October 29, 2026, 7:17 am
শিরোনামঃ
যশোরের ঝিকরগাছায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে যুবক খুন অগ্নিকাণ্ডে নিহতের দীর্ঘ ১১ দিন পর যশোরে পৌঁছেছে চারটি মরদেহ যশোরে যুবলীগ নেতা আলমগীর আটক বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চালকদের আচরণ ও ফিটনেসের কথা বললেই গাত্রদাহ হয় : সড়কমন্ত্রী শুধু একটি নয় ; ভবিষ্যতের সব নির্বাচনই ভালো করার লক্ষ্য ইসির : সিইসি হবিগঞ্জে আইফোনের লোভে বন্ধুকে গলা কেটে হত্যা ; মরদেহ মিললো ডোবায় চট্টগ্রামে ধানক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে কৃষকের দুই হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার খুব শিগগির ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হয়ে উঠবে : ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের সাহায্য ছাড়াই মধ্যপ্রাচ্যের সংকট সমাধান সম্ভব : ইরানের প্রেসিডেন্ট
এইমাত্রপাওয়াঃ

কুমিল্লায় ছাত্রের বিরুদ্ধে শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : কুমিল্লার তিতাসে ক্লাস চলার সময় কথা না বলতে বলায় শিক্ষককে কিল ও ঘুষি মারার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রোববার (১৯ মে) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের মজিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম সোলাইমান। সে উপজেলার মজিদপুর এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে এবং মজিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

অপরদিকে ভুক্তভোগী শিক্ষকের নাম আতিকুর রহমান আতিক। তিনি মজিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিতের সহকারী শিক্ষক।

একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী জানান, বেলা সাড়ে ১১টায় বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির গণিত পাঠদানের জন্য শ্রেণিকক্ষে যান সহকারী শিক্ষক মো. আতিকুর রহমান। এ সময় শিক্ষার্থী মো. সোলায়মান ও মাসুম একে অপরের সঙ্গে অশ্লীল বাক্য বিনিময় ও কথা কাটাকাটি করছিল। তখন শ্রেণিকক্ষে আসা শিক্ষক আতিকুর রহমান তাদেরকে শান্ত হতে বলেন।

কিন্তু সোলায়মান শান্ত না হয়ে স্যারের ওপর ক্ষিপ্ত হয় এবং গালাগালি করে স্যারের কাছে তেড়ে আসে। এসময় শিক্ষক আতিক অভিভাবককে ফোন দেওয়ার জন্য পকেট থেকে মোবাইল বের করার সঙ্গে সঙ্গে সোলায়মান এলোপাথাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে। একপর্যায়ে শিক্ষককে গলায় ধরে তাকে টেবিলের নিচে মাথা ঢুকিয়ে আহত করে।

এ সময় আতিকুর রহমানের মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষে ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা সোলায়মানকে মারধরের চেষ্টা করলে শিক্ষকরা তাকে শ্রেণিকক্ষে আটকে রাখে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের শান্ত করে এবং সোলায়মানকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

সোলায়মান নবম শ্রেণির ফার্স্টবয়। সে মজিদপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে এবং বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত অভিভাবক সদস্য মো. জসিম উদ্দিনের ভাতিজা।

মজিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন কুমার সূত্রধর জানান, হৈ চৈ হওয়ার পর আমরা শ্রেণিকক্ষে গিয়ে দেখি আতিক স্যার আহত অবস্থায় পড়ে আছে। একজন শিক্ষার্থী শিক্ষকের সঙ্গে যে আচরণ করেছে তা খুবই দুঃখজনক। আমি একজন শিক্ষক হিসেবে এর সঠিক বিচার চাই।

তিতাস থানার ওসি কাঞ্চন কান্তি দাশ বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ পাঠানো হয়। ছেলেটিকে উদ্ধার করা পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। শিক্ষকরা যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেই আলোকে পুলিশ কাজ করবে।

আজকের বাংলা তারিখ

  • ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩
  • ১৭ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮


Our Like Page