July 30, 2026, 7:35 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ১০ লিটার চোলাই মদসহ মাদক কারবারি আটক ঝিনাইদহের মহেশপুরে রাতের আঁধারে আগুনে পুড়ে ছাই ৭ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী আরও ১ লাখ শিশুকে শিগগিরই হামের টিকা দেওয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৭৮০ কেজি আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন যশোর থেকে আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার চীন থেকে ৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে ইরান ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের লক্ষ্য এক : নেতানিয়াহু
এইমাত্রপাওয়াঃ

জাপানের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির লিবারাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অনুষ্ঠিত আকস্মিক নির্বাচনে ৩১৫টি আসনে জয় লাভ করেছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত সরকারি ফলাফলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

এতে ক্ষমতাসীন দলটি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে।

এটি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দল এলডিপি’র ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিজয়, আর এর মধ্য দিয়েই আগামী চার বছরে ১২ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দেশটিতে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকাইচি নিজেকে দাঁড় করানোর সুযোগ পেলেন।

এই নির্বাচনে এলডিপি’র জোটসঙ্গী জাপান ইনোভেশন পার্টি (জেআইপি) পেয়েছে ৩৬টি আসন।

টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যে দেখা গেছে, ৪৬৫ সদস্যের নিম্নকক্ষে ক্ষমতাসীন জোটের মোট আসন দাঁড়িয়েছে ৩৫১টি।

এর আগের সংসদে এলডিপি’র আসন ছিল মাত্র ১৯৮টি, আর জেআইপি’র আসন ছিল ৩৪টি।

নির্বাচনে অভিবাসন বিরোধী সানসেইতো পার্টিও অগ্রগতি দেখিয়েছে।

এতে দলটির আসন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫টিতে। এর আগের নির্বাচনে এই দলের আসন সংখ্যা ছিল মাত্র দুটি।

মূল বিরোধী দল কনস্টিটিউশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি ও  এলডিপি’র সাবেক জোটসঙ্গী কোমেইতোর নব গঠিত সেন্ট্রিস্ট রিফর্ম অ্যালায়েন্স এই নির্বাচনে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।

এতে তাদের আসন সংখ্যা ১৬৭ থেকে নেমে এসেছে ৪৯টিতে।

এখন এই নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ফলে উচ্চকক্ষে জোটের সংখ্যালঘু অবস্থান সত্ত্বেও, সরকারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করার ক্ষমতা পেল তাকাইচির সরকার। একই সঙ্গে তাদের সংবিধান পরিবর্তনের জটিল উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগও তৈরি হলো— যার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন তিনি।

সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ৬৪ বছর বয়সী তাকাইচি বলেন, ‘জাপানকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে এটি এক বড় দায়িত্বের শুরু।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের জরুরি প্রয়োজন নিয়ে আমাদের আহ্বানে জনগণ সমর্থন ও সহমর্মিতা দেখিয়েছে।’

অক্টোবরে জাপানের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর জনসমর্থনের অনুকূল সময়কে কাজে লাগিয়ে, গত মাসে অন্তবর্তী নির্বাচন ঘোষণা করেছিলেন তাকাইচি।

পুরুষ প্রধান জাপানি রাজনীতিতে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও, তিনি নেতৃত্বকে লিঙ্গভিত্তিক আলোচনায় আনতে খুব একটা আগ্রহ দেখাননি।

সরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, নারী সংসদ সদস্যের সংখ্যা ৭৩ থেকে কমে ৬৮টিতে নেমে গেছে।

তবে ভোটারদের মধ্যে, বিশেষ করে তরুণদের কাছে, তাকাইচি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।

তার হ্যান্ডব্যাগ থেকে শুরু করে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কে-পপ গানের তালে তালে নাচ— সব কিছুই ভক্তদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

-চ্যালেঞ্জ সামনে-

তবু তাকাইচির সামনে রয়েছে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ। বাড়তে থাকা দ্রব্যমূল্যের চাপ সামাল দেওয়া, বিনিয়োগকারীদের শঙ্কিত না করে অর্থনীতি চাঙা করা ও দেশের সরকারি অর্থব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ কমানো

— এ সবই বড় কাজ।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বিষয়টিও সরকারের ওপর চাপ তৈরি করেছে।

জনপ্রিয়তাবাদী সানসেইতো পার্টির উত্থানের দিকে নজর রেখে অভিবাসন নীতিও কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাকাইচি।

তাকাইচির মন্তব্যে তখন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় বেইজিং।

সোমবারও চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জাপানকে ওই মন্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

ঘনিষ্ঠ মার্কিন মিত্র জাপানের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে তাকাইচির।

 

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page