November 29, 2025, 7:05 am
শিরোনামঃ
মাগুরায় জমিতে ইটের প্রাচীর দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের আঘাতে ৪ জন আহত  জামায়াত নেতা শাহজাহানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানালো অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটময়’ : বিএনপি মহাসচিব ক্ষমতায় এলে সবাইকে নিয়েই সরকার গঠন করবে জামায়াত : ডা. শফিকুর রহমান  যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরলেন আরও ৩৯ বাংলাদেশি আগামী রোববার শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন ময়মনসিংহে বন্ধুকে খুন করে কুড়াল হাতে থানায় হাজির যুবক বগুড়ায় ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক  টাঙ্গাইলে ডিজিটাল মিটারের ভুতুড়ে বিলে দিশেহারা পল্লী বিদ্যুতের লক্ষাধিক গ্রাহক সিরাজগঞ্জের নারী ইউপি সদস্যকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ
এইমাত্রপাওয়াঃ

গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান রেখে উপদেষ্টা পরিষদে অধ্যাদেশ অনুমোদন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। প্রস্তাবিত আইনে গুম করার অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে গণমাধ্যমে ব্রিফি করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম।

প্রেস সচিব জানান, এই অধ্যাদেশে গুমকে সজ্ঞায়নের পাশাপাশি চলমান অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। গোপন আটককেন্দ্র স্থাপন যা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত এবং এর ব্যবহারকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে গুম সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই অধ্যাদেশে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের লক্ষ্যে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, অভিযোগ গঠনের ১২০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্নের বাধ্যবাধকতা ভুক্তভোগী ও তথ্য প্রচারকারী এবং সাক্ষীর অধিকার, সুরক্ষা ক্ষতিপূরণ এবং আইনগত সহায়তার নিশ্চয়তা সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষার উদ্দেশ্যে তহবিল গঠন ও তথ্যভান্ডার প্রতিষ্ঠার বিধানও সংযোজিত হয়েছে।

শফিকুল আলম বলেন, গুম সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশন আছে, সেখানে বাংলাদেশ গত বছরের ২৯ আগস্ট উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে এবং বাংলাদেশ এটায় পক্ষভুক্ত হয়েছে। এই পুরো আইন এই কনভেনশনকে অনুসরণ করে এই অধ্যাদেশ তৈরি করা হয়েছে।

প্রেস সচিব বলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক আইন। এর ফলে বাংলাদেশে কোন ফ্যাসিস্ট সরকার এসে দেশে গুমের রাজত্ব চালাতে পারবে না এবং দেশে কোন ‘আয়নাঘর’ তৈরি হবে না।

এসময় সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ ও সুচিস্মিতা তিথি উপস্থিত ছিলেন।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page