June 26, 2026, 7:27 pm
শিরোনামঃ
রাতে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী ; শোডাউন না করার নির্দেশ শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী ধরার পর হেরোইন কিভাবে যেন আটা-ময়দা হয়ে যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহজালাল মাজারে পাট মন্ত্রীর নেতৃত্বে ১২ জনের কমিটি মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা অন্তত এক টাকা হলেও বাড়াতে হবে : ফজলুর রহমান পাবনায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৮ জন আহত কুমিল্লায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ  যুক্তরাজ্যে ১ কোটি পাউন্ড কর দিয়ে শীর্ষ করদাতার তালিকায় রাজা চার্লস হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলা ; আটকে পড়া হাজারো নাবিকের উদ্ধার অভিযান স্থগিত আফগানিস্তানে সরকারি কর্মকর্তাদের স্মার্টফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা
এইমাত্রপাওয়াঃ

জেলেনস্কির সরাসরি বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন পুতিন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সরাসরি আলোচনার জন্য ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দেওয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, বর্তমানে জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের কোনো প্রয়োজন দেখছেন না।

গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এক খোলা চিঠিতে পুতিনকে মুখোমুখি আলোচনার আহ্বান জানান জেলেনস্কি। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২২ সালে শুরু হওয়া যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সক্রিয়ভাবে মধ্যস্থতা করবে এমন আশা করা ভুল হবে। ইরানকে ঘিরে নতুন সংকটের কারণে ওয়াশিংটনের মনোযোগ অন্যদিকে সরে যাওয়ায় যুদ্ধবিরতা আলোচনাও কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

তবে জেলেনস্কির এই উদ্যোগকে ‘অমার্জিত’ বলে মন্তব্য করেছেন পুতিন। নিজের আগের অবস্থা পুনর্ব্যক্ত করে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছেন, কোনও ধরনের যুদ্ধবিরতির আগে শান্তি আলোচনা হওয়া উচিত।

শুক্রবার (৫ জুন) সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত রাশিয়ার বার্ষিক অর্থনৈতিক ফোরামে পুতিন বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি এমন বৈঠকের কোনো প্রয়োজন দেখছি না। এটি কি সত্যিই আলোচনার অনুকূল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা ছিল, নাকি বৈঠক এড়ানোর একটি পদক্ষেপ-আমার মনে হয় দ্বিতীয়টিই সঠিক।’

পুতিনের এই প্রতিক্রিয়া শোনার পর ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ‘রাশিয়া আবারও যুদ্ধকেই বেছে নিচ্ছে। তিনি (পুতিন) যুদ্ধ শেষ করতে চান না। আমার মনে হয় বিশ্বের অনেক মানুষই এই উত্তরে হতাশ হয়েছে।’

যুদ্ধ অবসানের শর্ত হিসেবে রাশিয়া বরাবরই কয়েকটি দাবি তুলে ধরছে। এর মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনকে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও ঝাপোরিজ্জিয়া অঞ্চল থেকে সরে যেতে হবে এবং ন্যাটোতে যোগদানের প্রচেষ্টা বাদ দিতে হবে।

তবে কিয়েভ কোনো ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে রাজি নয়। ইউক্রেনের যুক্তি হলো, মস্কোকে কোনও ধরনের ভূখণ্ডগত ছাড় দিলে ভবিষ্যতে তারা আরও আগ্রাসী হয়ে আবারও আক্রমণ করতে উৎসাহিত হতে পারে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page