November 29, 2025, 8:51 pm
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে নিয়ম-বহির্ভূতভাবে গড়ে ওঠা করাত কলের কারণে বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন রাষ্ট্রপতি জানুয়ারির শুরুতেই বই পাবে শিক্ষার্থীরা : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা  জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে : সিইসি বিদেশে নেওয়ার মতো অবস্থায় নেই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া : ফখরুল ইসলাম ‘দুই বড় দলের’ নেতৃত্ব পরিবর্তনে বিদেশ থেকে খেলা চলছে : বিবিসি বাংলাকে জয় নরসিংদী প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে মাখন সভাপতি ও পলাশ সম্পাদক নির্বাচিত চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের গয়েশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত রাজশাহীতে শিশু হৃদরোগ ইউনিট চালু করতে যাচ্ছে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন গাজায় ৫ বছরের কম বয়সী ৯ হাজার ৩০০ শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে : ইউনিসেফ
এইমাত্রপাওয়াঃ

ঝিনাইদহের মহেশপুরে নিয়ম-বহির্ভূতভাবে গড়ে ওঠা করাত কলের কারণে বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি

স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে নিয়ম-বহির্ভূতভাবে বিপুল সংখ্যক করাত কল (স-মিল) পরিচালিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদারকি না থাকায় পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করেছে।

উপজেলার বারোটি ইউনিয়ন ও পৌরসভাজুড়ে যেসব করাত কল চালু রয়েছে, তার অধিকাংশই অনুমোদনবিহীন এবং “বন শিল্প (করাত কল) নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০১২”–এর প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ।

লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন সার্টিফিকেট ও ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনিরাপত্তা সনদ ছাড়াই এসব প্রতিষ্ঠান প্রতিদিন কাঠ কাটা, বিক্রি ও পরিবহনের মতো কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে যেমন সরকারের রাজস্ব আয় ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি বেড়ে চলছে পরিবেশ দূষণ, শব্দদূষণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর নজরদারির অভাবে অসাধু মালিকরা বসতবাড়ি, স্কুল-কলেজসংলগ্ন এলাকা ও বাজারঘেঁষে করাত কল গড়ে তুলেছে, যা আশপাশের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে রাতে শব্দদূষণ বৃদ্ধি, কাঠের গুঁড়োর ধুলায় শ্বাসকষ্ট, শিশু ও বয়স্কদের অসুস্থতা এবং অগ্নিঝুঁকির কারণে মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

এদিকে বন বিভাগ জানিয়েছে, অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মাঠপর্যায়ে তালিকা তৈরির কাজ চলছে। বন বিভাগের কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নিরাপত্তা সনদ ছাড়া কোনো করাত কল পরিচালনা করা যাবে না।

পরিবেশ অধিদপ্তরের ঝিনাইদহ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মুন্তাছির রহমান জানান, অনুমোদনহীন করাত কল পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এবং আইনগত অপরাধ; তাই মাঠপর্যায়ের যাচাই–বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তারও অনিয়ম বন্ধে কঠোর তদারকি ও আইনি উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

সচেতন মহলের মতে, এসব করাত কলকে আইনের আওতায় আনা গেলে সরকার উল্লেখযোগ্য রাজস্ব পাবে এবং মহেশপুরের পরিবেশ ও জননিরাপত্তা পরিস্থিতি অনেকটা উন্নত হবে। স্থানীয়রা আশা করছেন, দীর্ঘদিনের অনিয়ম কাটিয়ে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় এবার দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page