August 12, 2026, 6:38 am
শিরোনামঃ
মাগুরায় আমুড়িয়া-পূর্বপাড়া মাঠ সড়কে সাবগ্রেডের কাজ চলমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক সভা শুরু ‘র’ প্রধানের ঢাকা সফর স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ : তথ্য উপদেষ্টা কক্সবাজারের টেকনাফে ৪ অস্ত্র ও ৭৯ রাউন্ড গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী নাহিদ আটক শরীয়তপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণে ১ জন নিহত খাবারের ট্রাকে লুকিয়ে সামরিক বিমানে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প ভবিষ্যৎ চুক্তির উদ্দেশ্যে ১৭০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ আটকে রেখেছে ইসরায়েল নতুন মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন নয় ইরান মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই ছিল ৭১ ও ২৪-এর শহীদদের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

জলবায়ু পরিবর্তনে দিনে ২ হাজার অভিবাসী ঢাকায় আসছে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দিনে ২ হাজার অভিবাসী ঢাকায় পৌঁছায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে তারা ঢাকা আসছে। মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের ফলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এই চিত্র আরও বেশি দেখা যাবে ২০২৩ সালে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও অবনতি হবে। সাব-সাহারান আফ্রিকা, পূর্ব এশিয়া, প্যাসিফিক অঞ্চল ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। বৈরি আবহাওয়ার কারণে অভিবাসীদের সংখ্যা বেড়ে যাবে বা বেশি দৃশ্যমান হবে। বাড়ি-ঘর ছাড়তে বাধ্য হবে মানুষ। যেমনটা দেখা গেছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর ও আগস্টে পাকিস্তানের ভয়াবহ বন্যার ক্ষেত্রে। এই বন্যায় ৩৩ মিলিয়ন মানুষ গৃহহীন হয়।

২০৫০ সালের মধ্যে সাব-সাহারান আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকায় ১৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে এই জলাবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের ফলে।

প্রাকৃতিক জলবায়ু ব্যবস্থা, যা লা নিনা নামে পরিচিত। এটি বিশ্বে বৃষ্টিপাতের ধরণকে প্রভাবিত করছে। দরিদ্র দেশগুলোতে পরিস্থিতি বিধ্বংসী হয়ে উঠছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ধীরে ধীরে পড়ে। নেতিবাচক প্রভাব পড়ে শস্যের উৎপাদনে, সমুদ্রের পানিতে প্লাবিত হয় গ্রাম। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব বহুমুখী। দরিদ্র বাড়ানোর পাশাপাশি সংঘাত সৃষ্টিতেও রয়েছে এর অবদান। বিশ্ব ব্যাংক এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে সাব-সাহারান আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকায় ১৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে এই জলাবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের ফলে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব বাস্তুচ্যুতদের তিন-চতুর্থাংশ নিজে দেশের সীমানার মধ্যে অবস্থান করবে। সরকারগুলো ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ ফান্ডিং বাড়ানোর দাবি জোরালো করবে। অধিক কার্বন নিঃসরণের জন্য ধনীদেশগুলো এই ফান্ড দিয়ে থাকে। আগামী বছর ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ হবে আলোচিত ইস্যু।

অন্যদিকে যেসব দেশে বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা অধিক তারা এই বিষয়ে কাজ শুরু করবে। ঢাকায় যারা আসছে তাদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। অন্যত্র চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, বাড়ানো হচ্ছে এ সম্পর্কিত অবকাঠামো। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে মংলা বন্দর। সেখানে বিনিয়োগ বাড়ানোর ফলে গত দশকে জনসংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ। একই ধরনের প্রকল্প হাতে নিয়েছে ইথিওপিয়া ও ঘানা।

 

 

আজকের বাংলা তারিখ

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  


Our Like Page