April 10, 2026, 2:50 pm
শিরোনামঃ
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : অ্যাটর্নি জেনারেল কাজল জাতীয় সংসদে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরও ১০টি বিল পাস দেশের অর্থনীতিকে অগ্রসর-অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : অর্থমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশে ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনার জন্ম হয়েছে : অ্যার্টনি জেনারে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন বিক্রি শুরু খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মা নিহত চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল যুদ্ধবিরতি চলাকালীন কোনো হামলা চালানো হয়নি : আইআরজিসি ৩২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত রাশিয়া ও ইউক্রেন‌ ইরান যুদ্ধ চায় না তবে অধিকার রক্ষায় অটল থাকবে : মোজতবা খামেনি
এইমাত্রপাওয়াঃ

বাড়তে বাড়তে রডের দাম টনপ্রতি লাখ টাকা ছাড়িয়েছে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : দেশের বাজারে সর্বোচ্চ বেড়েছে রডের দাম। ইতোমধ্যে কয়েকটি কোম্পানির রডের দাম টনপ্রতি খুচরা পর্যায়ে লাখ টাকা ছাড়িয়েছে। বাকি কোম্পানিগুলোর রডও লাখ টাকা ছুঁই ছুঁই। রড তৈরির কাঁচামাল স্ক্র্যাপের দাম বৃদ্ধিসহ নানা অজুহাতে দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে দাম। বাজারে কয়েক প্রকার রড থাকলেও চাহিদার শীর্ষে রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি ৬৫ গ্রেডের রডগুলো।

নগরীর ষোলশহরের পাইকারি রড বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান আলমার্স ট্রেডিংয়ের মালিক ইমাম হোসেন বলেন, ‘রডের বাজার খুবই অস্থির। প্রতি সপ্তাহে এক-দুইবার করে বাড়ছে দাম। প্রতিবারই ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা করে বাড়াচ্ছেন কারখানা মালিকরা। গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে রডের বাজারে এমন অস্থিরতা চলছে। বর্তমানে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে টনপ্রতি রড কোম্পানি ভেদে বিক্রি করা হচ্ছে ৯৭ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকায়। তবে খুচরা ব্যবসায়ীরা নিজ খরচে বহন করে নিয়ে যান। সে ক্ষেত্রে প্রতি টনের দাম ৫০০ টাকা থেকে দুই হাজার টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করেন তারা। এ কারণে লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে রডের দাম।’

রাউজান পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারের খুচরা রড বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান মেসার্স আল মদিসা ট্রেডার্সের মালিক জি এম মোস্তফা বলেন, ‘বিএসআরএমের রড টনপ্রতি বিক্রি করা হচ্ছে এক লাখ দুই হাজার টাকা, কেএসআরএমের রড বিক্রি করা হচ্ছে এক লাখ টাকা থেকে এক লাখ এক হাজার টাকা এবং একেএসের রড এক লাখ এক হাজার টাকায়। জিপিএইচের রড এক লাখ এক হাজার টাকায়। এ ছাড়া বায়েজিদ স্টিলের রড বিক্রি করা হচ্ছে ৯৯ হাজার টাকায়। রডে টনপ্রতি দাম বেড়ে যাওয়ায় বিক্রি কমে গেছে।’

এ প্রসঙ্গে রড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিএসআরএমের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন সেনগুপ্ত বলেন, ‘রড উৎপাদনে খরচ বেড়েছে। দেশি জাহাজ কাটার স্ক্র্যাপ দিয়ে রড উৎপাদন করলেও খরচ এক লাখ ৫ হাজার টাকার মতো পড়ছে। খরচ সমন্বয় করতেই দাম বাড়ানো হয়েছে।’

রড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কেএসআরএম স্টিলের মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে কেএসআরএমের রড মিল গেটে বিক্রি করা হচ্ছে ৯৭ হাজার টাকা করে। গ্রাহকরা নিজ খরচে পরিবহনে নিয়ে যাবেন। রড তৈরিতে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। কিছু দিন ধরে বিশ্ববাজারে রড তৈরির কাঁচামাল স্ক্র্যাপের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে দেশি স্ক্র্যাপের দামও। এ ছাড়াও ডলার সংকটের কারণে ক্রমাগত বাড়ছে আমদানি ব্যয়। সেই সঙ্গে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে রডের বাজারে।’

বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন সূত্র জানায়, দেশে স্বয়ংক্রিয় ইস্পাত কারখানা আছে ৩০টি। সনাতন পদ্ধতির কারখানা আছে ১০০টির মতো। বছরে দেশে রডের চাহিদা আছে ৫০ থেকে ৫৫ লাখ টন। এ হিসাবে মাসে সাড়ে চার থেকে পাঁচ লাখ টন রড দরকার হয়। রড তৈরির কাঁচামাল হলো স্ক্র্যাপ বা পুরোনো লোহার টুকরো। এই কাঁচামাল সরাসরি আমদানি করে প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ চাহিদা পূরণ করেন উৎপাদকরা। বাকি প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ আসে জাহাজভাঙা শিল্প এবং লোকাল ভাঙারি বর্জ্য থেকে।

 

আজকের বাংলা তারিখ

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  


Our Like Page