October 17, 2026, 2:40 pm
এইমাত্রপাওয়াঃ

সম্পর্ক উন্নয়নে চীন সফরে তাইওয়ানের সাবেক প্রেসিডেন্ট

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : তাইওয়ান ইস্যুতে চীন ও পশ্চিমাদের মধ্যে বরাবরই বিরাজ করছে উত্তাপ। তাইওয়ান নিজেকে স্বাধীন মনে করলেও বেইজিংয়ের দাবি, ভূখণ্ডটি চীনের অংশ। এমনকি তাইওয়ান প্রশ্নে সামরিক হামলার পথও খোলা রেখেছে বেইজিং।

এই পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সম্পর্কের উন্নতি করতে চীনে গেলেন তাইওয়ানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মা ইং-জিউ। সোমবার (২৭ মার্চ) যুগান্তকারী এই সফরে চীনে গেলেন বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৮ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বপালন করেন মা ইং-জিউ। দশকের পর দশকের উত্তেজনার মধ্যে তাইওয়ানের সাবেক ও বর্তমান প্রেসিডেন্টের মধ্যে তিনিই প্রথম ব্যক্তি হিসেবে চীন সফর করছেন।

সোমবার যুগান্তকারী এই সফরে চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে মা ইং-জিউ বলেন, তরুণদের পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে (এই সফরে) তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সম্পর্ক উন্নত করার আশা করেন।

রয়টার্স বলছে, বেইজিং এবং তাইপেইয়ের মধ্যে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে এই সফরটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে; আর সেটিও এমন এক সময় যখন তাইওয়ানকে চীনা সার্বভৌমত্ব মেনে নেওয়ার জন্য সামরিক ও রাজনৈতিক চাপ অব্যাহত রেখেছে চীন।

অবশ্য ২০১৫ সালের শেষের দিকে সিঙ্গাপুরে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে দেখা করেছিলেন তৎকালীন তাইওয়ানিজ প্রেসিডেন্ট মা ইং-জিউ। তাইওয়ানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট সাই ​​ইং-ওয়েন নির্বাচনে জয়ী হওয়ার আগে ওই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

তাইওয়ানের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ৭৩ বছর বয়সী মা বলেন, তিনি চীনে এই সফরে যেতে পেরে ‘খুব খুশি’। সফরের সময় সেখানে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলার পাশাপাশি চীনে তার পূর্বপুরুষদের কবরে শ্রদ্ধা জানাবেন বলেও জানান তিনি।

বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমার পূর্বপুরুষদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি তরুণদের উদ্দীপনা এবং পারস্পরিক ভাবনা আদান-প্রদানের মাধ্যমে বর্তমান তাইওয়ান প্রণালীর উভয়পাশের পরিবেশকে উন্নত করার আশায় আমি তাইওয়ানের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মূল ভূখণ্ডে নিয়ে যাচ্ছি। যাতে শান্তি আরও দ্রুত আসতে পারে।’

রয়টার্স বলছে, মা ইং-জিউ তাইওয়ানের প্রধান বিরোধী দল কুওমিনতাং (কেএমটি)-এর একজন সিনিয়র সদস্য। এই দলটি চীনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পক্ষপাতী। যদিও নিজেদের বেইজিংপন্থি হওয়াকে দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে থাকে দলটি।

কেএমটি বলেছে, তাইওয়ান প্রণালীজুড়ে বিদ্যমান উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে চীনের কাছে পৌঁছানো এখন আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে বেশি প্রয়োজন। যদিও তাইওয়ানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট সাই ​​ইং-ওয়েনের আলোচনার প্রস্তাব বারবার প্রত্যাখ্যান করে এসেছে চীন।

সাইয়ের মতে, শুধুমাত্র তাইওয়ানের জনগণই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে এবং এই কারণেই তাকে বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে মনে করে চীন।

অবশ্য তাইওয়ানের ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি চীন সফরে যাওয়ার জন্য মা-র সমালোচনা করে বলেছে, এটি অনুপযুক্ত কারণ, তাইওয়ানের সাবেক মিত্র হন্ডুরাস একদিন আগেই বেইজিংয়ের পক্ষ নিয়ে তাইপের সাথে সম্পর্কের শেষ ঘোষণা করেছে।

 

আজকের বাংলা তারিখ

  • ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬
  • ২রা কার্তিক, ১৪৩৩
  • ৫ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮
October ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Sep    
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  


Our Like Page