October 5, 2026, 2:59 pm
শিরোনামঃ
শিক্ষকরাই শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণার বাতিঘর : পুতিন সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে আবারও হামলা ; তেল সরবরাহ বন্ধ যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো জবাব নিয়ে চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছে ইরান ঝিনাইদহের মহেশপুরে আদালতের ডিক্রিপ্রাপ্ত জমি দখলের অভিযোগ ; বিবাদীদের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর ক্ষোভ ও মানববন্ধন যশোরের শার্শায় পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ থেকে বিনামূল্যে শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ : মাইকেল মিলার  নোয়াখালীতে বিভিন্ন মাদক মিশিয়ে বানানো ‘ঝাক্কাস’ সেবন করে তরুণের মৃত্যু ; ৪ জন হাসপাতালে
এইমাত্রপাওয়াঃ

জয়পুরহাটে কৃষক আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  জয়পুরহাটে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কৃষক আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন।

জয়পুরহাট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আইনজীবী নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল জানান, সাজাপ্রাপ্তরা হলেন জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা গ্রামের কফিল উদ্দীনের ছেলে মো. আলাম ও কালাম, আব্দুস ছাত্তারের ছেলে মো. দোলা, ওসমান ও কোরবান, আব্দুল গফুরের ছেলে আজাদুল ও সাইদুল ইসলাম, খলিল আকন্দের ছেলে মো. লাবু, বাবু ও আমিনুর রহমান, বিরাজ উদ্দীনের ছেলে ফারাজ মণ্ডল, সুন্নত আলীর ছেলে মো. শুকটু, নায়েব আলীর ছেলে মো. উকিল, ভরসা মণ্ডলের ছেলে দুলাল হোসেন ও সানোয়ার, আলতাফ আলীর ছেলে আলীম হোসেন ও নজরুল ইসলাম, আব্দুস ছাত্তার প্রধানের ছেলে সাইফুল ইসলাম, সলেমান আকন্দের ছেলে জহুরুল ইসলাম।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে উকিল মিয়া ও জহুরুল ইসলাম এ মামলায় জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন বলে জানায় আদালত।

জানা গেছে, ২০০২ সালের ২২ নভেম্বর রাতে জেলার পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা গ্রামের সামছদ্দীন মুন্সির ছেলে আব্দুর রহমানকে হরেন্দা গ্রামের মাঠ থেকে ধরে নিয়ে আসে। আব্দুর রহমানকে আসামি কালামের বাড়ির একটি কক্ষে আটকে রেখে প্রচণ্ড মারধর করে। রাতে সেখানেই আব্দুর রহমান মারা যায়। এ ঘটনায় নিহত আব্দুর রহমানের ভাই আব্দুল বারিক মুন্সি ওরফে ফারুক বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা করেন।

পাঁচবিবি থানার ওসি রবিউল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে ২০০৪ সালের ২৫ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারে ১৬ জনের সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিচারক সোমবার এ রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল ও এপিপি উদয় সিংহ। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান, শাহজালাল সিদ্দিকী তুহিন ও সোহেলী পারভীন সাথী।



Our Like Page