February 16, 2026, 8:33 am
শিরোনামঃ
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ বর্জনের ঘোষণা দিলেও নির্বাচনের মাঠে ছিলেন আ’লীগ নেতাকর্মীরা ; টিআইবির প্রতিবেদন তারেক রহমানের সঙ্গে কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফোনালাপ নির্বাচন পরবর্তী ১১ দলীয় জোটের প্রথম প্রতিবাদ-বিক্ষোভ কর্মসূচি আজ আইজিপির পদত্যাগের খবর সঠিক নয় : পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মুকুলে ভরে উঠছে রাজশাহীর আমবাগান ;  ভালো ফলনের আশা টুঙ্গিপাড়ায় বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে জখম করেছে জামায়াত-শিবির কর্মীরা খুলনায় পতাকা উত্তোলনের পর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও আগুন টাঙ্গাইলে জামায়াতের অফিসে আগুন ; ওয়ার্ড বিএনপির কার্যক্রম স্থগিত ঠাকুরগাঁওয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা
এইমাত্রপাওয়াঃ

মুকুলে ভরে উঠছে রাজশাহীর আমবাগান ;  ভালো ফলনের আশা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  শীত মৌসুম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজশাহী অঞ্চলের হাজার হাজার আমগাছ মুকুলে ভরে উঠছে। দেশব্যাপী সুস্বাদু আম উৎপাদনের জন্য খ্যাত এ অঞ্চলের বাগানগুলোতে এবার ভালো ফলনের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা।

প্রাথমিক পর্যায়ে মুকুলের প্রাচুর্য, ভালো উৎপাদনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফসল তোলা পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।

আমচাষিরা জানিয়েছেন, রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় আম গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে মুকুলের ঘ্রাণ। মুকুল আসার আগেই তারা গাছের প্রাথমিক পরিচর্যার কাজ শেষ করেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) রাজশাহী অঞ্চলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৯ হাজার ৬০৩ হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হয়। এতে উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫২ মেট্রিক টন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য আবারও ১৯ হাজার ৬০৩ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার  উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৪৬ হাজার মেট্রিক টন।

রাজশাহীর বাঘা, চারঘাট ও পুঠিয়া উপজেলায় বিভিন্ন আম বাগানে মুকুলের আধিক্য চোখে পড়ার মত। স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী কৃষকরা মুকুলকে রোগবালাই থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় কীটনাশক ছিটিয়েছেন।

চারঘাট উপজেলার কালুহাটি গ্রামের আমচাষি মোজাফফর হোসেন বলেন, এবার বাগানে আগেভাগেই মুকুল এসেছে। যদি কুয়াশায় নষ্ট না হয়, তাহলে বিপুল আম উৎপাদন হবে।

চারঘাট এলাকার আমচাষি মাহফুজ আলী বলেন, তিনি সারা বছর গাছের যত্ন নেন বলে ভালো ফলন পান।

তিনি বলেন, এ বছরও আমি গাছের যত্ন নিচ্ছি। ইতোমধ্যে দুয়েকটি গাছে ফুল এসেছে। তবে হপার বা শোষক পোকা সময়মত নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে আম উৎপাদন কমে যেতে পারে।

রাজশাহী ফল গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, এবার মুকুল বেশ আগেভাগেই এসেছে। কিছু গাছে এখন মুকুল আসতে শুরু করেছে। তবে সবগুলো গাছে মুকুল আসবে কিনা তা বুঝতে আরও সময় লেগে যাবে। আশা করা যায়, এবার গত বছরের তুলনায় বেশি মুকুল আসবে।

তিনি আরও জানান, কৃষকদের বাগান পরিচর্যায় ওষুধ ছিটানোর নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। কৃষকরাও বেশি ফলনের আশায় সে অনুযায়ী কাজ করছেন।

ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, কুয়াশায় বড় ধরনের ক্ষতি না হলে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জেলাগুলোতে নতুন আমবাগান, বিশেষ করে আম্রপালি এবং বারি আম-৩ ও ৪ জাতের আমের চাষ প্রতি বছরই বাড়ছে।

নওগাঁ দীর্ঘদিন ধরে ধান চাষের জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু গত বছর এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জকে ছাড়িয়ে সর্বাধিক আম উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

ড. শফিকুল বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে এখনও সর্বাধিক জমিতে আমবাগান রয়েছে। তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তথ্য অনুযায়ী গত ১০ বছরে নওগাঁয় আমচাষের জমি দেড়গুণ বেড়েছে।

নওগাঁয় আমবাগানের জমি এ সময়ে ১৪ হাজার ৯২৫ হেক্টর বেড়েছে, যেখানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেড়েছে ৯ হাজার ৫২০ হেক্টর।

আমচাষ শুধু বাড়ছেই না, পদ্ধতিরও পরিবর্তনও হচ্ছে। শত বছরের জন্য আমবাগান তৈরির পরিবর্তে কৃষকরা এখন মাত্র ১০ বছরের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে বাগান করছেন।

আজকের বাংলা তারিখ

February ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jan    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  


Our Like Page