February 24, 2026, 11:02 pm
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ক সভা দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচনের বিষয়টি সংসদে নির্ধারিত হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আগামী প্রজন্মের জন্য কাজ করে একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত রেখে যেতে চাই : কৃষিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি পুলিশের নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির আগামী ৯ এপ্রিল শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত বান্দরবানে মিয়ানমারের মুদ্রাসহ ৩ আরাকান আর্মির সদস্য আটক টাঙ্গাইলে ঘোড়া জবাই করার অভিযোগে ৪ জন আটক এপস্টেইন ফাইলে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নাম পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর ওপর হামলার হুঁশিয়ারি দিলো আফগানিস্তান
এইমাত্রপাওয়াঃ

ঝিনাইদহের মহেশপুরের মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার অর্থ বানিজ্য ; অতিরিক্ত বকেয়া দেখিয়ে ভূমিকর পরিশোধের নোটিশ

স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মান্দাড়বাড়িয়া ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের রতন দাস ও মনমত দাসের মির্জাপুর মৌজার ৩৪৬ শতক জমির ১৯ বছরের ভূমি উন্নয়ন কর ৫০ হাজার টাকা বাকি দেখিয়ে বকেয়া পরিশোধের নোটিশ করেন ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং নোটিশে উল্লেখ করেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নোটিশটি পাওয়ার পর রতন দাস ও মনমত দাস ৩-৪ দিন ভূমি অফিসে ঘুরে কিছু টাকা কমিয়ে বকেয়া পরিশোধের অনুরোধ করেন। অবশেষে ইউনিয় ভূমি কর্মকর্তা শফি উদ্দিন ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ১৯ বছরের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের ২৫ হাজার ৪শ ৭২ টাকার রশিদ দিলে বাধে যত বিপত্তি। জানতে চাইলে বলেন বাকি টাকা অফিস খরচ বাবদ কাটা হয়েছে। একই গ্রামের দেবেন দাসের কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়ে ৩ হাজার ৬শ ৯৭ টাকার রশিদ দেওয়া হয়। এমনি ভাবে শিবেন দাস, রঞ্জন দাসসহ ইউনিয়ন ব্যপি বাকির অতিরিক্ত বকেয়া দেখিয়ে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের নোটিশ করে লক্ষ লক্ষ টাকা অর্থ বানিজ্য করেছেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মান্দারবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শফি উদ্দিন। তবে শফি উদ্দিন তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন ভূমি কর আদায়ের সার্থে কৌশল অবলম্বন করা হয়েছিল।
মির্জাপুর গ্রামের মনমত দাস, রঞ্জন দাস ও রতন দাস জানান ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে ৫০ হাজার টাকা ভূমি কর পরিশোধের জন্য আমাদের নামে নোটিশ আসে। আমরা ৩-৪ দিন ধরে ভূমি অফিসে গিয়ে কিছু কম নেওয়ার অনুরোধ করলে ৩০ হাজার টাকা আমাদের কাছ থেকে নেয়। কিন্তু ২৫হাজার ৪শ ৭২ টাকার ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রশিদ দিয়েছে। বাকি টাকা অফিস খরচ বাবদ কাটা হয়েছে বলে জানান শফি উদ্দিন।
দেবেন দাস ও শিবেন দাস বলেন ভূমি অফিস থেকে ২০ হাজার টাকা ভূমি কর পরিশোধের জন্য নোটিশ আসে। ১২ হাজার টাকায় তা পরিশোধ করলেও মাত্র ৩ হাজার ৬শ ৯৭ টাকার কর পরিশোধের রশিদ পেয়েছি। আমরা উক্ত বিষয়ের বিচার দাবি করছি।
হুদাশ্রীরামপুর গ্রামের মৃত জামাল উদ্দীনে ছেলে সবুজ হোসেন জানান, আমার পিতার নামে জমির কর পরিশোধ করার জন্য মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের গেলে ভূমি কর্মকর্তা ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। অনেক অনুরোধে ৬ হাজার টাকা আমার কাছ থেকে নেয়। কিন্তু আমাকে ৪ হাজার ৮শ ১৫ টাকার ভূমি উন্নয়ন করের রশিদ প্রদান করে। আমি জানতে চাইলে তিনি বলেন বাকি টাকা অফিস খরচ।
মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শফি উদ্দীন জানান,কারো কাছ থেকে কোন বেশি টাকা নেওয়া হয়নি। ভূমি কর আদায়ের সার্থে বাকির অতিরিক্ত বকেয়া দেখিয়ে ভূমি কর পরিশোধের নোটিশের মাধ্যমে কর আদায় করেছি।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শরীফ শাওনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন মনিরা জানান, যত টাকা বাকি ঠিক তত টাকা পরিশোধের নোটিশ করতে হবে এবং সেটাই আদায় করতে হবে। বিষয়টি খোজ-খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আজকের বাংলা তারিখ

February ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jan    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  


Our Like Page