September 17, 2026, 1:44 am
শিরোনামঃ
যশোরে এজলাস কক্ষ থেকে মামলার নথি চুরির দায়ে আইনজীবী আটক ভারতের সেফ হোমে থাকা ১৮ নারী ও শিশু বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন যশোরের হাটে বাজারে ভারতীয় ইলিশের সয়লাব ; ভোক্তা অধিকারের অভিযানে জরিমানা জাল দলিলের মাধ্যমে শার্শার বাগআঁচড়ার ফিলিং স্টেশন দখল চেষ্টার অভিযোগে আনোয়ার কারাগারে যশোর আন্তঃজেলা ইজিবাইক চোর চক্রের ৩ সদস্য চোরাই ইজিবাইকসহ আটক প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকে অনুমোদন পেল ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটির ১২ প্রকল্প অপরাধের ধরন পাল্টালেও আধুনিকায়ন হয়নি পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পবিত্র মক্কা শরিফে ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা পাবনায় নিখোঁজের সাতদিন পর ডোবায় মিলল শিশুর বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ  নাটোরে মাদ্রাসায় আবাসিক ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু
এইমাত্রপাওয়াঃ

রুশ তেল ছাড়া বিশ্ব জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখা অসম্ভব : রাশিয়া

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বিশ্বের জ্বালানি তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রাশিয়ার তেলের কোনো বিকল্প নেই বলে দাবি করেছেন দেশটির বিশেষ অর্থনৈতিক দূত কিরিল দিমিত্রিভ।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) কিরিল এক বিবৃতিতে জানান, রুশ তেল ছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার কোনোভাবেই ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে না এবং যুক্তরাষ্ট্র কার্যত এই রূঢ় সত্যকেই এখন স্বীকার করে নিচ্ছে।

দিমিত্রিভ টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে উল্লেখ করেন, বর্তমান সংকটকালীন পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলোই প্রমাণ করে যে বৈশ্বিক সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়ার জ্বালানি কতটা অপরিহার্য।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে চার বছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং তেলের দাম কমাতে মার্কিন প্রশাসন রাশিয়ার ওপর থাকা কঠোর নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ সমুদ্রের মাঝপথে আটকে থাকা রুশ অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য কেনার জন্য বিভিন্ন দেশকে ৩০ দিনের একটি বিশেষ সময়সীমা বা লাইসেন্স প্রদান করেছে। মূলত সাগরে ভাসমান জাহাজে থাকা পণ্যগুলো খালাসের অনুমতি দেওয়ার মাধ্যমেই বাজার নিয়ন্ত্রণের এই চেষ্টা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

এর আগে গত ৫ মার্চ মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ভারতের জন্য একইভাবে ৩০ দিনের একটি বিশেষ ছাড় দিয়েছিল, যার ফলে সাগরে আটকে থাকা রুশ তেল কেনার সুযোগ পায় নয়াদিল্লি। যুক্তরাষ্ট্রের এই নমনীয় অবস্থানকে রাশিয়া তাদের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রয়োজনীয়তার জয় হিসেবে দেখছে।

কিরিল দিমিত্রিভ মনে করেন, ইরানের তৈরি করা অস্থিতিশীলতা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র এখন বাধ্য হয়েই রুশ তেলের ওপর নির্ভরশীলতা দেখাচ্ছে। সাগরে ভাসমান জাহাজগুলোতে থাকা রাশিয়ার তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য সাময়িকভাবে কেনার এই সুযোগ মূলত বিশ্ব অর্থনীতিকে বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার একটি প্রয়াস বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালী বন্ধের হুমকির মুখে তেলের বিকল্প উৎস হিসেবে রাশিয়ার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপটি বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে নানামুখী বিশ্লেষণ চলছে। তবে রাশিয়ার পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মস্কোর সক্রিয় অংশগ্রহণ ও জ্বালানি সরবরাহ ছাড়া বিশ্ববাজারের স্থিতিশীলতা ফেরানো অসম্ভব। পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে আগামী দিনগুলোতে এই ধরনের আরও ছাড় বা বিশেষ লাইসেন্স প্রদানের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

 

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page