April 6, 2026, 9:15 pm
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সরকারের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা : অর্থমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকার হাম প্রতিরোধে প্রস্তুতি নিয়েছিলো কিনা তা পর্যালোচনা প্রয়োজন : সমাজকল্যাণমন্ত্রী ১২ মে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট নোয়াখালীতে যুবককে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ কুমিল্লায় হত্যার ১০ বছর পর সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিলো আদালত  ৫০ বছর পর আবার চাঁদের কক্ষপথে মানুষ হরমুজ প্রণালীতে নতুন ব্যবস্থার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানি গার্ড বাহিনী উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন অনুপ্রবেশের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জ্বালানি সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

রংপুরের আলু রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : রংপুর জেলার উৎপাদিত  বিদেশে আ লু রপ্তানি হচ্ছে । ছোট ছোট বস্তায় ভরা হচ্ছে আলু। সেগুলো আবার ওজন দিয়ে প্যাকেজিং করে ট্রাকে তোলা হচ্ছে মালয়েশিয়া পাঠানোর জন্য।  রংপুরের পীরগাছার পারুল ইউনিয়নের বেলতলীতে সড়কের পাশে দেখা মেলে এ কর্মযজ্ঞের।

এ সময় কথা হয় অভিরাম গ্রামের কৃষক ফসিউল আলম ডাবলুর সঙ্গে। তিনি  বলেন, কয়েক বছর ধরে তিনি বিদেশে আলু পাঠাচ্ছেন। চট্টগ্রামের অ্যাগ্রোকাগরি কমোডিটিজ নামে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের কাছে এবার ১৭ টাকা কেজি দরে শানশাইন জাতের আলু তিনি বিক্রি করেছেন। এ আলু ওই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যাবে।

তিনি বলেন, এবার তিনি ৮ একর জমিতে আলুর চাষ করেছেন।  যে দরে এখন তিনি আলু রপ্তানি করছেন তাতে উৎপাদন খরচ উঠলেও বেশি লাভ হবে না। দামটা আরেকটু বাড়ানো দরকার।

বিরাহিম গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা মোকছেদুল ইসলাম জানান, রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি কয়েক বছর ধরে নেপাল, মালয়েশিয়া, সৌদি, দুবাই, হংকং আলু পাঠাচ্ছেন। এবার প্রাথমিকভাবে মালয়েশিয়ায় শানশাইন জাতের আলু পাঠানো শুরু করেছেন। তিনি যে পরিমাণ অর্ডার পাচ্ছেন তাতে করে এবার তিনি কমপক্ষে ৩ হাজার টন আলু রপ্তানি করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

একই চিত্র দেখা গেছে রংপুরের গংগাচড়া ও মিঠাপুকুর উপজেলায় । এ দুই উপজেলা থেকে আলু যাচ্ছে নেপাল ও দুবাইয়ে । এটি যদি অব্যাহত থাকে তাহলে কৃষকরা লাভবান হবেন ।

কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এ উপজেলায় ৫৫ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। তবে কৃষকদের দাবি, চাষের পরিমাণ ৬০ হাজার হেক্টরেরও বেশি, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। গত বছর আলুর দাম বেশি থাকায় অনেক কৃষক এবার অধিক পরিমাণ জমিতে আলু চাষ করেছেন। বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন এ বছর আলুর সংরক্ষণ ব্যয় বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়ায় সংকট যেন আরও ঘনীভূত হয়েছে। এ নিয়ে বিভিন্নভাবে প্রতিবাদও জানাচ্ছেন কৃষকরা।

সম্প্রতি স্থানীয় বাজার ঘুরে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি স্ট্রিক জাতের আলু ১০-১২ টাকা, সেভেন জাতের আলু ৮-১০ টাকা এবং লাল পাকরি জাতের আলু ১২-১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আলুর উত্তোলনের মৌসুম এখনও পুরোদমে শুরু না হলেও আগাম আলু রপ্তানি শুরু হওয়ায় কৃষকরা আশার আলো দেখছেন।

কৃষকরা বলছেন, আলুর ন্যায্য দাম নিশ্চিতে কোল্ড স্টোরেজের সংরক্ষণ খরচ কমানো, বেশি বেশি রপ্তানির উদ্যোগ এবং স্থানীয় বাজার ব্যবস্থাপনায় সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আফজাল হোসেন বলেন, এবার আলুর ফলন রেকর্ড পরিমাণ হয়েছে। আলুর উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষি বিভাগের পক্ষ কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। কিছু কিছু এলাকা থেকে আলু রপ্তানি শুরু হওয়ায় আমরা আশা করছি কৃষকরা ন্যায্য দাম পাবেন। রপ্তানি বৃদ্ধিসহ কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আমরা চেষ্টা করছি।

 

আজকের বাংলা তারিখ

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  


Our Like Page