March 17, 2026, 6:41 pm
শিরোনামঃ
কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় : প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপে ৫ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার প্রেক্ষিতে শোক জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু অযাচিত যানজট রুখতে কাজ করছে পুলিশ : আইজিপি ১৯ বছর পর চাকরি ফিরে পাচ্ছেন ৩৩০ জন সার্জেন্ট ও এসআই রাজশাহীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২১টি ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার বরিশালে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কিশোরীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ কাবুল ক্লিনিকে হামলায় বিপুল সংখ্যক নিহত কিউবা দখলে নেয়ার হুমকি দিলো ট্রাম্প ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য-ইউক্রেন হরমুজ প্রণালীকে নিরাপদ করতে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর প্রতি সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প
এইমাত্রপাওয়াঃ

চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি বিনিয়োগ আসলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে : বন্দর চেয়ারম্যান

বশির আল-মামুন, চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি বিনিয়োগ আসলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। তথ্যপ্রযুক্তি, আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়বে।নিরাপদে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবল থেকে এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি মুক্ত হওয়ায় দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের আন্তরিকতা, বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতায় এটি সম্ভব হয়েছে। এটা পজেটিভ দিক।  বুধবার (২৪ এপ্রিল) ১৩৭তম বন্দর দিবস উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন চট্টগ্রাম বন্দরের পরিধি বৃদ্ধিতে বে টার্মিনালের চারটি টার্মিনালই হবে বিদেশি বিনিয়োগে।
তৎকালীন ব্রিটিশ-ইন্ডিয়া সরকার ১৮৮৭ সালে পোর্ট কমিশনার্স অ্যাক্ট প্রণয়ন করে যা ২৫ এপ্রিল ১৮৮৮ সালে কার্যকর হয়। তখন থেকেই চট্টগ্রাম বন্দরের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।তাই প্রতিবছর ২৫ এপ্রিল বন্দর দিবস পালন করা হয়।  বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, গত বছর সাফল্য জনক ছিল। পিসিটিতে বিদেশি অপারেটর নিয়োগ দিতে সক্ষম হয়েছি। এতে বন্দর তথা রাষ্ট্র উপকৃত হবে।
বৈদেশিক আয় বাড়বে। শতভাগ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এক দেড় বছরের মধ্যে সব ইকুইপমেন্ট চলে আসবে। গতানুগতিক সিস্টেম থেকে বেরিয়ে ল্যান্ডলর্ড সিস্টেমে বন্দর পরিচালনা শুরু করেছি।
‘বে টার্মিনালের ভূমি পেয়ে গেছি। মাস্টারপ্ল্যান হয়ে গেছে। ১২-১৪ মিটার ড্রাফটের চ্যানেল। সব নকশা চূড়ান্ত হয়ে গেছে। চারটি টার্মিনাল করা হবে। ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে দুইটি টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনা করবে বিদেশি বন্দর প্রতিষ্ঠান। একটি লিকুইড বাল্ক টার্মিনাল করবে দেশি প্রতিষ্ঠান। সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে। বন্দরের মাল্টিপারপাস টার্মিনালে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে বিদেশিরা। বে টার্মিনালের পুরোটাই হবে বিদেশি বিনিয়োগে। সত্যিকার বন্দর নগরের রূপ দেখা যাবে ৪-৫ বছর পর। তখন চট্টগ্রাম বন্দর হবে হাব পোর্ট’।
তিনি বলেন, কোভিড অতিমারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতির প্রত্যাশিত গতি মন্থর করলেও চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে তেমন প্রভাব ফেলেনি। সর্বোচ্চ ২ দিনে জাহাজ লোড আনলোড শেষ করে পরবর্তী গন্তব্যে ছেড়ে দিচ্ছি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে কনটেইনার হ্যান্ডলিং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে এবার ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হবে।
‘অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে জেনারেল কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে ৯ কোটি ১৬ লাখ ৪৯ হাজার টন। এ সময় জাহাজ হ্যান্ডলিং হয়েছে ৩ হাজার ১টি। বিগত বছরে ৪৩ হাজার বর্গমিটার কনটেইনার ইয়ার্ড নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে ২০ ফুটের ৭ হাজার কনটেইনার রাখার সুযোগ হয়েছে। ৪ হাজার ২৭৫ বর্গমিটারের কেমিক্যাল শেড নির্মাণ করা হয়েছে। কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা রক্ষায় উভয় পাড়ে ২ হাজার ৮৫০ মিটার রিভেটমেন্ট কাজ সম্পন্ন হয়েছে’।
তিনি বলেন, মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর তিন-চার বছরের মধ্যে নিজস্ব টার্মিনালে অপারেশন শুরু করবে। সাপোর্ট ভ্যাসেল সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। যাতে টার্মিনাল একদিনও বন্ধ না থাকে। মাতারবাড়ীতে দ্বিতীয় ধাপে ৭০০ একর জমি অধিগ্রহণের জরিপ কাজ চলছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় আমরা আমাদের জলসীমা নিরাপদ রেখেছি। চট্টগ্রাম বন্দর নিরাপদ।
 এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা চাই প্রতিযোগিতা থাক। বায়ার চায় অর্ডার ঠিকমতো ডেলিভারি পাচ্ছে কিনা। দেশে লজিস্টিক সাপোর্ট থাকলে পোশাক কারখানার অর্ডার বাড়বে। পিসিটিতে প্রতি বছরে আড়াই লাখ কনটেইনার হ্যান্ডলিং ভাড়া দিতে হবে কার্যাদেশ পাওয়া বিদেশি অপারেটরকে। সবার কাছে হিসাব আছে বাংলাদেশের চাহিদা সম্পর্কে। বে টার্মিনাল ও গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে বিদ্যমান বন্দর জেটিতে লাইটার জাহাজ ও প্যাসেঞ্জার শিপ ভিড়তে পারবে।
কর্ণফুলী দখল দূষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কর্ণফুলী চট্টগ্রাম বন্দরের হার্ট। এ নদী আমাদের মায়ের মতো। নদী খনন, বর্জ্য অপসারণ নিয়মিত করে যাচ্ছি। নিজস্ব ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে অভিযান চালানো হচ্ছে। বর্জ্য ঠেকাতে বন্দরের পক্ষ থেকে খালের মুখে নেট বসিয়ে দেওয়া হবে। তবে এককভাবে কারও পক্ষে নদী রক্ষা সম্ভব নয়। বন্দরের অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে। ১৯৮৬ সালে নির্ধারিত ট্যারিফে বন্দর চলছে। এখন জ্বালানির দাম বেড়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় আমাদের ট্যারিফ কম। আমরা প্রস্তাবনা তৈরি করেছি। এটা জরুরি।

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page