March 31, 2026, 9:55 pm
শিরোনামঃ
পদোন্নতি বঞ্চিত ১ হাজার ৮২১ চিকিৎসকের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিএনপি কোনোভাবেই ইতিহাসকে বিকৃত করবে না : তথ্যমন্ত্রী হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে দেশ কী পাবে সেটি দেখতে দেশবাসী তাকিয়ে আছে : পানিসম্পদ মন্ত্রী ক্রীড়া খাতের উন্নয়নে চীনের বড় বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ সীতাকুণ্ডে অবৈধভাবে মজুত ২৫ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে সালিশের বিরোধে প্রবাসী যুবককে কুপিয়ে হত্যা খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানো ট্রাম্পের হাতে আর ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত আমাদের হাতে : ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট চীনের কাছাকাছি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করলো জাপান ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য অর্ধেকেরও বেশি অর্জিত হয়েছে : নেতানিয়াহু ইসরাইল পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনিদের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিল অনুমোদন
এইমাত্রপাওয়াঃ

নির্বাচনী প্রচারণায় জনচলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে সভা-সমাবেশ করা যাবে না : ইসি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক  : আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, এই প্রচারণা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচার কাজ সমাপ্ত করতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’-এর বিধি ৬ (ঙ) অনুযায়ী, জনগণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো স্থান, সড়ক, মহাসড়ক ও জনপথে জনসভা, পথসভা বা কোনো ধরনের সমাবেশ করা যাবে না। একইভাবে, প্রার্থী বা দলের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তিও এ ধরনের সভা বা সমাবেশ করতে পারবেন না।

বিধিমালার বিধি ৬ অনুযায়ী নির্বাচনি প্রচারণা সংক্রান্ত প্রধান নির্দেশনাগুলো হলো—

প্রচারণার ক্ষেত্রে সব প্রার্থী সমান অধিকার পাবেন এবং প্রতিপক্ষের কোনো কর্মসূচিতে বাধা বা ভীতি প্রদর্শন করা যাবে না।

কর্মসূচি সমন্বয় অনুমতি:  : প্রচারণা শুরুর আগে রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে তাদের বিস্তারিত কর্মসূচি প্রস্তাব আকারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। একই সময়ে ও একই স্থানে একাধিক দল বা প্রার্থী কর্মসূচি পালন করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা সমন্বয় করবে। এছাড়া জনসভার দিন, সময় ও স্থান নিয়ে কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি নিতে হবে। আবেদনের ক্রম অনুযায়ী এই অনুমতি দেওয়া হবে এবং অনুমতির কপি স্থানীয় নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে। সভার কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে স্থানীয় পুলিশকে বিষয়টি জানাতে হবে। এছাড়া একটি জনসভায় ৩টির বেশি মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে না।

পোস্টার, লিফলেট ব্যানারের বিধিনিষেধ:  : নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অপচনশীল দ্রব্য যেমন রেক্সিন, পলিথিন বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি কোনো প্রচারপত্র, লিফলেট বা ব্যানার ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া অন্য সব প্রচার সামগ্রী (ব্যানার, লিফলেট, ফেস্টুন) অবশ্যই সাদা-কালো রঙের হতে হবে। ব্যানারের আকার সর্বোচ্চ ১০ ফুট বাই ৪ ফুট, লিফলেট এ-ফোর সাইজ এবং ফেস্টুন ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি হতে হবে। এসব সামগ্রীতে প্রার্থী নিজের ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

যানবাহন স্থাপনায় নিষেধাজ্ঞা:  : কোনো দালান, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি বা সরকারি স্থাপনায় কোনো প্রকার লিফলেট বা ফেস্টুন লাগানো যাবে না।এছাড়া বাস, ট্রাক, ট্রেন, স্টিমার, লঞ্চ, রিকশা বা অটোরিকশাসহ কোনো যানবাহনেই প্রচারণা সামগ্রী সাঁটানো যাবে না।

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ডের ওপর অন্য কোনো প্রার্থীর প্রচারণা সামগ্রী টাঙানো যাবে না। একইসাথে এসব ফেস্টুন বা ব্যানারের কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন, বিকৃতি বা বিনষ্ট করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

মিছিল শোডাউন:  : নির্বাচনি প্রচারণায় বাস, ট্রাক, নৌযান বা মোটরসাইকেলসহ কোনো যান্ত্রিক বাহন নিয়ে মিছিল, জনসভা বা শোডাউন করা যাবে না। এমনকি যেকোন ধরনের মশাল মিছিলও নিষিদ্ধ। দলীয় প্রধান বা সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদার ব্যক্তিরা যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে পারলেও সেখান থেকে লিফলেট, ব্যানার বা অন্য কোনো প্রচার সামগ্রী প্রদর্শন, বিতরণ বা নিক্ষেপ করা যাবে না।

তোরণ, ক্যাম্প দেয়াল লিখন:  : কোনো প্রকার গেইট বা তোরণ নির্মাণ করা যাবে না। চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো ক্যাম্প বা স্থাপনা তৈরি করা নিষিদ্ধ। এছাড়া কোনো দেয়ালে লিখে বা ছবি এঁকেও নির্বাচনি প্রচারণা চালানো যাবে না।

বিলবোর্ড ব্যবহারের শর্ত:  : প্রচারণায় বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে, তবে প্রচার অংশের আয়তন সর্বোচ্চ ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট হতে হবে। সংসদীয় আসনের প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা বা মেট্রোপলিটন ওয়ার্ডে একটি করে তবে পুরো নির্বাচনি এলাকায় সর্বোচ্চ ২০টির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না।

আচরণ উপাসনালয়ের পবিত্রতা:  : প্রচারণাকালে ব্যক্তিগত কুৎসা রটনা, অশালীন ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য বা চরিত্র হনন এবং লিঙ্গ, সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কোনো উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া যাবে না। মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা প্যাগোডাসহ কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়, সরকারি অফিস বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো প্রচারণা চালানো যাবে না। এছাড়া ভোটারদের প্রভাবিত করতে কোনো প্রকার বলপ্রয়োগ বা অর্থ ব্যয় করা যাবে না।

ব্যক্তিগত সম্পত্তি শান্তি রক্ষা:  : নির্বাচন উপলক্ষ্যে কোনো নাগরিকের জমি, ভবন বা অন্য কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন করা যাবে না। এছাড়া অনভিপ্রেত গোলযোগ ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণের মাধ্যমে কারও শান্তি বিনষ্ট করা যাবে না।

আজকের বাংলা তারিখ

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  


Our Like Page