June 6, 2026, 5:05 am
শিরোনামঃ
জিয়া স্মৃতি জাদুঘর সংস্কার করে দ্রুত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী প্রতিরক্ষা ও এভিয়েশনে একসঙ্গে কাজ করবে ঢাকা-আঙ্কারা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী জীবনযাত্রা আরো কঠিন হবে : সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মা‌র্কিন ভিসা প্রার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিলো দূতাবাস  কুষ্টিয়া সীমান্তে তিনটি ককটেলসহ ১ জন আটক ফরিদপুরে পদ্মা নদী থেকে ট্রাক্টরসহ চালকের মরদেহ উদ্ধার কিউবার প্রেসিডেন্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পেতে ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই : ট্রাম্প ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতি দুই দিনে একবার কথা হয় : নেতানিয়াহু বন্ধ ও অলাভজনক কারখানায় বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে রোড শো করবে সরকার
এইমাত্রপাওয়াঃ

বাগেরহাটে একটি সেতুর অভাবে ৮ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে দুটি ইউনিয়নের ৮ গ্রামের  মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো। আরও দুই বছর আগে ভেঙে পড়া কাঠের সেতুটি নির্মিত না হওয়ায় বাঁশের সাঁকোতেই চলছে পারাপার। ভোগান্তিতে পড়েছে ৮ গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার  বহরবুনিয়া ও বারইখালী ইউনিয়নের সাথে উত্তর সুতালড়ী গ্রামের খালের সংযোগ সেতুটি দুই বছর আগে ভেঙে পড়ে। সরকারিভাবে ওই সেতু মেরামতের উদ্যোগ না নেয়ায় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এ সাঁকো দিয়েই বারইখালী ও বহরবুনিয়া এ দুটি ইউনিয়নের উত্তর সুতালড়ি, সূর্যমূখী, পূর্ব কাটাখাল, বেতবুনিয়া, ফুলহাতা, বহরবুনিয়া, নারিকেল বাড়ীয়া ও ঘষিয়াখালীর ৮ গ্রামের মানুষ। এক সেতুর  অভাবে ২৫হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

এই সাঁকো পেরিয়ে প্রতিদিন ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মা-বাবা ঋণ ডিগ্রী কলেজ, ডা. হিরন্ময় কারিগরি কলেজসহ ৪টি মাদ্রাসার শত শত শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পারাপার হচ্ছে। ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ইউনিয়ন পরিষদ, ফুলহাতা বাজার, বহরবুনিয়া বাজার, ঘষিয়াখালী বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিদিন শত শত লোক এ সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করে।

তাছাড়া সড়ক পথে বহরবুনিয়ার শেষ প্রান্ত ঘষিয়াখালী হয়ে এ পথ দিয়েই প্রায় ১৩ কিলোমিটার দুরুত্ব পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে আসতে হয়। বাঁশের সাঁকো পাড়ি দিতে দুর্ভোগ পোহাতে  হয় বৃদ্ধ, শিশু শিক্ষার্থীসহ অনেককে। অনেক ছোট ছোট  দুর্ঘটনাও ঘটেছে।

গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা নেছার উদ্দিন বলেন, সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে নড়বড়ে ছিল। একপর্যায়ে ভেঙে গেছে। যখন নড়বড়ে হচ্ছিল সেই অবস্থা থেকেই শুনছি নতুন একটি ব্রিজ হবে। সরকারি অফিসাররা অনেকবার এসেছেনও। কিন্তু সেতু ভাঙ্গার পর নতুন ব্রিজ হয়নি। গ্রামবাসী চাঁদার টাকায় এই বাঁশের সাঁকো মেরামত করেছে।

এ বিষয় বারইখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো. আউয়াল খান মহারাজ বলেন, উত্তর সুতালড়ী খালের ওপরে পুলটিতে ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ থেকে ইতোমধ্যে একবার সংস্কার করা হয়েছে। পরবর্তীতে আর কোন মেরামত হয়নি। সম্পূর্ণ ভেঙে যাওয়ার পর সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে মানুষ। ওই স্থানে ব্রিজের জন্য এলজিইডি দপ্তরে প্রস্তাবনা দেওয়া রয়েছে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ভেঙে যাওয়া কাঠে সেতুটির জায়গায় এ বছরে এডিপির বরাদ্দ থেকে নতুন পুল নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ওই স্থানে একটি ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো হবে।

আজকের বাংলা তারিখ

June ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  


Our Like Page