অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোয় মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে সব গ্রেডে সমান হারে বেতন বৃদ্ধি হবে না; নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা তুলনামূলক বেশি সুবিধা পেতে পারেন। সোমবার জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে আগামী সপ্তাহে কমিটির আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সচিব কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। অনুমোদনের পর গেজেট জারি হলে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে।
নতুন কাঠামোয় শুধু মূল বেতন নয়, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াত ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি অবসরকালীন সুবিধা ও পেনশন ব্যবস্থাও পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বেতন ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ আসতে পারে। সরকারের লক্ষ্য নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো।
উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বশেষ জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল ২০১৫ সালে। এরপর ২০২৫ সালে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দেয়।