অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বগুড়ার গাবতলীতে মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিবেশী দুই নারীর লাঠির আঘাতে আমজাদ হোসেন (৫০) নামে এক কৃষক মারা গেছেন। বুধবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার লাঠিমারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গাবতলী থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, মামলার প্রস্তুতি চলছে; কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ ও স্বজনরা জানান, নিহত কৃষক আমজাদ হোসেন বগুড়ার গাবতলী উপজেলার লাঠিমারা গ্রামের আজিম উদ্দিনের ছেলে। প্রায় ১৫ দিন আগে ওই গ্রামের ববিতা বেগমের উঠানে রশি দিয়ে কয়েকটা ভেড়া বাঁধা ছিল। কে বা কারা বাঁধন খুলে দিলে ভেড়াগুলো বাইরে চলে যায়। তিনি কয়েক ঘণ্টা পর আটটি ভেড়া খুঁজে পান। ববিতা বেগম এ ঘটনার জন্য প্রতিবেশী আমজাদ হোসেনের মেয়ে ফাতেমাকে সন্দেহ করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।
এর জের ধরে বুধবার সন্ধ্যার দিকে ববিতা তার বান্ধবী চামেলীকে নিয়ে ফাতেমাকে মারপিট শুরু করেন। চিৎকার শুনে আমজাদ হোসেনের মেয়ে ফাতেমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। তখন ববিতা ও চামেলী লাঠি দিয়ে আমজাদ হোসেনকে মারধর করেন। পরে গ্রামবাসীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়ার গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
গাবতলী থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিবেশী দুই নারীর লাঠির আঘাতে আমজাদ হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর পরই তারা পালিয়ে যান। বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত মামলা হয়নি।