June 28, 2026, 1:53 pm
শিরোনামঃ
মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী   এ বছরই আমি দেশে ফিরব : শেখ হাসিনা সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব আগস্টের শেষেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে রূপপুরের বিদ্যুৎ কক্সবাজারে নিখোঁজের একদিন পর ৭ কিলোমিটার দূরে পর্যটকের লাশ উদ্ধার রাজশাহীতে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ব্যবসায়ী নিহত পৃথিবীতে ইরানের অস্তিত্ব থাকবে না : ট্রাম্প স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ নেই : নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে : ইরান
এইমাত্রপাওয়াঃ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির সঙ্গে মুখোমুখি’ সংলাপে বসতে রাজি ট্রাম্প

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনে সরাসরি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে বসে আলোচনা করতে চান। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ট্রাম্প সুযোগ পেলেই এমন বৈঠক করবেন, তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান স্পষ্ট এবং তা কঠোর।

রুবিও বলেন, কখনোই ইরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জনের অনুমতি দেওয়া হবে না। যদি ইরানের হাতে পরমাণু বোমা চলে যায়, তা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলবে। তবে ইরানের সঙ্গে সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে কূটনীতিক পথই মার্কিন প্রশাসনের অগ্রাধিকার।

রুবিওর কথায়, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র পেতে দেওয়া হবে না কখনও। এটা স্পষ্ট। তবে কূটনীতির মাধ্যমেই সমাধানে আমরা আগ্রহী।’

তাহলে কেন পশ্চিম এশিয়ায় সেনা মোতায়েন করেছে আমেরিকা? রুবিও জানান, অতীতে আমেরিকার স্বার্থের উপর একাধিক বার আঘাত করেছে ইরান। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই সেনার সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইরানের আশপাশে পশ্চিম এশিয়ায় সেনা মোতায়েন করে চলেছে আমেরিকা। পারস্য উপসাগরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন।

ট্রাম্প প্রকাশ্যেই জানিয়েছেন, দ্বিতীয় রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ডকে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ থেকে পশ্চিম এশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানে দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে আমেরিকার বাহিনী। ট্রাম্পের নির্দেশ পেলেই আক্রমণ করা হবে। এই পরিস্থিতিতে রুবিও জানালেন, পশ্চিম এশিয়ায় সেনা মোতায়েনের উদ্দেশ্য আদৌ সংঘাত বৃদ্ধি নয়। বরং আমেরিকার সেনা এবং কাঠামোর উপর ইরানের সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধ করতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। কূটনীতিই তার প্রশাসনের অগ্রাধিকার।

মার্কো রুবিও বলেন, আমি এমন একজন প্রেসিডেন্টের জন্য কাজ করি, যিনি সকলের সঙ্গে দেখা করতে প্রস্তুত। আমাদের প্রেসিডেন্ট সবসময় চুক্তি ও সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চান।

সুযোগ এলে খামেনির সঙ্গেও ট্রাম্প দেখা করবেন, জানিয়েছেন রুবিও। তবে ট্রাম্প খামেনেইয়ের মুখোমুখি বসলেও ইরানের পরমাণু পরিকল্পনা নিয়ে আমেরিকার অবস্থান বদলাবে না, স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। যদি ভবিষ্যতে তেমন কোনও বৈঠক হয়, তা হবে সংঘাত থামানোর স্বার্থে। ইরানের দাবিদাওয়া মেনে নিয়ে তাদের উপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নেবে না আমেরিকা।

ইরান এবং আমেরিকার আধিকারিকদের মধ্যে ওমানে এক দফা আলোচনা হয়েছে। সুইজারল্যান্ড জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে ওমানে ফের এই দুই দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page