October 8, 2026, 12:41 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি ঝিনাইদহের মহেশপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত যশোরে গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে প্রতিবন্ধী হত্যার দায়ে মামলা ; পুরুষ শূন্য গ্রাম দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু ; এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অর্থপাচার করে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ; সুইস নাগরিকের তথ্য চাইলো ইউএই শিগগিরই আসছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নওগাঁয় বয়লার বিস্ফোরণে শ্রমিকের মৃত্যু ; আহত ৪ জন রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ২৩৪ জন আটক ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৮১ সামরিক বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
এইমাত্রপাওয়াঃ

বাংলাদেশি কর্মচারীর বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশালে বেড়াতে এসে অভিভূত সৌদি মালিক

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক ময়মনসিংহের ত্রিশালের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন (৩০) ও মনির হোসেন (২৭) দুই ভাই। মনির ছয় বছর আর তার বড় ভাই দেলোয়ার চার বছর আগে সৌদি আরবে যান। সৌদি আরবের জেদ্দায় আবু নাসের ও তার আরেক ভাইয়ের বাড়ি দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করেন তারা। সেখানে কাজ করতে গিয়ে মালিকদের সঙ্গে দুই ভাইয়ের হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে কর্মচারীর গ্রাম দেখতে বাংলাদেশে এসেছেন সৌদি আরবের নাগরিক আবু নাসের (৬০)। আট দিনের সফরে গত বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) তিনি বাংলাদেশে আসেন।

সেই ভালোবাসার টানে আট দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন আবু নাসের। তবে দেলোয়ার ও মনির এখন সৌদি আরবেই রয়েছেন। আবু নাসের দেশে এলে বিমানবন্দর থেকে দেলোয়ারের স্বজনেরা তাকে বরণ করেন। পরে ত্রিশালের মঠবাড়ী ইউনিয়নের মঠবাড়ী গ্রামে নিয়ে আসেন।

সরেজমিন দেলোয়ারদের বাড়ি ঘুরে দেখা গেছে, আবু নাসের বড়শি দিয়ে পুকুর থেকে মাছ ধরছেন। জাল দিয়ে পুকুর থেকে মাছ ধরা দেখছেন। গ্রামীণ পরিবেশে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি পালন দেখে তিনি খুবই আনন্দিত। স্থানীয় বাজার থেকে নিজে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন শাক-সবজি কিনছেন। প্রবাসী দেলোয়ারের চাচা আব্দুস সাত্তার তার সঙ্গে আরবিতে কথা বলেন। অন্য কারও সঙ্গে কথা বলতে গেলেও আব্দুস সাত্তার সহযোগিতা করছেন।

সৌদি নাগরিক আবু নাসের বলেন, দেলোয়ার ও মনির আমাদের খুবই আস্থাশীল। তাদের আমি অনেক ভালোবাসি। দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাদে সততা ও কাজের দক্ষতার কারণে তাদের ওপর আমরা আস্থা রাখি। তাদের ভালোবাসার টানে এখানে এসে আমার অনেক ভালো লাগছে। তাদের পরিবারের লোকজন অনেক ভালো। সৌদিতে বাংলাদেশের কর্মজীবীদের কার্যকলাপ অনেক ভালো। তারা অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন।

আবু নাসের আরও বলেন, তাদের আমরা নিজেদের পরিবারের সদস্যদের মতোই মনে করি। নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসি। তারাও আমাদের অনেক ভালোবাসে। এখানে যা দেখছি, সবাই কাজকর্ম করে। মুরগির ফার্ম আছে, খেতখামার আছে। নিজেরাই মাছ চাষ করে। কোনো তরকারির জন্য হোটেলে যাওয়া লাগে না। আর আমাদের এসবের জন্য অন্যের মুখাপেক্ষী থাকতে হয়। এ বিষয়গুলো আমার খুব ভালো লাগছে, উপভোগ করছি।

প্রবাসী বাবা মিন্টু মিয়া বলেন, আমার দুই ছেলের কাজের সুবাদে তাদের মালিক এমন অজপাড়াগাঁয়ে গরিবের বাড়িতে বেড়াতে আসবেন, আমার কল্পনাতেও ছিল না। আমার অনেক ভালো লাগছে, গর্ববোধ করছি। আমার ছেলেদের সততা, আন্তরিকতা ও ভালোবাসায় তার মতো একজন মানুষ আজ আমাদের বাড়িতে অবস্থান করছেন। তিনি আট দিন আমাদের এখানে থাকবেন। আমরা চেষ্টা করছি, তিনি যেন বাংলাদেশের মানুষ সম্পর্কে একটা ভালো ধারণা নিয়ে যেতে পারেন। তাদের সঙ্গে আমাদের আত্মিক সম্পর্কটা যেন আরও সুদৃঢ় হয়। বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আবু নাসের সৌদি আরবে চলে যাবেন।

 

 

 

 

 

 

 

 



Our Like Page