স্টাফ রিপোর্টার : নিজে উপস্থিত থেকে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার এক মাসের মাথায় গিয়ে জামাতাসহ ৫ জনকে আসামী করে আদালতে মামলা করলের মেয়ের পিতা কামাল হোসেন।
বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে, প্রেমের সুত্র ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেন্বর ঢাকার গাজিপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার সিএনবি বাজার এলাকার কামাল হোসেনের মেয়ে লামিয়া খাতুন (১৬) ঝিনাইদহের মহেশপুরের যুগিহুদা গ্রামের হাসান আলীর ছেলে আসিবের বাড়ীতে চলে আসে।
বিষয়টি জানার পর ছেলের পিতা হাসান আলী মেয়ের পিতা কামাল হোসেনের সাথে তার মেয়ে চলে আসার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। পরে ১৩ দিন পর মেয়ের পিতা কামাল হোসেন ও মেয়ের মামা আরাফাত মন্ডল মহেশপুরের যুগিহুদা গ্রামে আসেন। পরে মেয়েকে নিয়ে যেতে ব্যার্থ হলে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেন্বর ফতেপুর কাজি অফিসে মেয়ের পিতা কামাল হোসেন ও মেয়ের মামা আরাফাত মন্ডল উপস্থিত থেকে ২লাখ টাকার কাবিনে বিয়ে দেন।
কিন্তু মেয়ের পিতা কামাল হোসেন ও মেয়ের মামা আরাফাত মন্ডল মহেশপুর থেকে গাজিপুরে ফেরত গিয়ে ১৩-২-২০২৫ তারিখে গাজিপুর আদালতে জামাতাসহ ৫ জনকে আমসামী করে একটি সাজানো মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১১/২৫।
কামাল হোসেনের মেয়ে ও আসিবের স্ত্রী লামিয়া খাতুন জানান, আমি আসিবকে ভালোবেসে বাড়ী থেকে চলে এসেছি। আমার আব্বা ও আমার মামা আমাকে নিতে এসেছিলেন। আমি না যাওয়ার কারনে আমার আব্বা ও আমার মামা উপস্থিত থেকেই আমাদের বিয়ে দেন।
লামিয়া খাতুন আরো জানান, আমাদের বিয়ের কাবিন নামায় আমার আব্বা ও আমার মামার সহি আছে। সেখানে আমার আব্বা কি ভাবে আমার জামাতাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।
মামলার বাদী ও লামিয়া খাতুনের আব্বা কামাল হোসেনের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।