July 22, 2026, 1:10 pm
শিরোনামঃ
বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠন করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন গাজী নজরুল ইসলামকে বহিষ্কার করলো জামায়াত ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল ময়মনসিংহে গ্যাস না পেয়ে মহাসড়কে অবরোধ করলো সিএনজি চালকেরা খুলনায় তালাবদ্ধ ঘরে কাঁথা-তোশকে প্যাঁচানো অবস্থায় যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার ভারতের এবারের আন্দোলন নিয়ে আতঙ্কিত বিজেপি চীন সীমান্তে শান্তি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্বশর্ত : ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফিফা সভাপতিকে জাতিসংঘ মহাসচিব হিসেবে দেখতে চান ট্রাম্প দিল্লিতে বিক্ষোভ সামাল দিতে ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ করল সরকার
এইমাত্রপাওয়াঃ

ভারতের এবারের আন্দোলন নিয়ে আতঙ্কিত বিজেপি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ভারতে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থার চরম অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে শুরু হওয়া অনলাইন ক্ষোভ এখন আছড়ে পড়েছে দিল্লির রাজপথে। হাজার হাজার তরুণ শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের এই বিশাল বিক্ষোভ মোদি সরকারকে বড় ধরনের দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।

শুরুতে আন্দোলনের দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। কিন্তু এখন বিক্ষোভকারীরা সরাসরি মোদী সরকারের জবাবদিহি চাইছেন। শুধু একজন মন্ত্রী নয়, পুরো শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতার দায় চাপাচ্ছেন তারা।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এবারের আন্দোলন আগের অনেক বিক্ষোভ থেকে আলাদা। এর পেছনে রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ:

আন্দোলনের লক্ষ্যবিন্দু এখন সরাসরি মোদী

প্রথম দিকে শুধু শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ছিল। কিন্তু ধারাবাহিক প্রশ্নপত্র ফাঁস, শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা এবং চাকরি নিয়োগে চরম ব্যর্থতার দায় এখন প্রধানমন্ত্রীকেই দেওয়া হচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য শুধু মন্ত্রী বদলে হবে না, পুরো সরকারের জবাবদিহি চাই।

 

কোনো সংগঠনের নিয়ন্ত্রণে নেই এই আন্দোলন 

 

অনলাইনে শুরু হলেও এখন এটি স্বতঃস্ফূর্ত যুব আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। জন্তর-মন্তর ও সংসদের সামনে যারা জড়ো হচ্ছেন, তাদের অধিকাংশই কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের নেতৃত্বে আসেননি। নিজেদের উদ্যোগে রাস্তায় নেমেছেন। ফলে এই আন্দোলনকে সহজে নিয়ন্ত্রণ বা দমন করা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

 

পুরনো রাজনৈতিক কৌশল আর কাজ করছে না 

 

আগের আন্দোলনগুলোতে সরকার প্রায়ই ধর্ম, জাতি বা রাজনৈতিক তকমা দিয়ে বিক্ষোভ ভাগ করে দিত। কিন্তু এবারের আন্দোলন একেবারে বাস্তব সমস্যাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। চাকরি, পরীক্ষা, শিক্ষা ও ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা। এটিকে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর আন্দোলন বলে চালিয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

 

প্রতিষ্ঠানের ওপর অনাস্থা বেড়েছে

 

আদালত, সংসদ ও মূলধারার মিডিয়া তাদের সমস্যার সমাধান দিতে পারেনি বলে মনে করছেন অনেকে। প্রাতিষ্ঠানিক পথ ব্যর্থ হওয়ায় তারা রাজপথকেই একমাত্র ভরসা মনে করছেন।

 

সরকারের নীরবতা ও কঠোরতা

 

এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই আন্দোলনে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কোনো প্রতিনিধি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেননি বলে অভিযোগ। শিক্ষার্থীরা জানতে চাইছেন, বারবার প্রশ্ন ফাঁসের দায় কার? কী সংস্কার হবে? কেন কেউ দায় স্বীকার করছেন না?

 

সরকার এখনও নীরবতা, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও পুলিশি দমনের ওপর ভরসা করছে। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, এই কৌশল আর কাজ করছে না।

 

হাজার হাজার পুলিশ, নজরদারি, লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের মধ্যেও মানুষ ভয় কাটিয়ে রাস্তায় নামছে। আন্দোলনকারীদের মতে, এবার বিভাজনের রাজনীতি বা ভয় দেখিয়ে আন্দোলন দমন করা সহজ হবে না।

 

পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সরকারি জবাবদিহি নিয়ে বৃহত্তর জনঅসন্তোষের প্রতিফলন হয়ে উঠেছে।

আজকের বাংলা তারিখ

July ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jun    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  


Our Like Page