অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৈষম্য নিরসন ও নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কর্মচারীরা।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় আজ শুক্রবার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করতে যাচ্ছেন কর্মচারী নেতারা।
মূলত ২০ ডিসেম্বর এই কর্মসূচি ঘোষণার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির আকস্মিক মৃত্যুতে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
গত জুলাই মাসে অন্তর্বর্তী সরকার সরকারি চাকরিজীবীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে একটি পে কমিশন গঠন করে।
শুরুতে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ এই সরকারের মেয়াদেই নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ইঙ্গিত দিলেও নভেম্বর মাসে তিনি জানান, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার। অর্থ উপদেষ্টার এমন মন্তব্যের পর থেকেই সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।
কর্মচারী সংগঠনগুলো ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়ার আল্টিমেটাম দিলেও কমিশন এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবেদন দাখিল করেনি।
এমনকি ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশের দাবি জানানো হলেও সরকারের তরফ থেকে কোনো স্পষ্ট বার্তা আসেনি। এমন পরিস্থিতিতে প্রতীকী অনশন, সমাবেশ ও দৈনিক ১-২ ঘণ্টার কর্মবিরতির মতো কঠোর কর্মসূচির পরিকল্পনা করছেন কর্মচারী নেতারা।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সভাপতি ওয়ারেছ আলী জানান, তারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে চাকরির বিধিমালা ও শৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই আইন ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকেই আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করা হবে। নতুন বছরের শুরু থেকেই ধাপে ধাপে এসব কর্মসূচি পালন করা হতে পারে বলে সংগঠনটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।