February 14, 2026, 2:36 pm
শিরোনামঃ
মাগুরায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আনসার ও ভিডিপি বাহিনী দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন সংবিধান অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভার শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সবাই এখন মুক্ত : তারেক রহমান নির্বাচন পরবর্তী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ; সড়কে ফিরেছে সব যানবাহন বিএনপিকে বিজয়ী মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিলেন জামায়াতের আমির চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে নিখোঁজের ৭ দিন পর খালে ভেসে উঠলো যুবকের মরদেহ বগুড়ায় বোনকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়া ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা চাঁদপুরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করায় নিজ দলীয় কর্মীদের পুলিশে দিলেন বিএনপির নবনির্বাচিত এমপি নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতায় বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক নিহত নেপালে নির্বাচনের আগে রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিতে বিশাল সমাবেশ
এইমাত্রপাওয়াঃ

গোপালগঞ্জে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ; ভোটের মাঠে কঠোর সেনা নজরদারি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ জেলায় যেকোনো ধরনের সহিংসতা, নাশকতা ও নির্বাচনী অনিয়ম ঠেকাতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে বহুমাত্রিক ও কঠোর নিরাপত্তা বলয়। নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্টের চেষ্টা করলে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী—কারও প্রতিই ছাড় না দেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যৌথ বাহিনী।

জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে সেনাবাহিনীর পরিকল্পিত ও পেশাদার কম্বিং অপারেশন চলছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে সন্দেহভাজনদের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টহল কার্যক্রম জোরদার করায় পুরো জেলাজুড়ে তৈরি হয়েছে দৃশ্যমান নিরাপত্তা উপস্থিতি, যা সম্ভাব্য অপরাধীদের জন্য কার্যত সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে।

নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানায়, নির্বাচনের আগে ও ভোটের দিন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে—এমন ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর তালিকা ধরে নজরদারি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে সেনাবাহিনীর সক্রিয় সহযোগিতায়। আইন ভাঙার প্রবণতা দেখা মাত্রই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে নির্বাচনী পরিবেশের ওপর সামান্যতম নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।

জেলার প্রধান সড়ক, সংযোগ সড়ক ও প্রবেশপথগুলোতে স্থাপন করা হয়েছে একাধিক চেকপোস্ট। যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নিবিড় তল্লাশির মাধ্যমে অস্ত্র, বিস্ফোরক বা অবৈধ সামগ্রী বহন ঠেকাতে কাজ করছে যৌথ বাহিনী। এতে করে নাশকতার ঝুঁকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্টের যেকোনো অপচেষ্টা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হবে। সে অনুযায়ী সর্বোচ্চ কঠোরতায় আইন প্রয়োগ করা হবে। কারও রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া হবে না—এমন নির্দেশনা মাঠপর্যায়ের বাহিনীগুলোকে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে। অনেকেই মনে করছেন, এই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাই ভোটারদের নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে যেতে সাহস জোগাবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সাধারণ মানুষ যেন সম্পূর্ণ নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে—সেটিই যৌথ বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য। শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জনগণের আস্থা ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে মাঠে সক্রিয় থাকবে।

আজকের বাংলা তারিখ

February ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jan    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  


Our Like Page