27 Feb 2025, 12:36 am

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় সমর্থন করে এমন প্রতিটি দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বাড়ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেন, ‘আমরা সকলের কাছাকাছি, চীন, যুক্তরাষ্ট্র বা ভারত। যারা আমাদের উন্নয়নে সহযোগিতা করছেন, আমরা তাদের সঙ্গে আছি। কিন্তু আমরা কারো ওপর নির্ভরশীল নই।’

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ক্যাবল নিউজ নেটওয়ার্ক—সিএনএনকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্ব মঙ্গলবার সকালে (সিএনএন) সম্প্রচার হয়েছে এবং দ্বিতীয় অংশটি মঙ্গলবার রাতে রাতে প্রচারিত হবে।

বিখ্যাত সাংবাদিক রিচার্ড কোয়েস্টের নেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা ইউক্রেনের যুদ্ধ, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এবং ঋণ দেয়ার মাধ্যমে চীনের সৃষ্ট মরণফাঁদ ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে অনেক প্রশ্নের জবাব দেন।

সাক্ষাৎকারে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে জোরালো পদক্ষেপ নিতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘(ইউক্রেনে) অব্যাহত এই যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এই যুদ্ধ বন্ধ করতে বিশ্বের এগিয়ে আসা উচিত।’

যুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে মন্তব্য জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যে কোনো সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করি আমরা। কোনো বিরোধ থাকলে সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা যায়। আমরা কখনই কোনো ধরনের আগ্রাসন বা কোনো সংঘর্ষকে সমর্থন করি না।’

‘আমরা শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করি। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি অত্যন্ত স্পষ্ট, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বিদ্বেষ নয়। আমরা এটি অনুসরণ করছি, তাই যখন আমরা কোনও মানবাধিকার লঙ্ঘন বা আক্রমণ দেখি, আমরা অবশ্যই এর বিরোধিতা করি।’

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে প্রচেষ্টা চালানোর জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধ এক পক্ষের দ্বারা সংঘটিত হতে পারে না, উভয় পক্ষের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটি দেশের নিজস্ব ভূখন্ডে (স্বাধীনভাবে) বসবাস করার এবং তাদের নিজস্ব অঞ্চল রক্ষার অধিকার রয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্র মনে করে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে, এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় সমর্থন করে এমন প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বাড়ছে। আমরা সকলের কাছাকাছি, চীন, যুক্তরাষ্ট্র বা ভারত। যারা আমাদের উন্নয়নে সহযোগিতা করছেন, আমরা তাদের সঙ্গে আছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চীন বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার। তারা বিনিয়োগ করছে এবং কিছু নির্মাণকাজ করছে, এটিই মূল কথা। কিন্তু আমরা কারো ওপর নির্ভরশীল নই।’

চীন থেকে ঋণ নেওয়ার বিষয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্ক। আমরা বিশ্বব্যাংক এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে বেশিরভাগ ঋণ নিয়ে থাকি। চীন থেকে আমাদের ঋণ খুবই কম। এটা শ্রীলঙ্কা বা অন্য কারো মতো নয়।’

শেখ হাসিনা বলেন, অকারণে তাঁর সরকার কোনো ঋণ বা কোনো মেগা প্রকল্প নেয় না। কোনো মেগা প্রকল্প বা ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে আমরা বিবেচনা করি কোনো প্রকল্প থেকে আমরা রিটার্ন পেতে পারি এবং আমরা সুবিধাভোগী হব।

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে বাংলাদেশের কী প্রয়োজন জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছি, তারা যেন তাদের নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে চাপ দেয়। শুধু তাই নয়, আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে সংলাপও শুরু করেছি। দুর্ভাগ্যক্রমে, তারা সঠিকভাবে সাড়া দিচ্ছে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার ইতিমধ্যে চীন, আসিয়ান দেশ, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশের সাথে কথা বলেছে এবং মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে দেশটির উপর চাপ দেয়ার জন্য তাদের অনুরোধ করেছে।

তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, মিয়ানমার সরকার কারো কথাই শুনছে না। এটাই সমস্যা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশি (এক কোটি) মানুষের প্রতিবেশী ভারতে আশ্রয় দেওয়ার কথা বিবেচনা করে মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা (১২ লাখ) বাংলাদেশের জন্য একটি ‘বড় বোঝা’ হয়ে উঠছে। কারণ দেশটিতে অতিরিক্ত জনসংখ্যা থাকা সত্ত্বেও তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের (রোহিঙ্গাদের) খাওয়াতে হবে। আমাকে তাদের (রোহিঙ্গাদের) খাওয়াতে হবে। আমাকে তাদের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে হবে।’

বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও আমরা কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল নয় : সিএনএনকে প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : পবিত্র রমজান মাসে খতমে তারাবি নামাজ পড়ার সময় সারা দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

রমজান মাসে দেশের প্রায় সব মসজিদে খতমে তারাবি নামাজে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোনও কোনও মসজিদে এর ভিন্নতা থাকে। এতে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী মুসলমানদের মধ্যে পবিত্র কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। কোরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন।

এ পরিস্থিতি নিরসনে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে এক পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৬ রমজান দিবাগত রাতে অর্থাৎ পবিত্র শবে কদরে পবিত্র কোরআন খতম করা সম্ভব হবে। এমতাবস্থায় দেশের সব মসজিদে খতমে তারাবির নামাজে প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা করে ও পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াতের অনুরোধ জানানো হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সারা দেশের সব মসজিদের খতিব, ইমাম, মসজিদ কমিটি, মুসল্লি ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই অনুরোধ করা হয়েছে।

 

দেশের সকল মসজিদে একই পদ্ধতিতে তারাবি পড়তে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আহ্বান

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : পৃথিবীর কোনো দেশেই গণতন্ত্র ত্রুটিমুক্ত নয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) আওয়ামী যুবলীগের বংশাল ও কোতোয়ালি থানার ৫টি ওয়ার্ড ইউনিটের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পৃথিবীর কোনো দেশেই গণতন্ত্র ত্রুটিমুক্ত নয়। যারা বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলে, তাদের দেশেই গণতন্ত্র ত্রুটিমুক্ত নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভোট চুরির অপবাদ দিয়েছেন। প্রতিমাসে সেদেশে গণ-গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে। যা গণতন্ত্রের ওপর আঘাত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে ক্রমান্বয়ে ত্রুটিমুক্ত করতে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করছে। গণতন্ত্র ও নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণে আইনগতভাবে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিদেশিদের কাছে নালিশের পাশাপাশি লবিস্ট নিয়োগ করেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির আন্দোলন কাঁদায় আটকে গেছে। আন্দোলনের এ গাড়ি আর উঠবে না। তাদের আন্দোলনে জনগণ নেই। তাদের আন্দোলন নেতাকর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাই তাদের এখন অবলম্বন ষড়যন্ত্র, নাশকতা ও চোরা-গুপ্ত পথ। শেখ হাসিনার মতো দেশে এত উন্নয়ন অর্জন কোনো নেতা করতে পারেনি।

পৃথিবীর কোনো দেশেই গণতন্ত্র ত্রুটিমুক্ত নয় : ওবায়দুল কাদের

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে।

নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় সোমবার (২১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের অ্যাশ সেন্টার আয়োজিত ‘বাংলাদেশ : অ্যাচিভমেন্টস, চ্যালেঞ্জস অ্যান্ড ওয়ে ফরোয়ার্ড’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি।

ড. মোমেন দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল রূপান্তরের পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়নসহ অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক দৃশ্যপটে দেশের অভূতপূর্ব অগ্রগতির ওপর জোর দেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশকে ‘সোনার বাংলায়’ পরিণত করার জন্য সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি এবং কৌশলের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

মোমেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও গতিশীল নেতৃত্বকে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের কৃতিত্ব দেন। তিনি একটি স্থিতিশীল অর্থনীতি এবং বিনিয়োগের গন্তব্যে বাংলাদেশের বিকশিত হওয়ার সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন। তিনি উন্নয়নের রোডম্যাপে স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও গবেষণার ভূমিকার ওপর জোর দেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে এ অঞ্চলে এবং এর বাহিরে ভূ-রাজনৈতিক প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেন। আলোচনায় তিনি রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূলতা, মহামারির পাশাপাশি বৈশ্বিক রাজনৈতিক, আর্থিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অনিশ্চয়তার কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ওপরও আলোকপাত করেন।

আলোচনা অনুষ্ঠানে কেনেডি স্কুলের নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ এবং বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অ্যাশ সেন্টারের আন্তর্জাতিক বিষয়ক অধ্যাপক এবং হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের রাজাওয়ালি ফাউন্ডেশন ইনস্টিটিউট ফর এশিয়ার পরিচালক অ্যাথনি সাইচ স্বাগত বক্তব্য দেন।

নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম সমাপনী বক্তব্য দেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ সরকার এবং অ্যাশ সেন্টারের মধ্যে সহযোগিতা আগামী দিনে আরও সুসংহত হবে।

 

আমেরিকার হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলে বাংলাদেশের অগ্রগতির গল্প বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে মোমেন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : দেশে চালের অভাব নেই, কেউ কৃত্রিম সংকট করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুশিযারি উচ্চারণ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) খাদ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন রমজান মাসে চালের বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশে চালের অভাব নেই। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানো হয়। কেউ কৃত্রিম সংকট করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যখন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মিটিং করা হয় তখন চালের দাম কমে। তারপর আবার বাড়ে। বাড়ার সময় ৫ টাকা বাড়লেও কমার সময় সেভাবে কমে না। ব্যবসায়ীরা এক টাকা কমিয়ে বলে চালের দাম কমেছে। চাল ব্যবসায়ীদের এ প্রবণতা ত্যাগ করা উচিত।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালে দুর্ভিক্ষ হতে পারে, বিশ্ব ব্যাংকের এমন ঘোষণার পর অনেকেই অন্যায্যভাবে চালের দাম বাড়িয়েছেন, মজুত করেছেন। সেটা নিয়ন্ত্রণে ওএমএস বাজারে ছাড়তে হয়েছে। সরকার আমদানি করেছিল বলে বিতরণ করতে পেরেছে।

তিনি বলেন, সরকার বিভিন্নভাবে বাজারে সরবরাহ ও দাম মনিটরিং করে। শুধু রমজান মাসেই নয় এ মনিটরিং সারা বছর চলে এবং চলবে। লাইসেন্স ছাড়া কেউ দেশে ধান চালের ব্যবসা করতে পারবে না। এটা করতে হলে তার ফুড গ্রেইন লাইসেন্স থাকতে হবে। আড়তদারদেরও এ লাইসেন্স থাকতে হবে। এটা নিয়মিত মনিটরিং হচ্ছে। ১৫ দিন পর পর কতটুকু তিনি ক্রয় করেছেন, কতটুকু বিক্রয় করেছেন তার রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

দেশে চালের অভাব নেই ; কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা : খাদ্যমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে ইসির গেজেটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিট খারিজ করে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার বিচারপতি।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আইনজীবী এম এ আজিজ খানের রিট আবেদন খারিজ করেন। এর ফলে নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণসহ পরবর্তী কার্যক্রমে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

এর আগে, গত ১৫ মার্চ মো. সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে ইসির গেজেটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা দুটি রিট খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবির লিটনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিনকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল ঘোষণা দেন, মো. সাহাবুদ্দিন প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ার বৈধতার রিট আপিল বিভাগেও খারিজ ; কোন বাধা নেই শপথ গ্রহণে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় চতুর্থ পর্যায়ে ৩৯ হাজার ৩৬৫টি ঘর পাচ্ছেন গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার।

বুধবার (২২ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের হাতে এই ঘর তুলে দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সূত্রটি জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে দেশের তিনটি উপজেলায় যুক্ত হয়ে চতুর্থ পর্যায়ের ঘর ও জমি হস্তান্তর করবেন।

এদিন গাজীপুরে শ্রীপুর উপজেলায় নয়াপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নওয়াগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং বরিশালের বানারীপাড়ার উত্তরপাড় আশ্রয়ণ প্রকল্পে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী।

 

আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাচ্ছেন আরও ৩৯ হাজার ৩৬৫ পরিবার

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। ২০২২ সালে মানবাধিকার কেমন ছিল এই বিষয় নিয়ে সোমবার (২০ মার্চ) বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তারা।

এতে স্টেট সেক্রেটারি ব্লিঙ্কেন বলেন, মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা শুরু হয়েছে ‘সর্বজনীন’ শব্দ দিয়ে। কারণ বিশ্বের দেশগুলো সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে কিছু নির্দিষ্ট অধিকার রয়েছে যা (বিশ্বের) প্রতিটি মানুষ, সর্বত্র ভোগ করার অধিকার রাখেন। যুক্তরাষ্ট্র সেই সকল অধিকার রক্ষায় বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার ও স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামী মানুষের পাশে থেকে সবসময় সমর্থন করে যাবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, স্বতন্ত্র ব্যক্তির অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন একটি অধিকতর নিরাপদ, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধশালী বিশ্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করে। (মানুষের) মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষা করার মধ্য দিয়ে দেশ হিসেবে আমাদের পরিচিতির মূল দিকটি ফুটে উঠে। যুক্তরাষ্ট্র সম্মান, শ্রদ্ধা ও অংশীদারিত্বের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিয়মিতভাবে মানবাধিকারের বিষয়গুলো বাংলাদেশ সরকারের কাছে তুলে ধরছে। আমরা এই ধারা আগামীতেও অব্যাহত রাখব।

যুক্তরাষ্ট্রের state.gov ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ২০২২ কান্ট্রি রিপোর্টস অন হিউম্যান রাইটস প্রাকটিসেস প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ছাড়াও এই প্রতিবেদনে থাকা অন্যান্য দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কেও জানা যাবে। প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে তুলে ধরা হয়েছে।

 

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদন প্রকাশ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বাংলাদেশে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৬টিতে। গত দুই বছরে এমন হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে ১৬ হাজার। কেবল ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে ৭ হাজার ৯৭০টি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০২২ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানত ১৩ কোটি ৬২ লাখ ৪৯ হাজার ৭৬৪টি। এসব হিসাবে মোট জমার পরিমাণ ১৫ লাখ ৮৮ হাজার ১০ কোটি টাকা। এরমধ্যে এক কোটি টাকার বেশি আমানত রয়েছে এক লাখ ৯ হাজার ৯৪৬টি হিসাবে। শুধু কোটি টাকার ওপরে এসব হিসাবে জমার পরিমাণ ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বেশি।

এক বছর আগে অর্থাৎ ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে মোট আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৪৮ লাখ ৯৬ হাজার ৯৩৪টি। এসব হিসাবে জমার পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ ১২ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। আর কোটি টাকার ওপরে এক লাখ এক হাজার ৯৭৬টি হিসাবে জমার পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা। ২০২০ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকগুলোতে কোটি টাকার বেশি আমানতের হিসাব ছিল ৯৩ হাজার ৮৯০টি। হিসাবগুলোতে জমার পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৯৫ হাজার ২৮৬ কোটি টাকা।

অন্যদিকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এক কোটি এক টাকা থেকে পাঁচ কোটি টাকার আমানতকারীর হিসাব সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৭ হাজার ১৬৭টি। যেখানে জমার পরিমাণ এক লাখ ৮০ হাজার ৬৯০ কোটি টাকা। পাঁচ কোটি থেকে ১০ কোটির ১১ হাজার ৯৪৫টি হিসাবে জমার পরিমাণ ৮৪ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা।

এছাড়া ১০ কোটি থেকে ১৫ কোটি টাকার হিসাবের সংখ্যা রয়েছে তিন হাজার ৮৪৫টি, ১৫ কোটি থেকে ২০ কোটির মধ্যে ১৮৩৩টি, ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটির মধ্যে এক হাজার ১৪৩টি, ২৫ কোটি থেকে ৩০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৮৮৭টি আমানতকারীর হিসাব।

আর ৩০ কোটি থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ৪৭২টি এবং ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটির মধ্যে রয়েছে ৩১৫টি, ৪০ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকার হিসাব সংখ্যা ৫৭৭টি। তাছাড়া ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা হিসাবের সংখ্যা এক হাজার ৭৬২টি। এসব হিসাবে দুই লাখ ২৯ হাজার ৭৯৬ কোটি টাকা জমা রয়েছে।

 

বাংলাদেশে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৬ কোটিপতির ব্যাংক হিসাব চলমান

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি দলের ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছিলেন।

মঙ্গলবার (২২ মার্চ) তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করে।

 

বিএনপি থেকে সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ বহিষ্কার