September 18, 2026, 2:18 pm
শিরোনামঃ
সার্ক পুনরুজ্জীবনে ভুটানের সহযোগিতা চাইলেন দুই মন্ত্রী দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় সার্জন-অধ্যাপক থাকলেও ভিশনারি প্ল্যানিং নেই : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে কেউ অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকলে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি সারাদেশে একযোগে ৯৯ জন বিচারক বদলি কুমিল্লায় ট্রাকচালকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ৩ জন আটক ফেনীতে গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীকে কুপিয়ে জখম ; সোনাসহ নগদ টাকা লুট ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনে ৩৭ হামলা চালালো সৌদি আরব ভেনেজুয়েলার ৪ বিলিয়ন ডলারের সোনার মজুত সরিয়ে নেওয়া হবে যুক্তরাষ্ট্রে সৌদির নিরাপত্তায় যেকোনো পর্যায়ে যেতে প্রস্তুত পাকিস্তান যশোরের শার্শায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ মা ছেলে আটক
এইমাত্রপাওয়াঃ

বাংলাদেশে চীনের বিকল্প হিসেবে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রস্তাব করবে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের কাছে চীনা সামরিক সরঞ্জামের বিকল্প হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রস্তাব করার পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন। ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান।

সংবাদমাধ্যম দ্যা জাপান টাইমস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন। ২০২৪ সালের আগস্টে জেনারেশন জেড নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি নয়াদিল্লিতে আশ্রয় নেন। এর ফলে ঢাকায় ভারতের প্রভাব কমে গেলে চীন তার প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পায় বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ভারতের সীমান্তের কাছে একটি ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে, যা বিদেশি কূটনীতিকদের উদ্বেগের কারণ হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথভাবে চীনে উন্নত বহুমুখী যুদ্ধবিমান জেএফ-১৭ থান্ডার কেনার বিষয়েও আলোচনা করছে।

রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের বাড়তে থাকা প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে চীনের সঙ্গে নির্দিষ্ট ধরনের সম্পৃক্ততার ঝুঁকি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজন মেটাতে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন বিকল্প দিতে প্রস্তুত। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও মিত্র দেশগুলোর প্রযুক্তি যা চীনা ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে।” তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

এ বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ও বিনিয়োগ প্রসঙ্গে ক্রিস্টেনসেন বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক দেখতে চায়, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় সহায়ক হবে। শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্কের অবনতি হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে ভিসা কার্যক্রম ও দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কেও।

তিনি জানান, অনেক মার্কিন কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। তবে নতুন সরকারকে দ্রুত ও স্পষ্টভাবে বিনিয়োগবান্ধব অবস্থান প্রদর্শন করতে হবে।

তিনি বলেন, বাণিজ্য কূটনীতি আমাদের অগ্রাধিকারের অন্যতম। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যে অগ্রগতি হয়েছে, তার ভিত্তিতে আমরা নতুন সরকারের সঙ্গে বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী।

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি কোম্পানি শেভরন কার্যক্রম চালালেও অন্যান্য মার্কিন কোম্পানির উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম। উচ্চ করহার এবং মুনাফা দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার জটিলতা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। দেশে এখনো স্টারবাকস বা ম্যাকডোনাল্ডসের কোনো আউটলেট নেই।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারই নির্বাচিত করুক, যুক্তরাষ্ট্র সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে। নির্বাচনে সাবেক মিত্র দুই জোট বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট—প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। জনমত জরিপে বিএনপি এগিয়ে রয়েছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর বিষয়ে ক্রিস্টেনসেন বলেন, মানবিক সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র এখনো সবচেয়ে বড় দাতা দেশ।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটে যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বড় অবদানকারী এবং বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে শক্তিশালী কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি জাতিসংঘের সঙ্গে বৈশ্বিকভাবে ২০০ কোটি ডলারের একটি অর্থায়ন কাঠামো স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার সুফল বাংলাদেশও পাবে। তবে তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আরও বেশি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, এই বিশাল উদ্যোগ একা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহায়তা বাড়াতে হবে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা পর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহে হিমশিম খাচ্ছে। এর ফলে রোহিঙ্গাদের খাদ্য রেশন কমানো এবং কিছু শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করতে হয়েছে।

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page