April 28, 2026, 1:09 am
শিরোনামঃ
যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরের শার্শার উলসী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সব স্তরের স্থানীয় নির্বাচন শেষ করতে ১ বছর লাগতে পারে : মির্জা ফখরুল ইসলাম অব্যবহৃত সরকারি জমিতে সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ : জ্বালানি মন্ত্রী নারায়ণগঞ্জে জেল খাটার অভিজ্ঞতা নিতে শিশু হত্যা ; ৬ জন আটক চট্টগ্রামে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবদল কর্মী নিহত ইরানে হাজারো মার্কিন অবিস্ফোরিত বোমা নিষ্ক্রিয়ের দাবি করলো আইআরজিসি ইসলামাবাদ সংলাপ ভেস্তে যাওয়ার দায় যুক্তরাষ্ট্রের : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি চীনের প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা অনুষ্ঠিত
এইমাত্রপাওয়াঃ

যশোরের মণিরামপুরে বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার ভেঙে টয়লেট নির্মাণ ; ২ জন আটক 

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক স্কুলের শহীদ মিনার ভেঙে ওয়াশরুম (টয়লেট) নির্মাণের অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। যশোরের মণিরামপুর উপজলার কামিনীডাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এ ঘটনার জেরে গত মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গতকাল বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাদের আদালতে মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কুশারীকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ (৫৫) ও তার সহযোগী কামিনীডাঙ্গা গ্রামের সুকুমার মল্লিক (৬৫)।

জানা যায়, উপজেলার কামিনীডাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এবং কুশারীকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি একই মাঠে পাশাপাশি অবস্থিত। একই মাঠের এক কোণে ৩০ বছর আগে বালিকা বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়।

এ শহীদ মিনারে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিজয় দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা, স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে আসছে।

অভিযোগ উঠেছে, গত ১৫ জানুয়ারি কুশারীকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ শহীদ মিনারটি ভেঙে সেখানে টয়লেট (ওয়াশরুম) নির্মাণের উদ্যোগে নেন। এ ব্যাপারে বালিকা বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বাধা দিলেও কোনো কর্ণপাত করেননি তিনি। ফলে বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক অসন্তোষ বিরাজ করে।

পরবর্তীতে বালিকা বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ দুইজনের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করা হয়। ইউএনও নিশাত তামান্নার নির্দেশে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু মোত্তালিব আলম সরেজমিন তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন।

এদিকে বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কামরুল হাসান বাদী হয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রশিদ ও তার সহযোগী সুকুমার মল্লিককে আসামি করে আদালতে মামলা করেন। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ গাজী জানান, ওয়ারেন্ট পেয়ে তাদেরকে গ্রেফতারের পর আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page