March 31, 2026, 5:56 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে জ্বালানি পাম্পে নজরদারি বাড়াতে টাস্কফোর্স গঠন ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা হবে বাধ্যতামূলক : প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করার প্রকৃত পথ : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী অবৈধ তেল মজুতের তথ্য দিলেই মিলবে ১ লাখ টাকা পুরস্কার ১০ এপ্রিলের মধ্যে এমপিরা বাসা বরাদ্দ পাচ্ছেন চুয়াডাঙ্গায় ৯ হাজার লিটার জ্বালানি তেলসহ ৪ জন আটক মাদারীপুরে বিয়ের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসা নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ইসরায়েল আমাদের মেধাশূন্য করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা করছে : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইসলামাবাদে চার দেশের কূটনৈতিক তৎপরতা ৬ বছর বিরতির পর উত্তর কোরিয়ায় এয়ার চায়নার ফ্লাইট পুনরায় চালু
এইমাত্রপাওয়াঃ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনসহ ৫ দাবিতে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ সমাবেশ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আপত্তিকর ধারা সংশোধন, সংবাদমাধ্যমে ৯ম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নসহ ৫ দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সাংবাদিকরা। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

শনিবার (২২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তায় বসে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে একাংশ) আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী বলেন, বর্তমানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকের ওপর খড়গ হিসেবে ঝুলছে। যখনই কোনো রিপোর্ট কারও বিরুদ্ধে যায়, এবং যখনই সাংবাদিকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু লিখেন, তখনই বিভিন্ন মহল থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়। আমরা সরকারের সঙ্গে এ নিয়ে বারবার কথা বলেছি। তাতে কোনো লাভ হয়নি।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু বলা হয়নি যে, সাংবাদিকরা কোনো প্রতিবেদন করলে বা সেখানে গেলে কোনো হয়রানি হবে না তা বলা হয়নি।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ওয়েজ বোর্ডের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। আমাদের কোনো বেতন কাঠামো নেই। প্রিন্ট পত্রিকার যতটুকু আছে, অনলাইন বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সেটিও নেই। আমরা বারবার সেকথা বলে আসছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আন্দোলনে একবার হামলা চালানো হয়েছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন বিচার হবে, কিন্তু আজও বিচার হয়নি। অনেক সাংবাদিক নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির এ বাজারে এক প্রকার অসহায় জীবনযাপন করছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সাংবাদিকরা বলেন, একজন সাংবাদিক সকাল ৮টায় বাসা থেকে বের হয়ে রাত ১১টায় বাসায় ফেরেন। অনেক প্রতিষ্ঠানের কথা আমরা শুনতে পাই, তারা বলেন সাংবাদিকদের ৮ ঘণ্টা বলতে কোনো ডিউটি নেই। সাংবাদিকদের ডিউটি সারাদিন। সাংবাদিকদের অধিকারই যদি প্রতিষ্ঠিত না হয় তাহলে গণমাধ্যম আইন দিয়ে আমাদের কী হবে। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কথা বলতে হবে। সাংবাদিকরা কী শ্রম আইনেও পড়ে না। তাহলে কেন সাংবাদিকদেরকে এভাবে খাটানো হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, আমাদের কোনো বেতন কাঠামো নেই। ৮ম, ৯ম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন ঠেকে আছে কয়েক বছর ধরেই। কিন্তু বাস্তবায়ন হচ্ছে না। অবিলম্বে আমাদের দাবিগুলো মেনে নিতে হবে। না হলে রাস্তায় নেমে আমরা দাবি আদায় করে নিবো।

তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো
১. অবিলম্বে সাংবাদিকদের নিয়মিত বেতন দিতে হবে। তা না হলে যারা বেতন দিচ্ছে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

২.সাংবাদিকদের ওপর হামলা মামলা বন্ধ করতে হবে।

৩.সচিবালয়ে পেশাদার সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।

৪. গণমাধ্যমের সাপ্তাহিক ছুটি দুুদিন করতে হবে।

ডিইউজের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরীর সভাপতিত্বে সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুর রহমান জিহাদের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন, সহ-সভাপতি মানিক লাল ঘোষ, দপ্তর সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, আশরাফুল ইসলাম, তপন কুমার বিশ্বাস, মিজানুর রহমান, বায়েজিদ মুন্সি, মুনসুর হোসেন, আসাদুজ্জামান আসাদ, শিবলী নোমানীসহ অন্য সাংবাদিকরা।

 

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page