April 15, 2026, 8:53 am
শিরোনামঃ
কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী কৃষক ভালো থাকলে সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকবে : প্রধানমন্ত্রী মাদক ও মানব পাচার নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মীয় উৎসবের পর বাংলা নববর্ষ বাঙালিদের সবচেয়ে বড় উৎসব : তথ্যমন্ত্রী রাজশাহীতে রাতে উচ্চশব্দে মোটরসাইকেল চালানোর জেরে সংঘর্ষে ৭ জন আহত কুষ্টিয়ায় পীর শামীম হত্যাকাণ্ডে ২০০ জনকে আসামি করে মামলা উত্তর কোরিয়ায় নৌবাহিনীর ক্রুজ ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা তদারকি করলেন কিম জং উ হরমুজ প্রণালিতে সব পক্ষকে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে : জাতিসংঘ মহাসচিব মার্কিন অবরোধকে সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন বলল ইরান শান্তি আলোচনার বল এখন ইরানের কোর্টে : মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট 
এইমাত্রপাওয়াঃ

নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে ৪ প্রতিষ্ঠানে জমিদান করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে নিজ এলাকায় নানা উন্নয়নের পাশাপাশি দুটি ইউনিয়ন পরিষদ, একটি পৌরসভা ও একটি শিশু হাসপাতাল নির্মাণের জন্য নিজ অর্থায়নে জমি দান করেছেন বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসাবে দেখেছেন তার নির্বাচনী এলাকা (চারঘাট-বাঘার) সর্বস্তরের মানুষ। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, পর পর তিন বারের নির্বাচিত এমপি ও দুই বারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একজন উদার মনের মানুষ। তাকে পুনরায় নির্বাচিত করলে এলাকার উন্নয়ন ধারা চলমান থাকবে।

স্থানীয়রা জানায়, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর একটানা ১৫ বছরে বাঘায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। এর মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়ন, পদ্মার চরাঞ্চলসহ প্রত্যন্ত এলাকায় পাকা রাস্তা, দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ ও অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ, ফায়ার স্টেশন স্থাপন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ, ৩১ শয্যার হাসপাতালকে ৫০ শয্যায় রূপান্তিরত করা, গ্রামীণ অবকাঠাম উন্নয়নের জন্য বয়স্ক ভাতা, বিধাব ভাতা এবং মাতৃত্বকালীন ভাতার সংখ্যা বাড়ানোসহ কৃষিখাতে ঋণ সহায়তা দেওয়ার কারণে বদলে গেছে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান। আর এসব উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে কেবল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহরিয়ার আলমের একান্ত প্রচেষ্টার কারণে।

জানা গেছে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিজ অর্থয়নে আড়ানী পৌর এলাকায় ১০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি ‘মা ও শিশু হাসপাতাল’ নির্মাণের জন্য আড়ানী-রুস্তমপুর রোর্ডের পার্শ্বে ৫৮ শতাংশ জমি ৫০ লাখ টাকায় ব্যক্তিগত অর্থে ক্রয়পূর্বক দান অতঃপর সরকারি অর্থায়নে ভবন নির্মাণের পর  উপজেলার গড়গড়ি এবং চকরাজাপুর উইনিয়ন কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের জন্য ১৫ কাঠা করে মোট ১ বিঘা জমি ৩০ লাখ টাকায় কিনে দান ও  আড়ানী পৌর সভার জন্য এক বিঘা জমি ৩৫  লাখ টাকায় কিনে পৌর সভার নামে রেজিষ্ট্রি করে দিয়েছেন। মন্ত্রী তার সম্মানী ভাতার সমুদ্বয় অর্থ মেধাবী ও গরিব শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করায় তিনি সকল রাজনৈতিক সংগঠনসহ এলাকার সুধীজন এবং সুশীল সমাজের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, এতদিন ভবন নির্মাণের বরাদ্দ মিললেও জমির অভাবে হাসপাতালসহ এই চারটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। মাত্র ৮ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ভবনে চলছিল গড়গড়ি ইউনিয়ন পরিষদের কাজকর্ম। অপরদিকে নতুনভাবে গড়ে উঠা চকরাজাপুর ইউনিয়নটি অস্থায়ী জমির উপরে স্থাপন করা হলেও পরবর্তীতে জমির অভাবে স্থায়ী ভবন নির্মাণ করা যাচ্ছিল না।

ঐ দুই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম ও বাবলু দেওয়ান জানান, আমাদের ইউনিয়ন কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আবেদন দিয়েছি। বরাদ্ধ পেলেই নতুন ভবন নির্মাণ শুরু হবে। এর ফলে উপকৃত হবে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।

গড়গড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান বলেন, বিগত সময়ে অনেক সরকার এসছেন। তবে কোনো সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা গড়গড়ির ইউনিয়ন কমপ্লেক্স নিয়ে ভাবেননি। আর যিনি ভেবেছেন তিনি নিজ অর্থায়নে জমি কিনে দিয়েছেন। এ জন্য আমরা গড়গড়িবাসী তার কাছে চিরঋণী ও কৃতজ্ঞ। তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনে তার ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন।

বাঘা উপজেলা ও কেন্দ্রীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আনজারুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পূরণে আমাদের সংসদ উপজেলার  প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দিয়েছেন একটি করে কম্পিউটারসহ আইসিটি ল্যাব। ঘোষণা দিয়েছেন কেউ যদি তার সন্তানকে পড়ালেখা করাতে ব্যর্থ হন তাহলে সেই শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নেবেন তিনি। একইসঙ্গে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি ব্যয় করছেন জাতীয় সংসদ থেকে প্রাপ্ত সম্মানী ভাতার সমুদ্বয় অর্থ। এটি ইতিবাচক বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে জানতে  চাইলে চারঘাট-বাঘার সংসদ ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সাফল্যজনক কাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকারি অর্থের বাইরে নিজ থেকে কিছু উন্নয়ন করার চেষ্টা করেছি মাত্র। যাতে করে এ অঞ্চলের মানুষ সফলভাবে জীবন যাপন ও চলার পথে নিজেদের গতিশীল করতে পারে। বলা বাহুল্য, বিগত সময়ে এই আসন থেকে অনেকেই এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন। তারা ওয়াদা করেছিলেন বাঘার পদ্মার চরাঞ্চলকে পৃথক একটি ইউনিয়ন বানাবেন। কিন্তু কেউই সে ওয়াদা রক্ষা করেননি। এদিক থেকে আমি আমার ওয়াদা রক্ষা করেছি। এখন চর শুধু আলাদা এইটি ইউনিয়নই নয়, সেখানে পাকা রাস্তাসহ দুই বছর আগে শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তৃণমূল মানুষের চাহিদা বিবেচনা করে চারঘাট-বাঘায় গত ১৫ বছরে অসংখ্য উন্নয়ন করেছি। সেইসঙ্গে জনগণকে কথা দিয়েছি, আমি নির্বাচিত হই-বা না হয় যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন এ অঞ্চলের মানুষের পাশে থাকবো। আগামী জাতীয় নির্বাচনে যদি আমরা পুনরায় সরকার গঠন করতে পারি তবে এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে এবং উত্তরত্তর বৃদ্ধি পাবে।

আজকের বাংলা তারিখ

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  


Our Like Page