September 5, 2026, 12:07 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ৩০০ বোতল এসকাপ সিরাপসহ মাদক কারবারি আটক যশোরের অভয়নগরে বাসের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি কোনো স্লোগান নয়; এটি পরিকল্পনা : প্রধানমন্ত্রী মাথাব্যথা হয়েছে ; মাথা কর্তন করা যায় না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সব নাগরিকের জন্য আসছে ‘এক-আইডি ; এক কার্ডেই মিলবে নাগরিক সব সেবা শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার যত দ্রুত সম্ভব শেষ করব : চিফ প্রসিকিউটর বগুড়ায় জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় নারী নিহত নাটোরে ৪৫ টাকার চায়ের বিল নিয়ে সংঘর্ষে ১৩ জন আহত দেশের অস্ত্র ঘাটতির সংবাদ প্রকাশকারীরা দেশদ্রোহী : ট্রাম্প চিকেনস নেকের নিরাপত্তায় ভারতের নতুন উদ্যোগ
এইমাত্রপাওয়াঃ

চট্টগ্রামের আদালতে নথি গায়েব: প্রধান বিচারপতির উদ্বেগ প্রকাশ 

বশির আলমামুন, চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম আদালতের প্রায় দুই হাজার মামলার নথি গায়েবের ঘটনায় প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একইসাথে এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যেসব মামলার নথি হারিয়েছে সেগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ মামলা নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। ফলে, আদালতে বিচারাধীন কোনো ফৌজদারি মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানান চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার সরকার।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংবাদপত্রে প্রকাশিত নথি গায়েবের ঘটনা অবহিত হয়ে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য চট্টগ্রাম-১ অঞ্চলের অধঃস্তন আদালতসমূহের কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হাইকোর্টের বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানকে নির্দেশনা দেন।

বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের তদন্ত প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের কোনো এজলাস বা চেম্বার থেকে কোনো ফৌজদারি মামলার নথি চুরি হয়নি। সংবাদপত্রে যে এক হাজার ৯১১ টি কেস ডকেট চুরির বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের বারান্দা থেকে চুরি হয়েছে।

‘নথি গায়েবের ফলে বিচারাধীন মামলায় প্রভাব পড়বে না’ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, কেইস ডকেটগুলি ছিল ২০১৫ সালের আগের ফৌজদারি মামলা সংক্রান্ত। বেশিরভাগ মামলা এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। এছাড়া ফৌজদারি যে কোনো মামলার কেস ডকেটের একটি কপি সংশ্লিষ্ট সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংরক্ষিত থাকে। এর ফলে আদালতে বিচারাধীন কোনো ফৌজদারি মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

এর আগে, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে হত্যা, মাদক, চোরাচালান, বিস্ফোরণ, হত্যাচেষ্টাসহ এক হাজার ৯১১টি মামলার নথি গায়েবের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত রবিবার মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মফিজুল হক ভুঁইয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম মহানগর পিপি কার্যালয়ে ২৮ থেকে ৩০টি আদালতের কেস ডকেট রক্ষিত ছিল। পিপি কার্যালয়ে জায়গা-স্বল্পতার কারণে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল থেকে পিপি কার্যালয়ের সামনের বারান্দায় প্লাস্টিকের বস্তায় ১ হাজার ৯১১টি মামলার কেস ডকেট পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় রাখা ছিল।

আদালতের অবকাশকালীন ছুটির সময় অফিস বন্ধ থাকায় গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নথিগুলো হারিয়ে গেছে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। বিষয়টি থানায় ডায়েরিভুক্ত করে রাখার জন্য আবেদন করা হলো।

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page