April 25, 2026, 3:22 pm
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার মানুষের আশার প্রতিফলন : প্রধানমন্ত্রী জামায়াত আমির কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী উপায় না পেয়েই তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে : পরিবহন মন্ত্রী আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত পিরোজপুরে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবক নিহত বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পরিত্যাগ করতে হবে : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক সক্ষমতার সামান্যই ব্যবহার করা হয়েছে : ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
এইমাত্রপাওয়াঃ

ইউক্রেনের পাল্টা আক্রমণ প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বহুল প্রত্যাশা ও অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমাদের পাঠানো কয়েক বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র নিয়ে গত জুনে রাশিয়ার সেনাদের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইউক্রেনের সেনারা। এরপর কেটে গেছে দুই মাস।

ইউক্রেনের পাল্টা আক্রমণের লক্ষ্য ছিল— দখলকৃত অঞ্চলগুলো থেকে রুশ বাহিনীকে পিছু হটানো। দুই মাস শেষে সেই পাল্টা আক্রমণ কতটা সফল হয়েছে সেটি বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

বিবিসি শনিবার (৫ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে বলেছে, এখন পর্যন্ত প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি এই পাল্টা আক্রমণ।

সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের দখলকৃত অঞ্চলগুলোর ম্যাপ ঘেঁটে দেখা গেছে— দুই মাস আগে রুশ বাহিনীর দখলে যেসব অঞ্চল ছিল— সেগুলোর খুবই কম অংশ থেকে তাদের হটাতে সমর্থ হয়েছে ইউক্রেন। এখনো ইউক্রেনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ রুশ সেনাদের দখলে রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে দোনেস্কের শহর, পূর্ব দিকের মারিউপোল।

তবে ইউক্রেন যে একেবারে সাফল্য পায়নি এমনটি নয়। তারা বাখুমুতে কিছু অঞ্চল শত্রুমুক্ত করেছে। জাপোরিঝিয়ায় কিছু অঞ্চলে রুশ বাহিনীর প্রতিরোধ ভেদ করতে সমর্থ হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের জাপোরিঝিয়া ইউক্রেনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারা যদি এদিকটায় রুশ বাহিনীর দুর্গ ভেদ করতে পারে তাহলে তারা দই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে।

লাল  চিহ্নিত অঞ্চলগুলো রয়েছে রাশিয়ার দখলে, ডোরাকাটা সাদা-লাল চিহ্নিত অঞ্চলে রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ সীমিত, নীল চিহ্নিত অঞ্চল রুশ বাহিনীর কাছ থেকে পুনর্দখল করেছে ইউক্রেনের সেনারা, আর যে গোল চিহ্নিত অঞ্চল দেখা যাচ্ছে সেখানে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে রুশ বাহিনী।

পাল্টা আক্রমণ শুরুর আগে ইউক্রেন ও পশ্চিমাদের প্রত্যাশা ছিল ইউক্রেনীয় সেনারা তড়িৎ গতিতে তাদের দখলকৃত অঞ্চলগুলো পুনর্দখল করতে পারবে। কিন্তু সেটি হয়নি।

কেন পাল্টা আক্রমণ প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি?

গত দুই মাসে ইউক্রেনের সেনারা ১৬ কিলোমিটার জায়গা অগ্রসর হয়েছেন বলে দাবি করেন স্বাধীন বিশ্লেষকরা। তারা অগ্রসর হয়েছে ঠিকই তবে তা প্রত্যাশার চেয়ে অনেক ধীরগতির।

ইউক্রেনের সেনারা পশ্চিমা অস্ত্র ব্যবহার করে তিন দিক দিয়ে আগাচ্ছে। এছাড়া ৭০০ কিলোমিটার বিস্তৃত যুদ্ধের সম্মুখভাগে রুশ বাহিনীর দুর্বল জায়গা খুঁজছে।

তবে ইউক্রেনীয় বাহিনীর পাল্টা আক্রমণ সম্পর্কে আগেই বুঝতে পেরেছিল রুশ সেনারা। আর এ কারণে কয়েক মাস ব্যয় করে তারা গড়ে তুলেছে কঠিন দুর্গ। যা সাম্প্রতিক সামরিক ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী দুর্গ।

তারা তিন ধাপে পরিখা, বাঙ্কার, ট্যাংক আটকানোর জন্য কংক্রিটের পিরামিড (কথিত ড্রাগন টিথ) ও খাদ তৈরি করেছে। এছাড়া বিছিয়েছে হাজার হাজার মাইন। যা ইউক্রেনীয় সেনাদের অগ্রসর রুখে দিয়েছে। স্যাটেলাইটে তোলা ছবিতে দেখা গেছে কীভাবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে তারা।

লন্ডনের কিংস কলেজের সামরিক বিশেষজ্ঞ মারিনা মিরন বলেছেন, দক্ষিণ দিকে যে সাফল্য পাওয়ার প্রত্যাশা ইউক্রেন করেছিল সেখান থেকে তাদের সরে আসতে হয়েছে। এছাড়া ক্রিমিয়া পুনর্দখলের যে স্বপ্ন তারা দেখেছে সেটিও এখনই পূরণ হচ্ছে না।

এর বদলে এখন ইউক্রেনের সেনারা দক্ষিণ দিকে তোকমাক অঞ্চলটি দখলের পরিকল্পনা করতে পারে। যেটি দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে অবস্থিত। এই এলাকাটি নিজেদের রসদ পরিবহনে ব্যবহার করছে রুশ বাহিনী।

জুনে তোকমাকে বিশাল বহর নিয়ে গিয়েছিল ইউক্রেনের সেনারা। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে ব্যাপকভাবে বিপর্যস্ত হয় তারা। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পুরো বহরই হারায় তারা।

রাশিয়ার কঠিন প্রতিরোধ ব্যবস্থা। উপরের দিকে তারা তৈরি করেছে ট্যাংক আটকানোর খাদ, দ্বিতীয় ভাগে কংক্রিটের তৈরি ড্রাগন টিথ; এটিও ট্যাংক আটকাতে বানানো হয়েছে, তৃতীয় ভাগে পরিখা, আর শেষ ভাগে কামান স্থাপন করেছে তারা।  সূত্র: বিবিসি

 

আজকের বাংলা তারিখ

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  


Our Like Page