অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ফিলিস্তিন এবং লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা ফিলিস্তিনের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বৈঠক করেছেন। পবিত্র আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর ইহুদিবাদী ইসরাইলের হামলার পর এই বৈঠক করলেন তারা।
লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহর সঙ্গে গতকাল (রোববার) বৈঠক বৈঠকে অংশ নেন হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া। বৈঠকে প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলোর যুদ্ধ-প্রস্তুতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
গত মঙ্গলবার ইহুদিবাদী ইসরাইলের সেনারা ভারী অস্ত্র সজ্জিত হয়ে পবিত্র আল-আকসা মসজিদে রোজাদার মুসল্লিদের ওপর হামলা চালায় এবং তাদের ওপর টিয়ারগ্যাস ও স্টান গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটায়। এছাড়া, রাবার কোটেড স্টিল বুলেটও ব্যবহার করে ইহুদিবাদী বাহিনী।
মসজিদে অবস্থানরত নারী-পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধদেরকে ইসরাইলি বাহিনী অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে লাঠিপেটা করে এবং প্রায় ৫০০ ফিলিস্তিন ধরে নিয়ে যায়। এ সময় অসুস্থ বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ এবং শিশুদের কান্না ও চিৎকার শোনা যায়।
ইসরাইলের এই বর্বরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে গাজার ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনের যোদ্ধারা ইসরাইলে কয়েকটি রকেট ছোড়ে। এরপর বৃহস্পতিবার দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইল অভিমুখে অন্তত ত্রিশটি রকেট ছোড়া হয়। জবাবে ইসরাইল গাজা এবং লেবাননে সীমিত মাত্রায় বিমান হামলা চালালেও বড় কোনো সংঘাতে যায়নি।