অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : রাজধানীর মিরপুরে ফেসবুকের একটি পোস্ট কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আজ সোমবার কাফরুল থানায় করা দুটি মামলায় আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে আসামি করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জুন) রাত ৮টার দিকে মিরপুর ১৩ নম্বরে পুলিশের সঙ্গে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা বেশ কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন। বিক্ষুব্ধ জনতাকে সরিয়ে দিতে বেশ কয়েক দফা টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ।
কাফরুল থানার পরিদর্শক তদন্ত কামরুল ইসলাম বলেন, ‘যারা পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা এবং গাড়ি ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কাফরুল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আব্দুল বাতেন বলেন, ‘যার ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার উদ্ভব হয় সেই স্ট্যাটাস দেওয়া ব্যক্তি সোহেল রানাকে আমরা আটক করেছি। জনতার মারধরের পর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছি। সুস্থ হলে পরবর্তীতে সে কী কারণে এ ধরনের স্ট্যাটাস দিয়েছে এসব বিষয় জানতে চাওয়া হবে এবং বিষয়টি তদন্ত করা হবে। বিক্ষুব্ধ জনতাকে সামাল দিতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেশ বেগ পেতে হয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়।’
মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. জসীম উদ্দীন মোল্লা বলেন, ‘গতকালের ঘটনায় পুলিশ বাদী দুটি মামলা করেছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় অভিযুক্ত সোহেল পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আর ধর্মীয় উস্কানির অভিযোগ তুলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এ ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক কোনো মতাদর্শ কাজ করেছে কি-না তাও খতিয়ে দেখা হবে।’