July 31, 2026, 4:36 pm
শিরোনামঃ
জুলাই সনদের আলোকেই আইন সংস্কারের প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হবে : আইনমন্ত্রী রাষ্ট্র হারলেও সাধারণ নাগরিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়াই স্বস্তি : অ্যাটর্নি জেনারেল ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ব্যয় জামায়াতের ; শূন্য ব্যয় ২৮ দলের ময়মনসিংহে খাল থেকে উদ্ধার হলো বিদায়ী পোস্ট দেওয়া তরুণের মরদেহ চট্টগ্রামে মৎস্যঘের দখলের জেরে ১ জন নিহত মোদিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করায় ভারতের মেটা প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা দেশ নিয়ে ঘৃণা ছড়ালেই দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে : আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীরা চাকরি করতে চাইলে দিতে হবে ১ লাখ ডলার ফি যশোরের শার্শায় আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দীন আটক ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা ভূমি অফিসের নাইটগার্ড ও প্রসেস সার্ভারের মিস কেস বানিজ্য ; দ্রুত বদলী দরকার
এইমাত্রপাওয়াঃ

গোপন নথি ফাঁস ; রাশিয়ার হামলায় অল্পের জন্য ভূপাতিত হয়নি ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমান

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের একটি গোয়েন্দা নজরদারি বিমানকে প্রায় ভূপাতিত করে দিয়েছিল রাশিয়ার একটি যুদ্ধবিমান। যুক্তরাষ্ট্রের ফাঁস হওয়া গোপন নথি থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

সোমবার (১০ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ক্রিমিয়া উপকূলের কাছে এমন ঘটনা ঘটে। ওইদিন ক্রিমিয়া উপদ্বীপের কাছে আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় উড়ছিল যুক্তরাজ্যের একটি গোয়েন্দা বিমান। ওই সময় এ বিমানটি লক্ষ্য করে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে রাশিয়ার যুদ্ধবিমান।

এ ঘটনা সম্পর্কে অক্টোবরে দেশটির সংসদকে অবহিত করেছিলেন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস। ওই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, কৃষ্ণ সাগরের ক্রিমিয়া উপকূলের কাছে আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় থাকা ব্রিটিশ নজরদারি বিমানের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রাশিয়ার বিমান।

তবে তিনি জানান, হয়ত রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়েনি। ওই সময় এটিকে প্রযুক্তিগত সমস্যা বলেছিলেন তিনি। তবে ব্রিটিশ মন্ত্রী দাবি করেছিলেন, মস্কো বেপরোয়া আচরণ করছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের ফাঁস হওয়া নথিতে এ ঘটনাকে ‘যুক্তরাজ্যের আরজে প্রায় ভূপাতিত’ এমন নামে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ওই নথিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সের নজরদারি বিমানের সঙ্গে রুশ বিমানের এনকাউন্টারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ফাঁস হওয়া নথি থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস ওই ঘটনার যে বর্ণনা দিয়েছিলেন, সেটি থেকে আসল ঘটনা আরও বেশি গুরুতর। যদি ওই সময় রুশ বিমানের আঘাতে যুক্তরাজ্যের নজরদারি বিমানটি ভূপাতিত হতো, তাহলে রাশিয়ার সঙ্গে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সরাসরি সংঘাত বাধার ঝুঁকি তৈরি হতো। কারণ বিমানটিতে যুক্তরাজ্যের সেনারা ছিলেন। আর ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-৫ অনুযায়ী, ন্যাটোভুক্ত কোনো দেশের ওপর হামলা মানে পুরো ন্যাটোর ওপর হামলা।

এদিকে এ ঘটনা সম্পর্কে জানতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ায় অবস্থিত ব্রিটিশ দূতাবাসে যোগাযোগ করলে কোনো জবাব দেয়নি। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page