November 4, 2026, 1:29 am
শিরোনামঃ
যশোরের বাঘারপাড়ায় ৪০ জন আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা যশোরের শার্শায় আওয়ামী লীগ সমর্থকসহ ৪ জন আটক যশোরের কেশবপুরে স্বামী-স্ত্রী হত্যার ঘটনায় পরকীয়া প্রেমিক-প্রেমিকা আটক যশোরে আরও এক যুবলীগ কর্মী আটক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে জাপান সফরের অভিজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রী রাস্তায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনের মধ্যে হত্যার অধিকার পুলিশের আছে যদি প্রেক্ষাপট তৈরি হয় : তথ্য উপদেষ্টা কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৩৮৫ জন আটক নওগাঁয় ক্লিনিকের পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার এক দিনেই সম্পদে বড় লাফ ; এশিয়ার শীর্ষ ধনী হলেন আম্বানি
এইমাত্রপাওয়াঃ

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে যা বলছে ভারতীয় মিডিয়া

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও প্রধানমন্ত্রীর দেশ ছাড়ার পর আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশের সাথে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সকল প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে। এরই মধ্যে ভারতের একাধিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে দ্বিপাক্ষিক প্রকল্প নিয়ে ভারতের ভাবনা।

গত ২৭ আগস্ট ভারতের প্রথম সারির অর্থনৈতিক পত্রিকা ‘দ্য ইকোনমিক টাইমসে’ এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ভারতের পাঁচটি বিদ্যুৎ সংস্থার বাংলাদেশের কাছে মোট বকেয়া অর্থের পরিমাণ এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে ‘আদানি পাওয়ারে’রই ৩০ জুন তারিখে ৮০ কোটি ডলার পাওনা ছিল বলে বলা হয়েছে।

এই সংস্থাটি ঝাড়খন্ডের গোড্ডায় অবস্থিত তাদের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদনের পুরোটাই বাংলাদেশে রপ্তানি করে থাকে।

এছাড়াও এসইআইএল এনার্জি, পিটিসি ইন্ডিয়া, এনটিপিসি (ডিভিসি ও ত্রিপুরা) ও পাওয়ার গ্রিডের মতো আরও বিভিন্ন সংস্থারও বাংলাদেশের কাছে কোটি কোটি ডলার পেমেন্ট বাকি রয়ে গেছে বলে ওই রিপোর্টে জানানো হয়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা যে এই অর্থ পরিশোধের সম্ভাবনাকে ব্যাহত করতে পারে, সেই আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল ওই প্রতিবেদনে।

ইতোমধ্যে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও জানান, গত ৫ অগাস্টের পর থেকেই বাংলাদেশ-ভারতের প্রায় সব দ্বিপাক্ষিক প্রকল্পের কাজ থমকে গেছে, কর্মীরাও অনেকে ভারতে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে’ এই প্রকল্পগুলোর কাজ যে চট করে আবার শুরু হচ্ছে না, সেটাও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জানা যাচ্ছে, এরই মধ্যে রামপালের মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বা নুমালিগড়-পার্বতীপুর জ্বালানি পাইপলাইনের মতো বহু প্রকল্পের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাহলে কি বাংলাদেশের জ্বালানি, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো-সহ বিভিন্ন সেক্টরে ভারতের বিভিন্ন সংস্থার বিপুল বিনিয়োগ এখন ঝুঁকির মুখে?

দিল্লিতে থিঙ্কট্যাঙ্ক আরএইএস এর অর্থনীতিবিদ প্রবীর দে কিন্তু এ ব্যাপারে এখনই নিরাশ হতে রাজি নন। তিনি মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বাংলাদেশের নতুন সরকার ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন চুক্তি বা সমঝোতা পুনর্বিবেচনা করার কথা বললেও সে দেশের কোনও ভারতীয় প্রকল্প কিন্তু বাতিল ঘোষণা করেনি।

ড. দে বলেন, তাছাড়া এই ধরনের বিনিয়োগে সব সময় একটা ‘সভারেইন গ্যারান্টি’ বা সার্বভৌম নিশ্চয়তার আওতায় থাকে। অর্থাৎ প্রকল্প বাতিল করা হলে রাষ্ট্রের ওপর সেই ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার দায় বর্তায়।

এধরনের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানির ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন কোর্ট বা আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে যাওয়ার রাস্তাও খোলা থাকে।

বছর কয়েক আগে মালদ্বীপ যখন তাদের দেশের প্রধান বিমানবন্দরটির পরিচালনার ভার একটি ভারতীয় কোম্পানির হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিল, সেই সংস্থাটি সিঙ্গাপুরে আন্তর্জাতিক সালিশিতে গিয়ে বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণও আদায় করতে সক্ষম হয়।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এখনই সে রকম কোনও সম্ভাবনা না-দেখলেও সে দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি মেটাতে যে বেশ কিছুটা সময় লাগবে ও ভারতীয় সংস্থাগুলোকে লগ্নির রিটার্ন পেতে আরও অপেক্ষা করতে হবে– সেই বাস্তবতা অবশ্য দিল্লি এরই মধ্যে অনুধাবন করেছে। সূত্র: বিবিসি

 

আজকের বাংলা তারিখ

  • ৪ঠা নভেম্বর, ২০২৬
  • ২০শে কার্তিক, ১৪৩৩
  • ২৩শে জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮
November ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Oct    
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  


Our Like Page