ্টমীর সময় ‘পূর্ণ শুদ্ধতা’ বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

আজকের বাংলা তারিখ

  • ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩
  • ১৭ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮


Our Like Page