October 13, 2026, 3:49 pm
শিরোনামঃ
দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়তে প্রতিটি পরিবারের সচেতনতা জরুরি : রাষ্ট্রপতি সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের ৩৫ বছর বয়সের পর আইনজীবী হওয়ার পথ বন্ধ করা হবে : আইনমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে প্রকৌশলীদের বদলি-পদায়ন করা হচ্ছে : গণপূর্ত মন্ত্রী প্রধান শিক্ষকের পুনর্বহাল নিয়ে সংঘর্ষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ১৩ জন আহত কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে হত্যা ইরানে সম্ভবত অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি : ট্রাম্প ৩ বছর মেয়াদি নতুন চুক্তিতে রাশিয়া-উত্তর কোরিয়া ইয়েমেনে রাজধানীতে ব্যাপক হামলার প্রস্তুতি ; বেসামরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ সৌদি জোটের নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে ‘জিরো টলারেন্স’ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি
এইমাত্রপাওয়াঃ

উচ্চ ফলনশীল ব্রি-ধান-৭৬ দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের হাতছানি দিচ্ছে 

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বালাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত লবন-জোয়ার-ভাটা সহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল ব্রি-ধান-৭৬ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের হাতছানি দিচ্ছে।
এ ধান চাষ নিচু জমিতে আবাদ করে কৃষক বিঘা প্রতি ১২ থেকে ১৪ মন পর্যন্ত ফলন পেয়েছেন। যা স্থানীয় জাতের তিগুনের চেয়েও বেশি।
কৃষকরা গোপালগঞ্জ জেলার স্থানীয় জাবরা, জৈনা, ময়নামতি ধান ও বাগেরহাট জেলার স্থানীয় জাত মন্তেশ্বরের পরিবর্তে কৃষক ব্রি-ধান-৭৬ আবাদ করে তিনগুনেরও বেশি ফলন পেয়েছেন। তাই এ জাত ছড়িয়ে দিতে পারলে আমন মৌসুমে দক্ষিণাঞ্চলের নিচু জমিতে ধানের উৎপাদন অন্তত: তিনগুন বৃদ্ধি পাবে। এ অঞ্চল খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয় গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট ও নড়াইল জেলার ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে।
প্রতিষ্ঠানটি সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌমুমে গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাট জেলায় বিনামূল্যে ১ হাজার ২৭০ কেজি ব্রি-ধান-৭৬ বীজ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
বীজ দিয়ে গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গিপাড়া, বাগেরহাট জেলার মংলা, রামপাল, মোড়েলগঞ্জ ও শরনখোলার কৃষক ২৫৪টি প্রদর্শনী প্লটে ব্রি-ধান-৭৬ এর আবাদ করেন। ৩৩ শতাংশের বিঘায় এ ধান ১২ থেকে ১৪ মন পর্যন্ত ফলন দিয়েছে। স্থানীয় জাত জাবরা, জৈনা, ময়নামতি ও মন্তেশ্বর বিঘায় ৪ থেকে ৫ মন ফলন দিয়ে থাকে।
গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমরিয়া গ্রামের কৃষক আহমেদ আলী বলেন, নিচু জমিতে স্থানীয় জাত জাবরা, জৈনা, ময়নামতি চাষ করতাম। এতে বিঘা প্রতি ৪ থেকে ৫ মন ফলন পেতাম। কিন্তু এ বছর ব্রি-ধান-৭৬ আবাদ করে বিঘা প্রতি ১৩ মন ফলন পেয়েছি। লবন-জোয়ার-ভাটা সহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল ব্রি-ধান-৭৬ চাষে আশার আলো দেখছি। আমাদের এলাকার চাষিরা এত ফলন দেখে আগামী বছর ব্রি-ধান-৭৬ চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্র্তা সৃজন চন্দ্র দাস বলেন, বীজ তলায় ব্রি-ধান-৭৬ এর চারা ৩০ দিনেই ৬০ সেন্টিমিটারের চেয়েও বড় হয়। লবনাক্ত নিচু জমিতে এ ধানের চারা রোপণ করে দিতে হয়। জোয়ারভাটা সহিষ্ণু এ জাতের ধান ১৪০ দিনেই স্থানীয় জাতের তুলনায় তিনগুনেরও বেশি ফলন দেয়। দক্ষিণাঞ্চলে এ ধানের জাত ছড়িয়ে দিতে আমরা কাজ করছি। দক্ষিণাঞ্চলে এ ধানের জাত ছড়িয়ে দিয়ে আমরা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হব।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ খামারবাড়ির উপ-পরিচালক আ. কাদের সরদার বলেন, নিচু জমিতে ব্রি-ধান-৭৬ এর বাম্পার ফলন হয়েছে। এ জাত দক্ষিণাঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের হাতছানি দিচ্ছে। ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) বীজ সরবরাহ করলে আমরা এ জাত কৃষক র্পায়ে ছড়িয়ে দেব।
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের  গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ড. মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, লবন-জোয়ার-ভাটা সহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল ব্রি-ধান-৭৬ কৃষক র্পায়ে জনপ্রিয় করতে আমরা বীজ উৎপাদন বাড়াব। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে এটি ছড়িয়ে দিয়ে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করব ইনশাল্লাহ।

আজকের বাংলা তারিখ

  • ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৮শে আশ্বিন, ১৪৩৩
  • ১লা জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮
October ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Sep    
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  


Our Like Page