May 6, 2026, 8:51 am
শিরোনামঃ
এইমাত্রপাওয়াঃ

কক্সবাজারের সমুদ্র উপকূলে ট্রলার থেকে ১০ লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামি রিমান্ডে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : কক্সবাজারের সমুদ্র উপকূলে ট্রলার থেকে ১০ লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামির পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে সদর থানা পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে পাঁচ দিন করে মঞ্জুর করেন কক্সবাজার সদরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শ্রীজ্ঞান তঞ্চঙ্গা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সদর থানার এসআই দূর্জয় বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রিমান্ডে নেওয়া ব্যক্তিরা হলেন মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি কামাল প্রকাশ ওরফে বাইট্টা কামাল এবং ৪ নম্বর আসামি করিম শিকদার।

এর আগে মঙ্গলবার বিকালে মহেশখালীর মাতারবাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম। এর মধ্যে কামাল ট্রলার মালিক এবং করিম ট্রলারের মাঝি। একই দিন বিকালে কামাল ও করিমসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন নিহত ট্রলার মালিক সামশুল আলম মাঝির স্ত্রী রোকেয়া বেগম।

মামলার এজাহারভুক্ত অপর দুই আসামি হলেন মাতারবাড়ির আনোয়ার হোসেন ও বাবুল মাঝি। এ ছাড়া অজ্ঞাত ৫০-৬০ জনকে মামলার আসামি করা হয়।

সদর থানার এসআই দূর্জয় বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়ায় গ্রেফতার দুই আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আজ থেকে তাদের রিমান্ড শুরু হবে। রিমান্ডে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদে মূল ঘটনা জানা যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একইসঙ্গে মামলার এজাহারভুক্ত অপর দুই আসামি ও ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের পাঁচটি টিম কাজ করছে।’

এদিকে মঙ্গলবার বিকালে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ছয় জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। বাকি চার লাশ সদর হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। কারণ লাশগুলো এতই বিকৃত হয়েছে যে, কে কার স্বজন তা নিশ্চিত করা কঠিন। এ জন্য সেগুলোর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় সিআইডির হেডকোয়ার্টার্সে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর লাশ হস্তান্তর করা হবে।’

রবিবার সকালে রশি দিয়ে একটি ভাসমান ট্রলার টেনে বাঁকখালী নদীর মোহনা সংলগ্ন নাজিরারটেক পয়েন্টে নিয়ে আসেন স্থানীয় জেলেরা। খবর পেয়ে দুপুর ২টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে ১০ জনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। পরে লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। রবিবার বিকাল ও সন্ধ্যায় সদর হাসপাতালের মর্গে এসে স্বজনরা ১০ জনের লাশ শনাক্ত করেন।

স্বজনদের দাবি, নিহতরা হলেন হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলা পাড়ার রফিক মিয়ার ছেলে ট্রলার মালিক সামশুল আলম (২৩), শাপলাপুর ইউনিয়নের মিটাছড়ি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (১৮), জাফর আলমের ছেলে সওকত উল্লাহ (১৮), মুসা আলীর ছেলে ওসমান গনি (১৭), সাহাব মিয়ার ছেলে সাইফুল্লাহ (২৩), মোহাম্মদ আলীর ছেলে পারভেজ মোশাররফ (১৪), মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে নুরুল কবির (২৮), চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের কবির হোসাইনের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৪), শাহ আলমের ছেলে মোহাম্মদ শাহজাহান (৩৫) ও চকরিয়া পৌরসভার চিরিঙ্গা এলাকার জসিম উদ্দীনের ছেলে তারেক জিয়া (২৫)।

আজকের বাংলা তারিখ

May ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Apr    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১


Our Like Page