September 8, 2026, 7:50 am
শিরোনামঃ
মাগুরায় বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরীর বিরুদ্ধে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সংঘাত ও প্রতিশোধ নয় বরং সহনশীল রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে : রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস জাপানের একজন ডেপুটি ও দুজন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ এক উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের ভোট একসঙ্গে হবে : ইসি সচিব ‘রাজশাহীতে দেশবাসী তৈরি হও’ স্লোগানে যুবলীগের মিছিল যশোরে যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১৪ হাজারের বেশি অভিবাসী আটক জ্বালানি তেল কিনতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর এবার রাশিয়ার তোপের মুখে ভারত  দক্ষিণ কোরিয়াকে ইরানের হুঁশিয়ারি ; যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ালে কোনো ছাড় নয়
এইমাত্রপাওয়াঃ

রাজশাহীতে ৯৩ হাজার টাকার চেককে ৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকায় রুপান্তর করলেন প্রধান শিক্ষক

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : রাজশাহীতে কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের চেক জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১ অক্টোবর) দুপুরে অগ্রণী ব্যাংকের কেশরহাট বাজার শাখায় টাকা উত্তোলনের এ জালিয়াতি ধরা পড়ে।

এ বিষয়ে কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি রুস্তম আলী প্রামানিক বলেন, প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম তার দোকানের এক কর্মচারীকে টাকা উত্তোলনের জন্য রোববার দুপুরে ব্যাংকে পাঠান। এরপর ব্যাংক থেকে আমাকে ফোন করে নিশ্চিত হওয়ার জন্য। ব্যাংক থেকে আমাকে জানানো হয় আমার ও প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি ৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়েছে। আমি জানাই শুধু ৯৩ হাজার টাকার চেক স্বাক্ষর করেছি। এর পরই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সেই চেক আটকে দেয়। দ্রুত আমি ব্যাংকে যাই। আমি তাৎক্ষণিক প্রধান শিক্ষককেও ব্যাংকে আসতে বলি।

সভাপতি আরও বলেন, আমি জানতাম ব্যাংকে মোট ৯৪ হাজার টাকা আছে। তবে ছুটির মধ্যে ব্যাংকে আরও ৫ লাখ টাকা অনুদান জমা হয়েছে। এ টাকা সরাতেই প্রধান শিক্ষক এভাবে চেক জালিয়াতি করতে চেয়েছিলেন। এ বিষয়ে আমি আইনগত ব্যবস্থা নেবো। আপাতত সেই চেকটি ব্যাংকেই ম্যানেজারের কাছে আছে। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ক্ষমাও চেয়েছেন। তবে আমি ক্ষমা করবো না। আমি মামলা করবো।

এদিকে স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক ব্যাংকে উপস্থিত হলে দু’পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষককে ঘুসিও মারেন সভাপতি। পরে উপস্থিত লোকজন তাদের শান্ত করেন।

প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, একটি অনুদান এসেছে। এক চেকেই উত্তোলনের জন্য আমি পাঠিয়েছিলাম। তবে আমি সব জায়গায় কাগজে কলমে ৫ লাখ ৯৩ হাজার লিখেছি এবং সভাপতি স্বাক্ষরও করেছেন। এখন তিনি অস্বীকার করছেন। এখানে আমার কোনো দোষ নেই। আমি কোনো চেক জালিয়াতি করিনি। এমনকি কোনো চেক জালিয়াতি হয়নি।

আগ্রণী ব্যাংক কেশরহাট শাখার ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান খান বলেন, চেকটির মুড়িতে ৯৩ হাজার টাকা লিখা আছে। তবে মেইন চেকে ৫ লাখ ৯৩ হাজার লিখা দেখে আমাদের সন্দেহ হলে আমরা তাকে ফোন দেই। দুই পক্ষ আসার পর থেকেই আমরা এটি নিয়ে সমাধানের জন্য বলেছি। আমরাও একটি চিঠি দিয়েছি। তবে সমাধান না হাওয়া পর্যন্ত সবাই চেকটি আমাদের হেফাজতেই রাখতে বলেছেন। এজন্য চেকটি আমাদের হেফাজতেই রাখা হয়েছে।

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page