March 11, 2026, 3:24 am
শিরোনামঃ
৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ রাষ্ট্র পরিকল্পনার প্রথম পদক্ষেপ ফ্যামিলি কার্ড : অর্থমন্ত্রী নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : বাণিজ্যমন্ত্রী নিরাপদ ও সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার : সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু গোপালগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য আইফোন ছিনিয়ে বন্ধুকে হত্যা হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলে অত্যাধুনিক ক্লাস্টার ওয়ারহেড ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি করেছে ইরান আমার অনুমোদন ছাড়া ইরানের নতুন নেতা টিকবেন না : ট্রাম্প
এইমাত্রপাওয়াঃ

ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্যবস্তু করে এআই ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র : অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী অভিবাসী এবং অ-মার্কিন নাগরিকদের ওপর নজরদারি চালাতে যুক্তরাষ্ট্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বুধবার অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক প্রতিবেদনে এই অভিযোগ করেছে।

অ্যামনেস্টি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এই কাজে ‘প্যালানটির’ ও ‘বাবেল স্ট্রিট’ নামের দু’টি প্রতিষ্ঠানের এআই টুল ব্যবহার করছে।

সান ফ্রান্সিসকো থেকে এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক পর্যালোচনায় জানিয়েছে, ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটির নথি থেকে জানা যায়, এই এআই কোম্পানিগুলোর সরবরাহ করা সফটওয়্যার দিয়ে গণ-নজরদারি এবং জনগণকে মূল্যায়ন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে প্রায়ই লক্ষ্যবস্তু করা হয় যারা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন তাদের।

এরিকা গুয়েভারা-রোসাস নামে মানবাধিকার সংস্থাটির একজন বলেন, ‘ফিলিস্তিনপন্থি মতপ্রকাশ দমন ও  গণ-বহিষ্কার কর্মসূচি চালাতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার আগ্রাসী এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এর ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর কারণে বেআইনি আটক ও গণ-বহিষ্কারের ঘটনা ঘটছে, যা অভিবাসী এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে।’

অ্যামনেস্টির গবেষণায় বলা হয়েছে, ‘ক্যাচ অ্যান্ড রিভোক’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে অভিবাসী, শরণার্থী এবং আশ্রয়প্রার্থীদের ওপর নজরদারি করতে যুক্তরাষ্ট্র এই এআই টুল ব্যবহার করছে।

অ্যামনেস্টি জানায়, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই কর্মসূচির আওতায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজরদারি, ভিসার অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের মতো ভিসাধারীদের ঝুঁকি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করছে।

গুয়েভারা-রোসাস বলেন, ‘মার্কিন প্রশাসনের দমনমূলক কর্মকৌশল বাস্তবায়নে ‘বাবেল এক্স’ ও প্যালানটিরের ‘ইমিগ্রেশন ওএস’ এর মতো সিস্টেমগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি প্যালানটির ও বাবেল স্ট্রিট প্রমাণ করতে না পারে যে তাদের প্রযুক্তির কারণে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে না, তবে তাদের উচিত হবে অভিবাসন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সঙ্গে অবিলম্বে কাজ বন্ধ করা।’

অ্যামনেস্টি দাবি করেছে, এই নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা বাড়তে পারে। এতে তিনি চাইলেই ‘প্রান্তিক মানুষদের নির্বিচারে বহিষ্কার’ করতে পারবেন।

জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নেওয়ার পর থেকে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে যে তারা ‘উদার’ রাজনীতির প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছে এবং কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাদের এন্টি সেমেটিক বলে অভিযোগ করেছেন।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে চলা ফিলিস্তিনিদের পক্ষে ব্যাপক বিক্ষোভ এবং অবস্থান ধর্মঘটকে ‘ইহুদি বিরোধী’ বলে আখ্যা দিয়েছে এবং এতে অংশ নেওয়া বিদেশি শিক্ষার্থী ও অধ্যাপকদের বহিষ্কারের পদক্ষেপ নিয়েছে।

ট্রাম্প শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ, বিশেষ করে বিদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের অংশগ্রহণকে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছেন।

 

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page